শিরোনাম

চীনের সহায়তায় সৌদি ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি

| ০৮ জুন ২০১৯ | ৬:০০ পূর্বাহ্ণ

চীনের সহায়তায় সৌদি ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি

সৌদি আরব ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। মজুত বাড়ার পেছনে হাত আছে চীনের। এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর এ ঘটনা ঘটলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের তিন দশকের কৌশল চরম হুমকির মুখে পড়বে।

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পে (ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম) সরাসরি সাহায্য করছে চীন। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা এর প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছেন। বিষয়টি সত্যি হলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের তিন দশকের কৌশল হুমকির মুখে পড়বে।

সিএনএনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের পারমাণবিক অস্ত্র মজুত ও সক্ষমতা বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য হাতে পেয়েও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। দুজন সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, সারা বিশ্বের ক্ষেপণাস্ত্রবিষয়ক হালনাগাদ তথ্য সব সময় পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পরিবর্তন দেখা গেলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদিনের ব্রিফিংয়ে তা জানানো হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্ষেপণাস্ত্র মজুত বাড়াতে সম্প্রতি চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও প্রযুক্তি কিনেছে সৌদি আরব। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ খবরটি মার্কিন কংগ্রেসের শীর্ষ সদস্যদের কাছে চেপে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ ডেমোক্র্যাট দলের সিনেটররা।

কংগ্রেসের কাছে বিষয়টি গোপন রাখায় মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কতটা সদিচ্ছা আছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কংগ্রেস সিনেটরদের মধ্যে। অনেক সিনেটর মনে করছেন সৌদি আরবের এমন পদক্ষেপের পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের নীরব অনুমোদনও আছে। কারণ ইরানকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র এ কৌশল নিয়ে থাকতে পারে। এ জন্য মার্কিন কংগ্রেসের বিরোধিতা সত্ত্বেও সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন সৌদি আরবের কাছে শত শত কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে ইরানকে রুখতে মরিয়া সৌদি আরবও। গত বছর মার্কিন এক টিভি চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছিলেন, ‘ইরান যদি পরমাণু বোমা বানায়, আমরাও বানাব।’

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কেনে সৌদি আরব। তবে, ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত একটি অনানুষ্ঠানিক বহুজাতিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ চুক্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে পারে না সৌদি আরব। কিন্তু সৌদি আরব বরাবরই বলে আসছে, শত্রু দেশ ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতার সমকক্ষ হতে তাদেরও পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োজন। তাই ১৯৮৭ সালের চুক্তিতে যেসব দেশ স্বাক্ষর করেনি, চীনসহ সেসব দেশ থেকে নানা সময়ে সহায়তা নিয়েছে সৌদি আরব।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিয়ে করলেন নাবিলা

২৭ এপ্রিল ২০১৮

ফেইজবুকে আমরা

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
    22232425262728
    2930     
           
      12345
    27282930   
           
          1
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28