শিরোনাম

ঐক্যবদ্ধ থাকুক, প্রত্যাশা আওয়ামী লীগের : ওবায়দুল কাদের

| ১১ জুন ২০১৯ | ২:২৮ অপরাহ্ণ

ঐক্যবদ্ধ থাকুক, প্রত্যাশা আওয়ামী লীগের : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট ঐক্যবদ্ধ থাকুক, এটাই সরকারি দলের প্রত্যাশা। একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তিশালী বিরোধী দল গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সৃষ্ট টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে গতকাল সোমবার ঐক্যফ্রন্টের ‘স্টিয়ারিং কমিটির ‘র বৈঠক হয়। সেখানে এই জোটের অনেক নেতা ক্ষুব্ধ মনোভাব প্রকাশ করেন।

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা প্রকাশ পাচ্ছে—এই বিষয়টি কীভাবে দেখছেন, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ব্যাপারে আপনারা যে প্রশ্ন করেছেন, ঐক্যফ্রন্টে সমন্বয় নেই, ঐক্য নেই। আমরা সেটা চাই না। ঐক্যফ্রন্ট ঐক্যবদ্ধ হোক, তাদের মধ্যে সমন্বয় হোক। একটি শক্তিশালী দায়িত্বশীল বিরোধী দল গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য শুভ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শক্তিশালী দায়িত্বশীল বিরোধী দল আমরা চাই। সংসদের ভেতরে ও বাইরে শুধু দায়িত্বশীল নয়, শক্তিশালী বিরোধী দল আমরা চাই। বিরোধী দল যথাযথ ভূমিকা পালন করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বন্দিত্ব নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) উদ্বেগ প্রকাশ করায় আওয়ামী লীগ কোনো চাপ অনুভব করছে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে কে কী বলেছে, তা নিয়ে কোনো চাপ আমরা অনুভব করছি না।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে বিএনপি উদ্বেগ প্রকাশ করছে। কিন্তু ডাক্তারেরা তো কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করছেন না। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য উদ্বেগের পর্যায়ে আছে বলে আমাদের জানা নেই। মেডিকেল বোর্ডও এ রকম কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

খালেদা জিয়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দলটির নেতারা মুখ রক্ষায়, কর্মীদের চাঙা করতে নানান কথা বলছেন। বিএনপির নেতারা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে যতটা না উদ্বিগ্ন, তার চেয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাজনীতি করতেই তাঁরা বেশি অভ্যস্ত ও ব্যস্ত।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বারবার বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে। বিদেশিরা কখনো বলেনি বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য খারাপ। তারা বলেছে, বন্দী অবস্থায় যেন ভালো চিকিৎসা হয়। ভালো চিকিৎসা তো হচ্ছে। ডাক্তারদের পক্ষ থেকে তো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আওয়ামী লীগের নেতারা প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারে দেখতে নারি, তার চলন বাঁকা। শেখ হাসিনার ভালো কাজ তাঁরা (বিএনপির নেতারা) দেখতে পান না। উন্নয়ন তাঁদের চোখে পড়ে না। কারণ হচ্ছে, তাঁরা ধরে নিয়েছেন, তাঁদের রাজনীতি হচ্ছে বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা। বাস্তব অবস্থার কোনো বিচার-বিশ্লেষণ তাঁরা করছেন না। আসলে তাঁদের পাওয়ারের চশমা দরকার। উন্নয়ন দেখার জন্য তাঁদের এখন পাওয়ারের চশমা দরকার। পাওয়ারের চশমা হলে হয়তো-বা দেখতে পাবেন।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার পর রুমিন ফারহানা সংসদকে অবৈধ বলে মন্তব্য করেন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারপরও তাঁর সাহসের আমরা প্রশংসা করি যে, তিনি সংসদে এসেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম তো পাশ করেও সংসদে আসেননি।

রুমিন ফারহানার মন্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সংসদে এসে সংসদের বিরুদ্ধে বলুক। সরকারের বিরুদ্ধে বলুক। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তারপর সংসদে তো এসেছেন। সংসদ সদস্য হয়ে কীভাবে এই সংসদকে অবৈধ বললেন, তার মীমাংসা সংসদ অধিবেশনেই হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপি, কামরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাইদ খোকন প্রমুখ যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিয়ে করলেন নাবিলা

২৭ এপ্রিল ২০১৮

ফেইজবুকে আমরা

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
    21222324252627
    282930    
           
      12345
    27282930   
           
          1
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28