1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. aktarbd239@gmail.com : আক্তারুজ্জামান, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : আক্তারুজ্জামান, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. arifkhan.freshmedia@gmail.com : আরিফ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : আরিফ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  4. esmatsweet@gmail.com : ইসমত দোহা, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : ইসমত দোহা, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  5. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  6. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  7. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  8. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  9. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  10. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
করোনা এবং একটি প্রেমের কাহিনী - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
১৮ বছর পর ইরাকে ‘যুদ্ধ সমাপ্তির’ ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রধানমন্ত্রীর হুশিয়ারি! অনিয়ম করলে ক্ষমা নেই, কঠোর শাস্তি সড়কে রিকশা, প্রাইভেট কারের দাপট, বাড়ছে মানুষের ভিড় ‘মায়া’ নারীশক্তির প্রতিফলন! ভারতীয় সিনেমায় মিথিলা বিএনপির পরিকল্পিত লকডাউনটা কী, জানতে চান তথ্যমন্ত্রী কঠোর লকডাউ‌নের ম‌ধ্যেও পা‌লিত হ‌লো মানুষ ফাউ‌ন্ডেশ‌নের প্রতিষ্ঠা বা‌র্ষিকী। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় রেকর্ড ২৪৭ মৃত্যু সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে রেকর্ড তাড়ায় সিরিজ জয় বাংলাদেশের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সীমিত পরিসরে চলবে উচ্চ আদালত মিয়ানমারের কুখ্যাত ইনসেইন কারাগারে দাঙ্গা! কন্ঠযোদ্ধা ফকির আলমগীর আর নেই পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা, মাস্টার সাময়িক বরখাস্ত লক্ষ্মীপুরে অসহায় দুস্থরা পেল কেন্দ্রীয় যুবলীগের রেশন কার্ড মাধ্যমে খাদ্য সামগ্রী মুনিয়ার মৃত্যু: নুসরাতের অভিযোগ অসত্য প্রমাণিত স্ত্রীর পোশাক পরে প্লেনে উঠে ধরা খেলেন কোভিড রোগী

করোনা এবং একটি প্রেমের কাহিনী

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৬১ Time View

ইলিয়ানোর লিয়াও এবং তার বয়ফ্রেন্ড আরন লিউং। করোনা ভাইরাস তাদেরকে তিন বছর হতে চললো বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। কিন্তু সীমান্তের এপাড়-ওপাড়ে দু’জনের অবস্থান হলেও ভালবাসা ফুরিয়ে যায়নি। অবিরাম এগিয়ে গেছে তাদের ভালবাসার কাহিনী। এ খবর দিয়ে অনলাইন সিএনএন লিখেছে, লিয়াও-এর বসবাস মূল চীনের দক্ষিণাঞ্চলে শেনঝেং মেট্রোপোলিসে। অন্যদিকে আরন লিউংয়ের বসবাস প্রতিবেশী হংকংয়ে। যে হংকং এখন বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। সেখানে আছে মূল চীনের থেকে ভিন্ন কিছু নিয়মকানুন।

তবে এ বিষয়টি রাজনৈতিক এবং স্থানীয় সরকারগুলোর ভিতরকার বিষয়। লিয়াও ও লিউংয়ের মতো অনেক মানুষ এসব উপেক্ষা করে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই মধ্যে করোনা সংক্রমণ যখন তুঙ্গে ওঠে তখন ২০২০ সালের মার্চে শেনঝেংয়ের সঙ্গে সীমান্ত কার্যত বন্ধ করে দেয় হংকং। করো মহামারির আগে হংকং-শেনঝেন সীমান্ত অতিক্রম করতে ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্ট প্রয়োজন হতো। কিন্তু তা কিছুটা শিথিল করা হয়। ফলে নিয়মিত এই দুটি শহরের মধ্যে প্রতিদিন বাস, ট্রেন এবং কার-এ করে প্রায় ৪২ হাজার মানুষ চলাচল করতেন। এর ফলে সেখানে দুটি শহরের মধ্যে অবস্থানকারী যুবক-যুবতীদের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টিও ছিল সাধারণ। আইন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ডিকনস-এর সর্বশেষ তথ্যমতে, হংকংয়ে প্রতি বছর ৫০ হাজার বিয়ে সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশ শুধু হংকংয়ের যুবক-যুবতীর বিয়ে। বোঝাই যায় বাকি বিয়ে হয় হংকং ও শেনঝেংয়ের মতো শহরের ছেলে ও মেয়ের সঙ্গে।

এমনই একটি প্রেমের সূচনা হয় ২০১৮ সালের এপ্রিলে। ওই সময় চুটিয়ে প্রেমে মজে যান লিয়াও এবং লিউং। করোনা মহামারির আগে তাদের মধ্যে সম্পর্ক এমন ছিল যে, যেকেউ দেখলে বলবেন- তারা স্বামী-স্ত্রী। কাজের ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও একে অন্যকে নিয়মিত দেখতে আসা-যাওয়া করতে থাকেন। সীমান্ত অতিক্রম করে লিয়াওয়ের সঙ্গে সাক্ষাত করতে শেনঝেং চলে যেতেন লিউং। অথবা হংকংয়ের মং কোক এলাকায় লিউংয়ের পারিবারিক মিউজিক স্টুডিওতে চলে আসতেন লিয়াও। সপ্তাহে একবার তাদের মধ্যে দেখাসাক্ষাৎ হতো।

প্রেমিকা লিয়াও জানান, এক মাসের বেশি তারা একজনকে ছেড়ে অন্যজন থাকেননি কখনো। কিন্তু সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় তাদের মধ্যকার দূরত্ব বেড়ে গেছে। এখন শুধু যোগাযোগ অনলাইনে। আর কথা হয় ফোনে। লিয়াও বলেন, যখনই লিউংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে যাই, আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি। এ পরিস্থিতি মেনে নেয়া আমার জন্য খুবই কষ্টের।

সীমান্ত যে একেবারে বন্ধ তা নয়। ১৫টি সীমান্ত চেকপয়েন্ট আছে। তার মধ্যে খোলা আছে তিনটি। কিন্তু সেখান দিয়ে চলাচল করতে গেলে সীমান্তের উভয় পাশেই কোয়ারেন্টিন নিয়ম মানতে হবে। তাই এই সীমান্ত দিয়ে তারা একে অন্যকে দেখে আসতে পারেন। এর জন্য হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে তাদেরকে কয়েক সপ্তাহ। আর তাতে খরচ গুনতে হবে কয়েক হাজার ডলার।

২০২০ সাল। এ বছরের জুলাই মাসে চীন এবং হংকং তুলনামূলকভাবে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু বাইরে থেকে করোনা ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে এই আশঙ্কায় সীমান্তে কড়াকড়ি বহাল থাকলো। সীমান্ত এভাবে বন্ধ রাখায় ক্রমশ হতাশা বাড়তে থাকে লিয়াওয়ের। তিনি কল্পনা করেন সীমান্ত চেকপয়েন্টের কাছে একটি আকাশচুম্বী ভবনে উঠে টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তার প্রেমিকের বাড়ি শনাক্ত করবেন। তিনি সত্যি তাই করলেন। দেখলেন- মাঝখানে শুধু একটি নদী তাকে ও তার প্রেমিককে আলাদা করে রেখেছে। এই নদীর নাম শাম চাম রিভার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সামান্য আগে এই নদীর একটি ক্ষুদ্র অংশ শুকিয়ে যায়। সেখানেই দুই পাশে গড়ে ওঠে একটি স্ট্রিট মার্কেট। এর নাম ‘চুয় ইয় গাই’ বা ‘চায়না-ইংল্যান্ড স্ট্রিট। এদিকে দৃষ্টি পড়ে লিয়াওয়ের। এর অর্ধেক অংশ শেনঝেংয়ে। বাকি অর্ধেক হংকংয়ে। লিয়াং ভাবলেন, এই সড়ক হতে পারে তাদের দু’জনের সাক্ষাতের উত্তম একটি স্থান।

কিন্তু সমস্যা বেধে গেল অন্য জায়গায়। ওই সড়কটি হংকংয়ের যে অংশে পড়েছে সেখানে করোনার কারণে কড়াকড়ি আরোপ করা। ফলে সেখানে সফরে যাওয়া প্রেমিক লিউংয়ের জন্য সহজ ছিল না। তাই তিনি সেখানকার একজনের সহায়তা চাইলেন। পেয়েও গেলেন। অনুমতি চাইলেন স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে। তাতেও অনুমতি পেয়ে গেলেন।

নির্ধারিত দিনে লিয়াওয়ের চেয়ে প্রেমিক লিউং আগেই পৌঁছে গেলেন। করোনা মহামারির কারণে সড়কের মাঝে পানিভর্তি প্লাস্টিক বসিয়ে লাল একটি লাইনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে একপাশের মানুষ অন্যপাশে যেতে পারবেন না। আগে এই ব্যবস্থা ছিল না। সেখানেই লাল রেখা ধরে হাঁটলেন লিউং। ম্যাকডোনাল্ডের একটি দোকানে গিয়ে বসলেন লিয়াওয়ের আশায়।

অন্যদিকে প্রেমিকা লিয়াও বাস থেকে নামলেন। তিনি ফোন করলেন লিউংয়ের ফোনে। এরপর তাকে খুঁজতে লাগলেন। ফোনে পরিষ্কার শোনা যাচ্ছিল না কথা। তাই একজন আরেকজনের জন্য পাগলের মতো চিৎকার করে বলতে লাগলেন কোথায় তুমি? কতক্ষণ রুদ্ধশ্বাসে খোঁজাখুঁজির পর প্রেমিক লিউংয়ে পেয়ে যান লিয়াও। কিন্তু ওই যে প্রতিবন্ধকতা, তার একপাশে লিউং। অন্যপাশে লিয়াও। লিয়াও তার আঙ্গুলে সুন্দর পেইন্ট ব্যবহার করেছিলেন। একহাতে তিনি ধরেছেন ছাতা। অন্যহাতের আঙ্গুল ওই প্রতিবন্ধকতার ওপর। এ অবস্থায় লিয়াওয়ের চোখ ফেটে কান্না ঝরলো। যেন বৃষ্টি নামছে। লিউং ফোন বের করলেন প্রেমিকার ছবি ধারনের জন্য। বের করতে করতে তিনিও কান্নায় ভেঙে পড়লেন।

সেই প্রতিবন্ধকতার দু’পাশে দাঁড়িয়ে তারা কথা বলছেন তো বলছেন। কখন সময় পেরিয়ে যাচ্ছে কোনো ঠিক নেই। একজন আরেকজনকে আলিঙ্গন করতে চাইলেন। কিন্তু শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম আছে। তাই নিজেদের নিবৃত করলেন তারা। এভাবে কেটে গেল তিন ঘন্টা। একজন পুলিশ কর্মকর্তা এসে তাদেরকে স্থান ত্যাগ করতে বললেন। ওই ঘটনাকে জীবনের সেরা মুহূর্ত বলে বর্ণনা করেছেন লিয়াও।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com