Select your Top Menu from wp menus
শুক্রবার, ১৯শে জানুয়ারি ২০১৮ ইং ।। রাত ১:৪০

এবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশেই জঙ্গি আস্তানা

রাজধানীর পশ্চিম নাখালপাড়ার ‘জঙ্গি আস্তানা’ সন্দেহে ঘিরে রাখা রাড়ি ‘রুবি ভিলায়’ গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভবনটির মালিক সাব্বির হোসেন বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

ভবনটির পাঁচতলার একটি কক্ষেই ‘জঙ্গি আস্তানা’ বলে জানিয়েছে র‍্যাব। ওই ভবনে মেস করেও শিক্ষার্থী ও অন্যরা থাকেন। ষষ্ঠতলার এ রকম একটি কক্ষে থাকেন গাজীপুরের পারভেজ নামের এক যুবক। তিনি অভিযান শুরুর পর পরই তার বাবা কামরান হোসেনকে ফোন করে পরিস্থিতি জানান।

কামরান ছেলের ফোন পেয়েই ঢাকায় ছুটে এসেছেন। কিন্তু ছেলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারছেন না। ছেলের ফোনও বন্ধ পাচ্ছেন সকাল থেকে। ‘রুবি ভিলা’য় প্রবেশের চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। ফলে ওই বাড়ির আশপাশেই ছেলের সন্ধানে ঘুরছেন কামরান।

বেলা ১১টার দিকে ‘রুবি ভিলা’র পাশের একটি গলিতে কামরানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ছেলে ফোন দিছে। দিয়ে বলে, আব্বা, বাসায় খুব গোলাগুলি হচ্ছে। কী হচ্ছে বুঝতে পারছি না। বাসা র‍্যাব আর পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাসায় খুব গোলাগুলি হচ্ছে। আব্বা, বাঁচব কি না জানি না, আপনি তাড়াতাড়ি চলে আসেন। এর পরই আমি বাড়ি থেকে রওনা দিছি’।

তিনি আরো বলেন, এখানে আসার পর ছেলের মোবাইল বন্ধ পাচ্ছি। তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।

পশ্চিম নাখালপাড়ার যে ছয়তলা বাড়িটি ঘিরে এ অভিযান চলছে, সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে খুব বেশি দূরে নয়। বাড়িটির পাঁচতলায় একটি মেস করে জঙ্গিরা অবস্থান করছিল বলে র‍্যাব প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। সেখানে তাঁরা উঠেছিল এক সপ্তাহ আগে। তবে তাঁরা ভুয়া আইডি ব্যবহার করেছিল বলে সন্দেহ করছে র‍্যাব।

সকাল ১০টার দিকে র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমদ জানান, নিহত তিনজনের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হবে। সেখান থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক রাজধানীর পশ্চিম নাখালপাড়ার ‘জঙ্গি আস্তানা’ সন্দেহে ঘিরে রাখা রাড়ি ‘রুবি ভিলায়’ গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভবনটির মালিক সাব্বির হোসেন বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

ভবনটির পাঁচতলার একটি কক্ষেই ‘জঙ্গি আস্তানা’ বলে জানিয়েছে র‍্যাব। ওই ভবনে মেস করেও শিক্ষার্থী ও অন্যরা থাকেন। ষষ্ঠতলার এ রকম একটি কক্ষে থাকেন গাজীপুরের পারভেজ নামের এক যুবক। তিনি অভিযান শুরুর পর পরই তার বাবা কামরান হোসেনকে ফোন করে পরিস্থিতি জানান।

কামরান ছেলের ফোন পেয়েই ঢাকায় ছুটে এসেছেন। কিন্তু ছেলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারছেন না। ছেলের ফোনও বন্ধ পাচ্ছেন সকাল থেকে। ‘রুবি ভিলা’য় প্রবেশের চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। ফলে ওই বাড়ির আশপাশেই ছেলের সন্ধানে ঘুরছেন কামরান।

বেলা ১১টার দিকে ‘রুবি ভিলা’র পাশের একটি গলিতে কামরানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ছেলে ফোন দিছে। দিয়ে বলে, আব্বা, বাসায় খুব গোলাগুলি হচ্ছে। কী হচ্ছে বুঝতে পারছি না। বাসা র‍্যাব আর পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাসায় খুব গোলাগুলি হচ্ছে। আব্বা, বাঁচব কি না জানি না, আপনি তাড়াতাড়ি চলে আসেন। এর পরই আমি বাড়ি থেকে রওনা দিছি’।

তিনি আরো বলেন, এখানে আসার পর ছেলের মোবাইল বন্ধ পাচ্ছি। তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।

পশ্চিম নাখালপাড়ার যে ছয়তলা বাড়িটি ঘিরে এ অভিযান চলছে, সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে খুব বেশি দূরে নয়। বাড়িটির পাঁচতলায় একটি মেস করে জঙ্গিরা অবস্থান করছিল বলে র‍্যাব প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। সেখানে তাঁরা উঠেছিল এক সপ্তাহ আগে। তবে তাঁরা ভুয়া আইডি ব্যবহার করেছিল বলে সন্দেহ করছে র‍্যাব।

সকাল ১০টার দিকে র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমদ জানান, নিহত তিনজনের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হবে। সেখান থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাত ২টা থেকে বাড়িটি ঘিরে রেখে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভবন থেকে অন্য বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে কয়েকজনকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পশ্চিম নাখালপাড়ার এক ষাটোর্ধ্ব নারী জানান, তাঁর জন্ম এখানেই। এক বছর আগেও এই ভবন থেকে কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায় তেজগাঁও থানার পুলিশ। পরে তাঁরা জেনেছিলেন, তাদের জঙ্গি সন্দেহেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

পশ্চিম নাখালপাড়া শেষ হলেই শুরু পূর্ব তেজকুনিপাড়া। সেখানকার বাসিন্দা (৪০) এক যুবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সেখানে তাঁর একটি মোবাইল রিচার্জের দোকান আছে। পেছনে পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন।

ওই যুবক বলেন, ‘রাত দেড়টা-দুইটা হবে মনে হয়, হঠাৎ চার-পাঁচটা গুলির শব্দ পাইছি। তারপর বের হয়ে দেখি কিছু নাই। পরে ভয়ে ভয়ে গিয়ে আবার শুয়ে পড়েছি। এর একটু পরেই মাইকিং শুনি, বলে—আত্মসমর্পণ করেন।’

গত ২০ বছর ধরে ওই এলাকায় আছেন এমন পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি জানান, তিনিও রাতে গুলির শব্দে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। তবে মাইকিংয়ের আওয়াজ শুনলেও স্পষ্ট করে কোনো কথা শুনতে পাননি। নিজের নাম-পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।মুফতি মাহমুদ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাত ২টা থেকে বাড়িটি ঘিরে রেখে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভবন থেকে অন্য বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে কয়েকজনকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পশ্চিম নাখালপাড়ার এক ষাটোর্ধ্ব নারী জানান, তাঁর জন্ম এখানেই। এক বছর আগেও এই ভবন থেকে কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায় তেজগাঁও থানার পুলিশ। পরে তাঁরা জেনেছিলেন, তাদের জঙ্গি সন্দেহেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

পশ্চিম নাখালপাড়া শেষ হলেই শুরু পূর্ব তেজকুনিপাড়া। সেখানকার বাসিন্দা (৪০) এক যুবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সেখানে তাঁর একটি মোবাইল রিচার্জের দোকান আছে। পেছনে পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন।

ওই যুবক বলেন, ‘রাত দেড়টা-দুইটা হবে মনে হয়, হঠাৎ চার-পাঁচটা গুলির শব্দ পাইছি। তারপর বের হয়ে দেখি কিছু নাই। পরে ভয়ে ভয়ে গিয়ে আবার শুয়ে পড়েছি। এর একটু পরেই মাইকিং শুনি, বলে—আত্মসমর্পণ করেন।’

গত ২০ বছর ধরে ওই এলাকায় আছেন এমন পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি জানান, তিনিও রাতে গুলির শব্দে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। তবে মাইকিংয়ের আওয়াজ শুনলেও স্পষ্ট করে কোনো কথা শুনতে পাননি। নিজের নাম-পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *