1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
বিনা টেন্ডারে একাই বিক্রি করলেন লতিফ সিদ্দিকী - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
তীব্র জ্বরে কী খাবেন গ্রামীণফোনে ২০ টাকার নিচে রিচার্জ করা যাবে না ফ্যাশন ডিজাইনার রোজার লোরাটো ব্র্যান্ডের ফ্যাশন শো আজ ইবাদতের জন্য পবিত্রতা অর্জন আবশ্যক কেন ডিবিআইডি ছাড়া ডিজিটাল কমার্স ব্যবসা করা যাবে না ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি বদলাতে বললেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ভাত খাওয়ার মধ্যে বা পরপরই পানি খাওয়া কি ঠিক সংক্রমণ বাড়ছে, তবে হাসপাতালে রোগী কম ভারতের বিপক্ষে ১০০ উইকেট নিয়ে অ্যান্ডারসনের রেকর্ড নবীজির সঙ্গে জান্নাতে থাকার আমল নতুন গবেষণায় মিলল হৃদ্‌রোগ ঠেকানোর মহৌষধ জিলহজ মাসের ফজিলত ও কোরবানির বিধিবিধান নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস, কাল থেকে কার্যকর আলোচনায় সমাধান চায় গ্রামীণফোন ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

বিনা টেন্ডারে একাই বিক্রি করলেন লতিফ সিদ্দিকী

  • Update Time : রবিবার, ১১ মে, ২০১৪
  • ২৩৩ Time View
pic-29_82779রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তিনটি বস্ত্রকল ও একটি টেক্সটাইল ফ্যাসিলিটিজ সেন্টার গত সরকারের আমলে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে দরপত্র আহ্বান ছাড়াই। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা মূল্যের এসব সরকারি সম্পত্তি ২০০৯ সালের পর বিক্রি করা হয় নামমাত্র মূল্যে। এ ক্ষেত্রে কোনো নিয়মনীতির ধার ধারেননি তখনকার বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী- এমন অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাঁরা বলছেন, তৎকালীন মন্ত্রী একক সিদ্ধান্তে মিলগুলো ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মোহিনী টেক্সটাইল মিলস, চিশতী টেক্সটাইল মিলস ও মসলিন কটন মিলস বিনা টেন্ডারে ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও জানতে চাওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাইফুদ্দীন আহম্মদ মজুমদার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তিনটির মধ্যে চিশতী মিলের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি মিলগুলোর বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য নথি পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’
জানা যায়, বিক্রি করা তিনটি মিলের শুধু জমিই রয়েছে প্রায় ৫৯০ বিঘা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এর মূল্য দুই হাজার কোটি টাকার বেশি। এ ছাড়া রয়েছে যন্ত্রপাতি, গাছপালা ও ভবন। সব মিলিয়ে এসব সম্পত্তির বাজারমূল্য তিন হাজার কোটি টাকার মতো। অথচ বস্ত্রকল তিনটি বিক্রি করা হয়েছে প্রায় ২১৮ কোটি ৪০ লাখ টাকায়।
অন্যদিকে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে তিন বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত টেক্সটাইল ফ্যাসিলিটিজ সেন্টার বিক্রির জন্য ১০ বছর আগে একবার দরপত্র ডাকা হলে দাম উঠেছিল ১০ কোটি টাকা। তখন কাগজপত্রে ঝামেলা থাকায় এটি বিক্রি করা যায়নি। পরে ২০১৩ সালে কোনো টেন্ডার ছাড়াই সেন্টারটি ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তর করা হয় মাত্র দেড় লাখ টাকায়। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আলাউদ্দিন পাটোয়ারী কালের কণ্ঠকে বলেন, নোয়াখালীর টেক্সটাইল ফ্যাসিলিটিজ সেন্টার বিক্রির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছিল। এ বিষয়ে তারা মামলা করবে বলেও শোনা গিয়েছিল।