শিরোনাম

মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার চালু

| ১৭ মে ২০১৭ | ১১:১০ অপরাহ্ণ

রাজধানীর মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) মোড় থকে সোনারগাঁও ক্রসিং অংশের উদ্বোধন হয়েছে আজ বুধবার। প্রথম দিন গাড়ির চাপ খুব বেশি দেখা যায়নি। মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফ্লাইওভার ব্যবহারকারীরা। ফ্লাইওভারের কিছু অংশের কাজ শেষ না হওয়ায় শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা গেছে।

আজ সকাল ১০টায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই অংশের উদ্বোধন করেন। বিকেল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ফ্লাইওভারে ৪০-৪৫টি গাড়ি নামতে দেখা গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ রাজস্ব উন্নয়ন বোর্ডের একটি বাস ছাড়া কোনো বাস নামতে দেখা যায়নি। এ সময় সোনারগাঁও হোটেলের সামনের ট্রাফিক সিগন্যালের কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। যদিও এই যানজট ফ্লাইওভারের নিচের রাস্তার গাড়ির কারণে।

ফ্লাইওভারে উঠে দেখা গেল, নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা কাজ করছেন। ফ্লাইওভারের প্রায় অর্ধেক অংশের দুই পাশের রেলিং এখনো বসানো হয়নি। সেসব রেলিং বসাচ্ছেন শ্রমিকেরা। এ সময় একজন শ্রমিক জানান, যে কাজ বাকি আছে, তা শেষ হতে অন্তত আরও দুই মাস সময় লাগবে।

ফ্লাইওভার ব্যবহার করা এক প্রাইভেট কারের চালক আবুল হোসেন বলেন, ‘অনেক ভালো লাগছে। আগে রেল ক্রসিংয়ের জন্য সময় অনেক বেশি লাগত, এখন সে সমস্যা নেই। তবে নিচের রাস্তা ও সোনারগাঁওয়ের সিগন্যালের
কারণে ফ্লাইওভারেও যানজট লাগতে পারে। এটা যানজট বাড়াতে পারে।’
এ বিষয়ে শরিফুল ইসলাম নামের ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য বলেন, ‘এ রাস্তায় এমনিতেই যানজট বেশি থাকে। এখন সোনারগাঁও ক্রসিংটা যদি খোলা থাকে, তাহলে হয়তো একটু যানজট কম থাকবে।’ সোনারগাঁও ক্রসিং দিয়ে গাড়ি ডান দিকে ইউটার্ন নিতে পারে।

ফ্লাইওভারের পাশের একজন ব্যবসায়ী মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘আগেও এই রাস্তায় যানজট থাকত। এখন ফ্লাইওভারের গাড়ি এসে আরও যানজট লাগবে কি না, সেটাই চিন্তার ব্যাপার।’ এ সময় তাঁর পাশে থাকা এক ব্যক্তি মো. কাইয়ুম বললেন, ‘এ দেশে ভিআইপিদের কারণে যানজট কমানো সম্ভব নয়। তাঁদের গাড়ির কারণে বেশির ভাগ সময় যানজট তৈরি হয়।’

২০১১ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। এরপর ২০১৩ সালরে ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্লাইওভার নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। প্রথম ধাপে ফ্লাইওভারটি নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ছিল ৩৪৩ কাটি ৭০ লাখ টাকা। দ্বিতীয় ধাপে তা বেড়ে ৭৭২ কাটি ৭৭ লাখ টাকা হয়। প্রকল্পটি শেষ করতে মোট ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল থেকে সাতরাস্তা পর্যন্ত অংশটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

সুত্র: প্রথমআলো

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ফেইজবুকে আমরা

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
    21222324252627
    282930    
           
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28