চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নের উত্তর মান্দারতলী গ্রামে বিদ্যুতায়নের কাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় মামলা দিয়ে কাজে বাঁধা ও মানুষকে হয়রানির চেষ্টা করছে একটি মহল। মান্দারতলী থেকে কালীর বাজার পর্যন্ত পাকা সড়কের উপর দিয়ে নতুন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে।

সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি কুপলেও নিজ মালিকানা জায়গা দাবী করে নির্মাণ কাজ স্থগিত রাখার জন্য চাঁদপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুস সোবহান মিয়ার ছেলে মো. সাখাওয়াত হোসেন। অভিযোগে পল্লী বিদ্যুতের নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঠিকাদারসহ এলাকার আরো চারজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে বিবাদী করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃক ১২৬ নং লট-এ উত্তর মান্দারতলী গ্রামে বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। ওই লটের ৭ নং খুটি-টি বাদী সাখাওয়াত হোসেনের জমিতে পড়েছে। বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণের আগে ষ্টেকিং শীট করা হয়েছে একভাবে, আর কাজ করা হয়েছে অন্যভাবে। লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে সঠিক স্কেচম্যাপ অনুসরণ করা হয়নি।

রবিবার দুপুরে সরেজিমনে দেখা গেছে, মান্দারতলী থেকে কালীর বাজার পর্যন্ত পাকা সড়কে নতুন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণের জন্য প্রায় খুঁটি কুপা হয়েছে। খুঁটি কুপার অনেক দিন পর তার টানার সময় বাঁধা প্রদান করেছেন সাখাওয়াত হোসেন। বিদ্যুতের লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান করেছেন তিনি। তার এ বাঁধা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উত্তর মান্দারতলী গ্রামের কবির হোসেন, ফয়েজ বক্স সরকার, কামাল হোসেন প্রধান, মনজুর আহমদ প্রধানসহ আরো কয়েজন স্বদেশ নিউজ২৪ ডটকমকে বলেন, আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ আনার জন্য ডিজাইন অনুযায়ী রাস্তায় খুঁটি কুপা হয়েছে। তার টানার সময় সাখাওয়াত ও তার লোকজন এসে বাঁধা প্রদান করেছে। সাখাওয়াতের এ বাঁধা প্রদান সম্পূর্ণ অবৈধ। কারণ এটা সরকারি রাস্তা। রাস্তার উপর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন গেলে কারো কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়না। যার কারনে গ্রামের সকলের মতামতের ভিত্তিতে রাস্তার পার্শ্ব ঘেষে লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি একজন শিক্ষক হয়ে শুধু শুধু এলাকার মানুষকে অমানবিক ভাবে হয়রানি করার লক্ষ্যে মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে।

মো. তৈয়ব আলী প্রধান, জলফু সরকার স্বদেশ নিউজ২৪ ডটকমকে বলেন, সরকারি রাস্তার উপর দিয়ে সরকারি বিদ্যুতের লাইন নির্মাণ হচ্ছে। সাখাওয়াত তো বাঁধা দেওয়ার কেউ না। তিনি আমাদের না জানিয়ে কোর্টে গিয়ে মামলা করেছেন। তার এ মিথ্যা মামলা কখনোই কার্যকম হবে না। সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান ও এলাকার মানুষকে হয়রানি করার জন্য একটি কুচক্রি মহলের পাল্লায় পরে সে মামলা করেছে। ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্তপূর্বক দ্রুত বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণে সহযোগীতা করার জন্য আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *