আবহাওয়া: আগামী ৩ দিনে কমবে শীত

পৌষকে সঙ্গী করে শীত ঋতু আসবে আরও একদিন পর। কিন্তু তার আগেই প্রকৃতিতে পুরোদস্তুর শীতের আমেজ।

কোথাও তাপমাত্রা হঠাৎ অনেকটা কমে গিয়ে আবার বেড়ে যাচ্ছে। আগামী তিনদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশের উপর দিয়ে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বুধবার অগ্রহায়ণের শেষ দিন, শেষ হচ্ছে চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) পৌষ মাসের প্রথম দিন, শুরু হচ্ছে পঞ্চম ঋতু শীত। আজ বুধবার সকালে আবহাওয়াবিদ বলেন, উত্তর-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু আসতে শুরু করেছে। এজন্য তাপমাত্রা ক্রমেই কমছে। তবে আজ বুধবারই চুয়াডাঙ্গাসহ এসব অঞ্চলের তাপমাত্রা বেড়ে ১০ ডিগ্রির উপরে চলে গেছে। তিনি আরও বলেন, দুই তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা দেখছি না, বরং তা আরও বাড়তে পারে। এ মাসের শেষের দিকে দেশে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানান রুহুল কুদ্দুস।

বুধবার সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে জানিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিনদিনে রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৯ থাকলেও বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে ১১ দশমিক ৩, দিনাজপুরে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বাতাসের তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি ও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির বেশি থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে হলে তাকে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে তাকে বলে তীব্র শৈত্য প্রবাহ। আবহাওয়া অধিদফতর ইতোমধ্যে ডিসেম্বর মাসের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু বা মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী উত্তর তামিলনাড়ুতে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ও ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.