Select your Top Menu from wp menus
শুক্রবার, ১৯শে জানুয়ারি ২০১৮ ইং ।। রাত ১:৪০

সেবা করে পুলিশ পদক পাচ্ছেন শেখ নাজমুল

আরজে রাফি ,নিউজ ডেস্কঃ ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) উত্তরের উপ কমিশনার শেখ নাজমুল আলম ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ পাচ্ছেন।

২০১৭ সালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩০ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’, ৭১ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৮ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ দেওয়া হচ্ছে। একই সাথে আরো ৫৩ জন ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য পুলিশ সদর দফতরকে জানানো হয়েছে। ৮ জানুয়ারি রোববার পুলিশ সপ্তাহ অনুষ্ঠানে এই পদক প্রদান করা হবে।

গতকাল ৬ জানুয়ানি শনিবার পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি একেএম শহীদুল হক জানিয়েছেন ১৮২ জনকে এবার পদক দেয়া হচ্ছে। আর তার মধ্যে বেশীর ভাগই পুলিশের সদস্য।

নাজমুল আলমের জন্ম নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানায়। তিনি ২২-০২-১৯৯৮ সালে চাকরিতে যোগদান করেছেন। ডিবি উত্তরের উপ-কমিশনার নাজমুল ইসলাম সফলতার সহিত তার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদন্নোতি পেয়েছেন। পুলিশের দায়িত্ব পালন ছাড়াও নাজমুল আলম সামাজিকভাবে বেশ কিছু কাজ করে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি বেশ কিছু এতিমখানায় ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা করেছেন। সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন জেলার শীতার্তদের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন।

‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ পাওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে নাজমুল আলম প্রিয়.কমকে বলেন, ‘পদক হচ্ছে কাজের স্বীকৃতি দেয়া। ডিবি উত্তরের জন্য বছরের শুরু থেকে সারা বছর যে কাজ করেছি, সেই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এই বিপিএম পদক দেয়া হচ্ছে। এই পদক পাওয়ার পর কাজের স্পৃহা আরো বাড়বে এবং দেশের জন্য আরো ভাল কাজ করার চেষ্টা করবো।’

নিজ উদ্যোগে শীতবস্ত্র ও অনান্য সামাজিক কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রিয়.কমকে তিনি বলেন, ‘আমি তো মনে করি যাদের সামর্থ্য আছে, তাদের সবারই এটা করা উচিত। কারণ আমরা মুসলমান ধর্মের মানুষ। সবাই যদি ঠিক মত যাকাতটা দেই তবে কিন্তু আমাদের এই গরিবদের অভাব অনটন অধিকাংশই লাঘব হয়ে যাবে। সরকার করে দিবে এই আশায় বসে থাকার চেয়ে আমরা যদি আমাদের এই নাগরিক দায়িত্ব পালন করি, তবে সেটা আমাদের দেশের জন্য ভাল হবে। আমার এলাকায় তো অনেক গরীব আছে, কিন্তু আমি নিজের এলাকায় দেই না। এলাকায় দিলে অনেকে ভাবে, মনে হয় রাজনীতি করবে। তাই আমি নিজের এলাকায় দেই না, অন্য এলাকায় দেই। মানুষের জন্য যেহেতু দিব, মানুষের জন্য করলেই তো হয়। এটা তো আমাদেরই দেশ।’

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *