Select your Top Menu from wp menus
শনিবার, ২১শে অক্টোবর ২০১৭ ইং ।। সন্ধ্যা ৭:৪৩

বাসর রাতে মেয়েদের মাঝে যে ভয়গুলো কাজ করে …

প্রতিটি মানুষের জীবনেরই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এটি। বিয়ের প্রথম রাত তথা ফুলশয্যার রাত নিয়ে পুরুষের মাঝে যেমন কাজ করে প্রবল উত্তেজনা, নারীর মাঝে কাজ করে ঠিক তেমনি ভয়। শুধু ভয় বললে কম বলা হবে, ভয়-শঙ্কা-অস্বস্তি সব মিলিয়ে অনেকগুলো অনুভব কাজ করে প্রত্যেক নারীর মাঝেই। চলুন, ফুলশয্যার রাত নিয়ে নারীর ৭ ধরণের ভয় সেগুলোর নেপথ্যে কারণগুলো জেনে নিই।
১) প্রথম যৌন মিলনের ভয়টা তো থাকেই
বিয়ের সাথে জড়িয়ে আছে যৌন সম্পর্কের বিষয়টা। এবং প্রেম করে বিয়ে হোক বা পারিবারিক, অবধারিত ভাবেই বিয়ের রাতে এই বিষয়টি নিয়ে প্রবল ভয় কাজ করে নারীদের মাঝে। কেননা এখনো আমাদের দেশের মেয়েরা সাধারণত বিয়ের আগে ভার্জিনই থাকেন। ফলে নিজের জীবনের প্রথম যৌন মিলনের ব্যাপারটি নিয়ে শংকা হওয়াটাই স্বাভাবিক।
২) প্রথম আরেকজন মানুষের সাথে নিরবিলি জীবন
ঠিক আরেকজনও না, বর। এতদিন যাকে কেবল দূর থেকেই দেখেছেন, তার সাথেই এখন কাটাতে হবে জীবন। একই কামরায় দুজনে নিরিবিলি জীবন-যাপন করবেন, একসাথে কাটাবেন জীবনের বাকি রাতগুলো। কী হবে, কেমন হবে ইত্যাদি নিয়ে সব নারীই অনেক কিছু চিন্তা করে ফেলেন।
৩)কেমন দেখাচ্ছে আমাকে?
বিয়ের প্রথম রাত বলে কথা, প্রত্যেক নারীই চান এইদিন তাঁকে অপ্সরার মত দেখতে লাগুক। কেমন দেখাচ্ছে তাঁকে, বরের চোখে ভালো লাগছে কিনা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে শংকায় ভোগেন প্রায় সব নারী।
৪) পরের দিন সকালটা কেমন হবে?
নতুন একটি মানুষের সাথে শুরু হবে পরের দিনটি। লজ্জা, জড়তা, অস্বস্তি সবকিছু মিলিয়ে একটি নতুন জীবনের যাত্রা। নিজের চিরচেনা জীবনের প্রায় সবকিছুই মেয়েদের ফেলে আসতে হয় বাবার বাড়িতে, নিজের প্রায় সমস্ত অভ্যাসই বিয়ের পর বদলে ফেলতে হয়। পরের দিন সকালটি কেমন হবে, কোন কাজটি কীভাবে করবেন এগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন প্রায় সব নারীই।
৫)চারদিকে শুধু নতুন মানুষ
কেবল স্বামী তো নন, শ্বশুরবাড়িতে প্রায় সকলেই নতুন। সকলের সাথে মানিয়ে নেয়া, সকলের সাথে সম্পর্ক তৈরি করার পালাটি শুরু হয়ে যায় বিয়ের প্রথম রাতটি থেকেই। পরের দিন থেকেই একেবারে ভিন্ন একটি জীবনের যাত্রা শুরু। বিয়ের রাতে শ্বশুরবাড়ির প্রায় সবকিছুই নিয়েই ভাবতে থাকেন মেয়েরা।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *