Swadeshnews24.com

শিরোনাম

আজ ঢাকায় ভোট যুদ্ধ

| ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ

আজ ঢাকায় ভোট যুদ্ধ

ঢাকায় ভোট যুদ্ধ আজ। টানা ২১ দিন প্রচার যুদ্ধের পর জনতার রায় ঘোষণার দিন। ভোটারদের ক্ষমতা প্রয়োগের দিন। দুই কোটিরও বেশি মানুষের নগরের দুই নগরপিতা নির্বাচনে ভোট দেবেন ৫৪ লাখেরও বেশি ভোটার। জনমনে নানা শঙ্কা। আছে কিঞ্চিত আশাও। এবার ভোটে ব্যালট নেই। যন্ত্রে বোতাম টিপে ভোট দিতে হবে।

তাই আগের ভোটের মতো রাতের শঙ্কা ছিল না। ভোট হবে এনিয়েও কোন শঙ্কা নেই। শঙ্কা যন্ত্রের কারিশমা নিয়ে। যন্ত্র কী ঠিকঠাক ভোটের ফল তুলে আনবে নাকি ত্রুটির গ্যারাকলে অন্যকিছু হবে? এমন শঙ্কা ভোটার, প্রার্থী ও বিশ্লেষকদের মনে। যদিও নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বরাবরই অভয় দিয়ে আসছেন আগে ত্রুটি থাকলেও এবার আর সমস্যা হবে না। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে জনতার রায় প্রতিফলিত হবে। ভোটের আগেই উত্তাপ-উত্তেজনা ছিল। প্রচারণার সময় আক্রান্ত হয়েছেন প্রার্থীরা। প্রচারণা শেষে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে দুই শিবির থেকেই। সশস্ত্র সন্ত্রাসী, ভাড়াটে লোক আনার অভিযোগ এসেছে দুই পক্ষ থেকে। তবে নির্বাচন কমিশন, প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বির পক্ষ থেকে ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহবান জানানো হয়েছে। তাদের এই আহবান কিঞ্চিত আশা জেগেছে ভাল একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের। দিনের শুরুতে বুঝা যাবে কেমন নির্বাচন হতে যাচ্ছে রাজধানীতে।

নির্বাচন কমিশন ঢাকায় নতুন কোন ইতিহাস তৈরি করবে নাকি পুরনো ইতিহাসে বুদ হয়ে থাকবে। ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে চোখ পুরো দেশবাসীর। আন্তর্জাতিক মহলও তাকিয়ে এই নির্বাচনের দিকে। বিদেশি পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রস্তুতি নেয়ার সময় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে বাংলাদেশিদের বিদেশি দূতাবাসের তরফে পর্যবেক্ষক রাখা যাবে না। হাই ভোল্টেজ এই নির্বাচনে দুই সিটিতে মেয়র পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যদিও উত্তরে আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলামের সঙ্গে বিএনপির তাবিথ আউয়ালের এবং দক্ষিণে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে বিএনপির ইশরাক হোসেনেরই মূল লড়াই হবে। ১২৯টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ৪৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদেও জমজমাট লড়াই হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে চলবে ভোট গ্রহণ। ইসি সূত্রে যানা যায়, ঢাকা দুই সিটি নির্বাচনের জন্য ২৮ হাজার ৮৭৮টি ইভিএম সেট প্রস্তুত রয়েছে সেগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ইতিমধ্যে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। দুই সিটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ২ হাজার ৪৬৮ টি, ভোট কক্ষ রয়েছে ১৪ হাজার ৪৩৪ টি। ভোট কক্ষ পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। পরীক্ষামুলক বা মক ভোটিং এর জন্য ইতিমধ্যে ৩৫ হাজার ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনার জন্য ৪৫ হাজার ৭৭০ জন প্রিজাইডিং পোলিং এজেন্টেদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেক কেন্দ্রে দুই জন করে ৫ হাজার ১৫ জন সেনা সদস্যকে কারিগরি সহায়তা দেয়ার জন্য রাখা হয়েছে, তার শুধু কারিগরি দিক দেখাশোনা করবেন।

এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল প্রধান চার মেয়র প্রার্থীই মানবজমিন এর কাছে শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রত্যাশা জানিয়েছেন। নিজেদের জয়ের বিষয়েও আশা প্রকাশ করেছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় একটি জরিপের তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।

আইন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা: প্রতিটি সাধারণ ভোট কেন্দ্রে ১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ন ভোট কেন্দ্রে ১৮ জন পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, ও রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসার এর সমন্বয়ে ২২৮ প্লাটুন, প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে র‌্যাবের মোট ১৩০ প্লাটুন এবং বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ৬৫ প্লাটুন সদস্য নিয়োজিত থাকবে। একই সাথে দক্ষিণ সিটিতে ৫৪ জন ও উত্তর সিটিতে ৭৫ জনসহ মোট ১২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। ইভিএম সংশ্লিষ্ট সকল ভোটকেন্দ্রের সার্বিক ফলাফল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অবশ্যই প্রকাশের জন্য রিটার্নিং অফিসার-সহকারি রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। র্নিাচনে প্রিজাইডিং অফিসার কিংবা সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার কোনো ভোট দিতে পারবেন না। তারা ভোট পরিচালনা করবেন। তবে বিভিন্ন কারণে কারো আঙুলের ছাপ না মিললে তারা ১ শতাংশ পর্যন্ত ভোট দিতে সহায়তা করতে পারবেন। এর চেয়ে বেশি প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হবে। কেউ অবৈধভাবে ভোট বা ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে গেলে তাকে শনাক্ত করে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম গতকাল জানিয়েছেন, আমাদের শতভাগ প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আমরা একটা অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধ পরিকর। সকল পোলিং এজেন্টের উপস্থিতিতে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ফলাফলের প্রিন্ট কপি প্রত্যেক এজেন্টের কাছে দেয়া হবে। প্রত্যেক কেন্দ্র থেকেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। পরে কেন্দ্র থেকে সেই ফলাফল রিটানিং করর্কতার কাছে পাঠানো হবে। আমরা আশা করছি ভোট শেষ হওয়ার ৩০ (সাড়ে ৪টা) মিনিটের মধ্যেই ফলাফল কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা হবে। কেন্দ্র থেকে ফলাফল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে যদি ফলাফল প্রকাশ করতে দেরি হয় তাহলে আমাদের করার কিছু নেই। এটা ইভিএমের দোষ না। একজন ভোটারের ভোট দিতে ৪০ সেকেন্ড থেকে সর্বোচ্চ ১ মিনিট লাগার কথা। এবার নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। গতকাল সকালে আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে সরজমিনে দেখা যায়, নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরঞ্জাম বিতরণে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। সেখান থেকে ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৯ নং ওয়ার্ডের সরঞ্জাম বিতরণ হয়। এই ৬টি ওয়ার্ডে মোট ৯৯টি কেন্দ্র রয়েছে। ৯৯টি কেন্দ্রের জন্য মোট ১ হাজার ৪৮ সেট ইভিএম বিরতণ করা হয়। সরঞ্জাম বিতরণকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রিতীকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে ইভিএম, মনিটরসহ মোট ৬৭টি উপকরণ কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিতরণ করা হয়েছে।

সকাল ১০টায় বিতরণের কথা থাকলেও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আসতে একটু দেরি হওয়ায় বিতরণ কিছু সময় পরে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ইভিএমের ব্যবস্থা আছে। দুপুরের দিকে খিঁলগাও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সরঞ্জাম বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে যান দক্ষিণ সিটির রিটানিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন। এ সময় তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭২১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে বলেন, এ কেন্দ্রগুলো বিশেষ নজরদারিতে থাকবে। তিনি বলেন, কোনো পোলিং এজেন্ট যিনি ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন তার প্রার্থীর পক্ষে যে এজেন্ট থাকবে তারা কোনো ধরনের মোবাইল ফোন কেন্দ্রে আনবেন না। এটা আইনের বিধান। দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও বলেন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাগণকে জানিয়েছি এবং নির্দেশনা দিয়েছি যে আইন অনুসারে গোপন কক্ষ যেটি আছে সেটিতে শুধুমাত্র যিনি ভোটার তিনিই যেতে পারবেন, অন্য কাউকে যেন গোপন কক্ষে ঢুকতে দেয়া না হয়। এছাড়া অন্ধ, অসুস্থ বা বৃদ্ধ ভোটার যিনি থাকবেন তিনি একজনের সহযোগিতা নিয়ে গোপন কক্ষে যেতে পারবেন।
কড়া নিরাপত্তা: দুই সিটি নির্বাচনকে ঘিরে সতর্ক রয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। ইতিমধ্যে নেয়া হয়েছে তিনস্থরের সুসংহত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্বাচনকে ঘিরে যাতে কোন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নাশকতা করতে না পারে এজন্য রাজধানীর প্রত্যেকটি মোড়ে ও ভোট কেন্দ্র সতর্ক দৃষ্টি থাকবে পুলিশ ও র‌্যাবের। সাদা পোশাকে গোয়েন্দারা নজরদারি গড়ে তুলবে।

ইতিমধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্নস্থানে টহল শুরু করেছেন। নির্বাচনের আগের দিন, নির্বাচনের দিন ও পরের দিনসহ মোট তিনদিনের নিরাপত্তার ছক একেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। সিটি নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ডিবির সোয়াত টিম ও বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে। এছাড়াও ঝুঁকিপুণূ ভোট কেন্দ্রগুলোতে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালাবেন র‌্যাবের সদস্যরা। আকাশে থাকবে র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল। এছাড়াও প্রস্তুত থাকবে ক্রাইসিস রেন্সপন্স টিম। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি মোবাইল ফোর্স থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে পুলিশ সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রগুলোর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। ইতিমধ্যে নির্বাচনকে মনিটরিং করার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের সদর দপ্তরে একটি সেল খোলা হয়েছে। ওই সেলকে নির্বাচনের সব আপডেট ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানানোর জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপারেশন) কৃষ্ণপদ রায় মানবজমিনকে জানান, নির্বাচনে কয়েকটি বিচ্ছিন ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সতর্ক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ শান্ত থাকবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে মৌখিকভাবে পুলিশকে নির্বাচনের কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে সবাইকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করার জন্য। যারা বিদ্রোহী প্রার্থী তাদেরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও যেসব এলাকা ও ভোটকেন্দ্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ সেইস্থানগুলোতে কঠোর নজরদারি গড়ে তোলার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় ৫০ হাজার সদস্য মাঠে নেমেছেন। ইতিমধ্যে র‍্যাবের ৫ টি ব্যাটালিয়ন গতকাল থেকে কাজ শুরু করেছেন। নির্বাচনের পরদিন পর্যন্ত র‍্যাবের বিশেষ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পুলিশ ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে ঢাকার বিভিন্নস্থানের তল্লাশি চৌঁকি থাকবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, প্রবেশপথ ও ভোটকেন্দ্রের আশপাশে বিশেষ নজর থাকবে র‍্যাবের ।

সূত্র জানায়, সাধারণ ভোটকেন্দ্রে অস্ত্রসহ চারজন পুলিশ (এসআই,এএসআই একজন ও তিনজন কনস্টেবল), লাঠিসহ ১০ জন আনসার, ভিডিপি সদস্য (৬ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী) মোতায়েন থাকবেন। অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে অস্ত্রসহ ৬ জন পুলিশ, লাঠিসহ ১০ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েনন থাকবে। সূত্র জানায়, ভোট গ্রহণের আগের দিন রাতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সব সদস্য ভোট কেন্দ্রেই অবস্থান করবেন। গতকাল রাত থেকেই পুলিশের সদস্যরা ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করা শুরু করেছেন। এছাড়াও যেসব ভোট কেন্দ্রগুলো বেশী ঝঁকিপূর্ণ সেইসব ভোটকেন্দ্রগুলো গতকাল রাত থেকেই সিলগালা করা হয়েছে। ওই সব ভোট কেন্দ্রগুলোতে সাদা পোশাকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নজরদারি শুরু করেছেন।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিয়ে করলেন নাবিলা

২৭ এপ্রিল ২০১৮

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
    22232425262728
    29      
           
      12345
    27282930   
           
          1
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28