1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  7. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  8. sumaiyaislamtisha19@gmail.com : তিশা, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : তিশা, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
ইসলামী সংগীতে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
আমার পিয়ন ছিল, এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক: প্রধানমন্ত্রী ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসার নামে ফাতেমা ফ্যাশন হাউজের অভিনব প্রতারণা স্মার্টফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর সহজ উপায় জেল থেকেই ‘বেবি গার্লকে’ জন্মদিনের চমক দেন সুকেশ কোপা ফাইনালে মেসিদের দেখতে খরচ ৭৮ লাখ টাকা! ট্রাকের নিচে চাপা পড়া দুই শিশুকে উদ্ধার অনন্ত আম্বানীর বিয়ে, প্রকাশ্যে নববধূর প্রথম ছবি আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে: নজরুল ইসলাম সেই রাসেলকে আ.লীগের উপকমিটির শোকজ কনের সাজকে কি টেক্কা দিতে পারবেন শাশুড়ি? দুঃসংবাদের মাঝেই আফ্রিদি পরিবারে সুসংবাদ! নিপীড়নের সময় চিৎকার করায় স্কুলছাত্রকে হত্যা করেন পাহারাদার দাওয়াত পেয়েও অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে যাচ্ছেন না সোনিয়া-রাহুল! বিদায়ি অর্থবছরে বৈদেশিক খাত সবচেয়ে অস্থির ছিল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধীরা ভর করেছে: কাদের

ইসলামী সংগীতে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০২২
  • ১৮৪ Time View

বাদ্যযন্ত্রের প্রতি ইসলামী শরিয়তের সাধারণ ঘোষণা হলো তা অবৈধ। কেননা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে দফ ছাড়া সব ধরনের বাদ্য নিষিদ্ধ করা হয়। সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-সহ পরবর্তী যুগের আলেমরাও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। কোনো কোনো সাহাবি দফের ব্যবহারও অপছন্দ করতেন।

সুতরাং ইসলামী সংগীত বা সাধারণ সংগীতে বাদ্যের ব্যবহার পরিহার করা আবশ্যক।

 

কোরআনের ভাষ্য : পবিত্র কোরআনের একাধিক আয়াতে বাদ্যযন্ত্র ও তা ব্যবহারকারীদের নিন্দা করা হয়েছে। যেমন—

১. অসার বস্তু : মহান আল্লাহ বলেন, ‘মানুষের মধ্যে কেউ কেউ অজ্ঞতাবশত আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য অসার বাক্য ক্রয় করে নেয় এবং আল্লাহর প্রদর্শিত পথ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে। তাদেরই জন্য আছে অবমাননাকর শাস্তি। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ৬)

কোরআনের বেশির ভাগ ব্যাখ্যাকার বলেছেন, উল্লিখিত আয়াতে ‘অসার বাক্য’ দ্বারা গান উদ্দেশ্য এবং হাসান বসরি (রহ.) বলেছেন, গান ও বাদ্যযন্ত্র উদ্দেশ্য। (তাফসিরে ইবনে কাসির : ৩/৬৪)

২. সত্যচ্যুত করার মাধ্যম : অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমার আওয়াজ দ্বারা তাদের মধ্যে যাকে পারো পদস্খলিত কোরো। ’ (সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৬৪)

মুজাহিদ (রহ.) বলেন, উল্লিখিত আয়াতে ‘শয়তানের আওয়াজ’ দ্বারা গান, বাদ্য ও অনর্থক ক্রীড়া-কৌতুক উদ্দেশ্য। (তাফসিরে রুহুল মাআনি : ৮/৬৪)

হাদিসের ভাষ্য : হাদিসবিশারদরা এই বিষয়ে একমত যে নবী (সা.) দফ ছাড়া অন্য কোনো বাদ্য ব্যবহারের অনুমতি দেননি; বরং তা থেকে নিষেধ করেছেন। যেমন—

১. বাদ্যযন্ত্র বিনাশের নির্দেশ : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমার প্রতিপালক আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন, যেন আমি গান-বাজনার যন্ত্রপাতি নিশ্চিহ্ন করে দিই। ’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২/১২৫)

২. ধ্বংস ডেকে আনে : অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমার উম্মতের কিছু লোক মাদকদ্রব্য সেবন করবে এবং এর নাম পরিবর্তন করে অন্য কিছু রাখবে। তাদের মাথার ওপর বাজনা বাজানো হবে এবং গায়িকারা গান পরিবেশন করবে। আল্লাহ এদের মাটিতে ধসিয়ে দেবেন। ’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৫৬৫৮)

বাদ্যের প্রতি সাহাবিদের দৃষ্টিকোণ : সাহাবায়ে কেরাম (রা.) বাদ্যযন্ত্র এড়িয়ে চলতেন। এমনকি দফ বৈধ হওয়ার পরও তার ব্যবহার অপছন্দ করতেন। নাফে (রহ.) বলেন, একবার চলার পথে আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বাঁশির আওয়াজ শুনলেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি দুই কানে আঙুল দিলেন। কিছু দূর গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হে নাফে, এখনো কি আওয়াজ শুনছ? আমি বললাম হ্যাঁ। অতঃপর আমি যখন বললাম, এখন আর আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না তখন তিনি কান থেকে আঙুল সরালেন এবং বললেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) চলার পথে বাঁশির আওয়াজ শুনে এমনই করেছিলেন। (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪৯২৪)

এই বর্ণনা থেকে নবীজি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর দৃষ্টিকোণ স্পষ্ট হয়।

ইসলামী সংগীতে বাদ্যের ব্যবহার : ফকিহ আলেমরা বলেন, ইসলামী সংগীতে কোনো বাদ্য ব্যবহার করলে তা বৈধতা লাভ করে না, হারাম যুক্ত হওয়ায় তা অবৈধ হয়ে যায়। কেননা কোনো বিষয়ে যখন হালাল ও হারামের সংমিশ্রণ ঘটে, তখন হারামই প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া বাদ্যযুক্ত সংগীতের ব্যাপারে নিম্নোক্ত আয়াত ও হাদিসকে তারা প্রাসঙ্গিক মনে করেন। তা হলো—

১. হিদায়াতের বিনিময়ে বিভ্রান্তি ক্রয় : ইসলামী সংগীতের মাধ্যমে সমাজে বাদ্যযন্ত্রের প্রচলন ঘটলে তা সুপথের বিনিময়ে বিভ্রান্তি ক্রয়ের নামান্তর হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তারাই হিদায়াতের বিনিময়ে ভ্রান্তি ক্রয় করেছে। সুতরাং তাদের ব্যবসা লাভজনক হয়নি, তারা সৎপথেও পরিচালিত নয়। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৬)

২. হালাল হওয়ার ধারণা তৈরি হওয়া : ইসলামী সংগীতে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করলে তা থেকে মানুষের এই ধারণা তৈরি হতে পারে যে বাদ্য ব্যবহার করা বৈধ। আর রাসুলুল্লাহ (সা.) এ বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক সৃষ্টি হবে, যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল সাব্যস্ত করবে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৫৯০)

কৃত্রিম বাদ্যও বৈধ নয় : অনেকেই বলেন, হাদিসে বা ফিকহের কিতাবে নিষিদ্ধ কোনো বাদ্যযন্ত্র ইসলামী সংগীতে ব্যবহার করা হয় না। তাদের উত্তরে পাকিস্তানের জামিয়াতুল উলুম আল-ইসলামিয়া, করাচি ফাতাওয়া প্রণিধানযোগ্য। যাতে বলা হয়েছে, কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট মিউজিক বা বাদ্য যা সরাসরি কোনো বাদ্যযন্ত্র থেকে সৃষ্ট নয়, তা শ্রবণ করাও হারাম। কেননা বাদ্যযন্ত্র নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে হাদিসে সুর বা আওয়াজের প্রভাবকেই উল্লেখ করা হয়েছে। সুর বা আওয়াজই মুখ্য, যন্ত্র মুখ্য নয়। এ জন্য নবী করিম (সা.)-এর যুগে ছিল না, অথচ তা বাদ্যযন্ত্র হিসেবেই ব্যবহৃত হয়—এমন সব যন্ত্রও শরিয়তের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ। (ফাতাওয়া নং ১৪৪৩০৭১০০৬৫৩)

বাদ্যযুক্ত সুফি গান বৈধ নয় : ইসলামী সংগীতে বাদ্য ব্যবহার বৈধ হওয়ার পক্ষে সুফি গানকে দৃষ্টান্ত হিসেবে পেশ করেন। জেনে রাখা উচিত, আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের অনুসারী প্রসিদ্ধ কোনো ইমাম বা আলেম বাদ্যযুক্ত সুফি গানকে বৈধ বলেন না। তাঁরা গান ও সংগীতকে আল্লাহর আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমও মনে করেন না। শামসুল আয়িম্মা সারাখসি (রহ.) বলেন, ‘আমাদের সময়ে সুফিরা সামা (গান), সামার কথা ও নৃত্য, যা কিছু করে থাকে তা হারাম। সেদিকে যাওয়ার ইচ্ছা করা এবং সেখানে গিয়ে বসা জায়েজ নয়। সেখানকার গান ও বাজনা দুটিই সমান (হারাম)। ’ (আহকামুল কোরআন : ৩/২৩৪)

আল্লাহ সবাইকে বাদ্যযন্ত্রের ফেতনা থেকে রক্ষা করুন। আমিন

 

সূত্রঃ কালের কন্ঠ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com