1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
কমেছে মাস্কের ব্যবহার, কমেছে ইমন-সাথীর আয়ও - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
নতুন গবেষণায় মিলল হৃদ্‌রোগ ঠেকানোর মহৌষধ জিলহজ মাসের ফজিলত ও কোরবানির বিধিবিধান নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস, কাল থেকে কার্যকর আলোচনায় সমাধান চায় গ্রামীণফোন ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আবারও দেখা যেতে পারে রোনালদো–মরিনিও জুটি পাতালরেলের কাজ শুরু আগামী বছর আল্লাহ কি হাসেন জিলহজের প্রথম ১০ দিনে করণীয় ব্যবসায়ীরাই বাড়াচ্ছেন পেঁয়াজের দাম রাশিয়ার হাতে ‘বন্দি’ ইউক্রেনের ৬ হাজার সেনা ‘গেম চেঞ্জার’ সেই দ্বীপ থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা রাশিয়ার করোনায় ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজারের উপরে কুড়িগ্রামে আবারও পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ দৈহিক গড়নের কারণেই পিছিয়ে বাংলাদেশ!

কমেছে মাস্কের ব্যবহার, কমেছে ইমন-সাথীর আয়ও

  • Update Time : শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২
  • ২৭ Time View

২০২০ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। মিডিয়ার খবর, সরকারি নির্দেশনা ও নিজস্ব সচেতনতা থেকে তখন থেকেই মুখে মাস্ক ব্যবহার করা শুরু করেন সাধারণ মানুষ।

ওই সময় একেকটি সাধারণ মাস্ক ৩০-৫০ টাকা দিয়ে কিনেও ব্যবহার করতে দেখা যায় তাদের। চাহিদা বেশি থাকায় পাইকারি ও খুচরা মাস্ক ব্যবসায়ীরা সবাই বেশ ভালো অংকের অর্থ লাভ করতে সমর্থ হন।

তবে দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সচেতনতা, করোনার প্রাদুভার্ব এবং সংক্রমণ সবই কমে যাওয়ায় কমে গেছে মাস্কের ব্যবহার। ফলে কমে গেছে মাস্ক বিক্রেতাদের আয়ও। এখন যাত্রীবাহী বাস বা দোকানে ৫-৭টি সার্জিক্যাল মাস্ক মাত্র ১০ টাকায় পাওয়া যায়৷ কিন্তু তবুও ক্রেতা পাওয়া যায় না।

একটু লাভ হওয়ায় বাবা-মাকে সাহায্য করতে যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন ওভার ব্রিজে মাস্ক বিক্রি শুরু করে দুই শিশু ও ভাইবোন ৯ বছর বয়সী ইমন ও ১০ বছর বয়সী সাথী।

এই স্থানটি দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ তাদের প্রায় সময়ই ব্রিজটিতে মাস্ক বিক্রি করতে দেখেন। কিন্তু মাস্কের ব্যবহার কমে যাওয়ায় এখন তাদের বিক্রি এবং আয় দুটোই অনেক কমে গেছে৷

শিশু সাথী বলেছে, কয়েক দিন আগে তারা দিনে ৫০০-৬০০ টাকার মাস্ক বিক্রি করতে পারলেও সেটি কমে এসেছে। বর্তমানে তারা ২০০-৩০০ টাকার মাস্ক বিক্রি করতে পারে। ওই ওভার ব্রিজে মাস্ক বিক্রি করা আরেকটি শিশু জানায়, তার আয়ও কমে গেছে।

ইমন ও সাথীর মা ফুটপাতে চা ও সিগারেট বিক্রি করেন। তিনি জানান, পরিবারের বাড়তি কিছু আয়ের জন্য নিজের দুই ছেলেমেয়েকে মাস্ক কিনে দিয়েছিলেন তিনি। তাদের বাবা লিভারজনিত রোগের কারণে অসুস্থ হওয়ার পর কোনো কাজ করতে পারতেন না। ফলে দুই ছেলে ও মেয়েকে মাস্ক বিক্রি করতে দেন।

করোনার শুরু থেকেই তারা দুইজন মাস্ক বিক্রি শুরু করে। ওই সময় দিনে ২৫০০-২৬০০ টাকার মাস্কও বিক্রি করতে পারত তারা। ওই টাকা দিয়ে শিশুদের বাবার চিকিৎসাও করিয়েছেন তিনি।

তবে এখন আয় নেই বললেই চলে। ইমন ও সাথী মাস্ক বিক্রির কারণে স্কুলে যায় না বা কোথাও পড়ালেখাও করে না বলে জানান তাদের মা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category

ফটো গ্যালারী

© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com