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার মোহিনী টেক্সটাইল মিলস বিক্রি করা হয় ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫৩ টাকায়। গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত মসলিন কটন মিলস বিক্রি করা হয় ১৩৫ কোটি টাকায়। কুমিল্লার চিশতী টেক্সটাইল মিলের বিক্রয়মূল্য ৩৫ কোটি টাকা। মসলিন কটন মিলস ১৩৫ কোটি টাকায় বিক্রি হলেও সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে মাত্র ২০ কোটি টাকা। মোহিনী টেক্সটাইল মিলের ক্রেতারা দিয়েছেন ১০ কোটি টাকা। চিশতী টেক্সটাইল মিলের ক্রেতারা ১৫ কোটি টাকা পরিশোধ করে স্থাপনা ভাঙতে গেলে শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের  প্রতিরোধের মুখে জেলা প্রশাসন তা বন্ধ করে দিয়েছে। মোহিনী টেক্সটাইল মিল নিয়েও আন্দোলন করছেন সাবেক শ্রমিক-কর্মচারীরা। তবে মসলিন কটন মিল নিজেদের দায়িত্বে নিয়ে কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন এফবিসিসিআইয়ের একজন সাবেক সভাপতি। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সরকারি মালিকানাধীন এই তিনটি বস্ত্রকল বিক্রি করা হয় ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে। সে সময় মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তৎকালীন মন্ত্রীকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন, সরকারি সম্পত্তি টেন্ডার ছাড়া বিক্রির সুযোগ নেই। কিন্তু মন্ত্রী কারো কথা শোনেননি, উল্টো ওই কর্মকর্তাদের শাসিয়েছেন।
এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শামীমা সুলতানা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মিলগুলো বিক্রিতে কোনো নিয়মনীতি মানা হয়নি। আমরা মন্ত্রীকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি শোনেননি। মিলগুলো বিক্রির সময় মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ফাইলে আমরা সরকারের সব নিয়মনীতি তুলে ধরেছি। কিন্তু মন্ত্রী তাঁর একক ক্ষমতাবলে এগুলো বিক্রি করেছেন। সংশ্লিষ্ট ফাইল তলব করে দেখলেই সব জানা যাবে।’
এ বিষয়ে জানার জন্য সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী (বর্তমানে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী) আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মোবাইল ফোনে গতকাল শনিবার বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে তাঁর এপিএস মাসুম আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁর মন্ত্রী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের জবাব দেবেন না।
অভিযোগ আছে, মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাইফুদ্দীন আহম্মদ মজুমদার ছিলেন সাবেক বস্ত্রমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ। তাঁকে দিয়েই মন্ত্রী সব কর্মকাণ্ড চালাতেন। তিনি সাবেক মন্ত্রীর সব অনিয়মের নথি নিজের বাসায় নিয়ে রাখেন। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া মন্ত্রণালয়ের কাউকে এ বিষয়ে তথ্য জানতে দেন না।
জানতে চাইলে সাইফুদ্দীন আহম্মদ মজুমদার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মিলগুলো নিয়মনীতি মেনে বিক্রি করা হয়েছে কি না জানি না, তবে কোনো কাগজপত্র দেখানো যাবে না।’ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি এসবের সঙ্গে বিন্দুমাত্র জড়িত নই।’
মোহিনী টেক্সটাইল মিলস : ১৯০৮ সালে কুষ্টিয়া শহরে ১০০ একর জমির ওপর এই বস্ত্রকল প্রতিষ্ঠা করেন ব্যবসায়ী মোহিনী মোহন চক্রবর্তী। এটি একসময় ছিল এশিয়ার সর্ববৃহৎ বস্ত্রকল। এলাকার নৌ ও রেলযোগাযোগ উন্নত থাকায় সমগ্র বাংলায় এবং ভারতের অন্যান্য অঞ্চলেও এ মিলের পণ্য যেত। এতে উৎপাদিত শাড়ি, ধুতি, কাপড় উন্নতমানের হওয়ায় ভারতের বাইরেও কয়েকটি দেশে রপ্তানি হতো। ১৯৭২ সালে জাতীয়করণের পরও লাভজনক ছিল মিলটি। কিন্তু কিছু অব্যবস্থাপনা আর দুর্নীতির কারণে ১৯৮২ সালে এটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে দুই দফায় বেসরকারি উদ্যোগে চালু করার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
জানা যায়, ১৯৮২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মিলটি বন্ধ করে দেয় সরকার। সে বছরই এটি বেসরকারীকরণের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার ডাকা হয়। সে সময় নজরুল ইসলাম নামে এক শিল্পপতি ১১ কোটি ২৬ লাখ টাকা দরপ্রস্তাব দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হন। মিলের যাবতীয় দায়দেনাসহ মোট দাম ধরা হয় ১৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। ১০ কিস্তিতে কেনার জন্য নজরুল ইসলাম প্রথমে এক কোটি টাকা জমা দেন। পরে আর কিস্তির টাকা দিতে না পারায় তাঁর কার্যাদেশ বাতিল করে মন্ত্রণালয়। ১৯৯০ সালে নজরুলের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই মইজ উদ্দিন ও হাজি জয়নাল উচ্চ আদালতে রিট করেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এই মামলা মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে মামলা মোকাবিলা বাদ রেখে তাঁদের কাছেই মিলটি আগের দামের সুদ-আসল মিলিয়ে ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫৩ টাকা দাম ধরে বিক্রির বন্দোবস্ত করা হয়। চুক্তির আগে তাঁরা মাত্র এক লাখ ও চুক্তির পর আরো ৯ লাখ টাকা জমা দেন। একপর্যায়ে নজরুলের ওয়ারিশরা নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী আবদুল মতিনের কাছে মিলের শেয়ার বিক্রির নামে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ আছে। পরে তাঁদের পক্ষ থেকে এনারগোটেক নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক আরিফুর রহমান নতুন চুক্তি করেন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে। আরিফুর রহমান সরকারকে ১০ কোটি টাকা দিলেও এখনো অনেক টাকা বাকি। সম্প্রতি তিনি টাকা পরিশোধের জন্য আরো সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। এ ছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ, ভূমি উন্নয়ন কর, বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন দায়দেনার কারণে মিলটি এখনো হস্তান্তর করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। আগামী নভেম্বরের মধ্যে নতুন মালিকরা পাওনা পরিশোধ করলে এরপরই মিলটি তাঁদের হাতে হস্তান্তর করার কথা।
মসলিন কটন মিলস : গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ২৪০ বিঘা জমির ওপর ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মসলিন কটন মিলস’। গত বছরের ৩ আগস্ট মিলটি এফবিসিসিআইয়ের একজন সাবেক সভাপতির শিল্প গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রুপের পক্ষে রিফাত গার্মেন্ট ১৩৫ কোটি টাকায় মিলটি কিনে নেয়।
মিলটিতে তুলা থেকে সুতা ও কাপড় উৎপাদন এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডায়িং হতো। এতে আছে ৫২ হাজার স্পিন্ডল বা টাকু, ৪৯৮টি উইভিং ও ৪৯৬টি স্পিনিং লুম বা তাঁত। এ মিলে দুই হাজার ৮৮৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করতেন তিন শিফটে। মিলের ভেতরে শ্রমিকরা নিজেদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ এবং একটি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৯০ সালের ৪ জুলাই কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও পাওনা পরিশোধ না করেই হঠাৎ মিলটি বন্ধ করে দেয়।
চিশতী টেক্সটাইল মিলস : কুমিল্লা সদর উপজেলার দৌলতপুর এলাকায় ১৯৬৬ সালে ‘চিশতী টেক্সটাইল মিলস’ স্থাপন করা হয় ১৬ দশমিক ৬৬ একর জমির ওপর। ১৯৭২ সালে এটি জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৯৮ সালে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে শ্রমিকদের বিদায় দিয়ে বন্ধ করা হয় কারখানা। পরে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) মিলে আবার উৎপাদন শুরু করলেও লোকসানের কারণে ২০০৪ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রণালয় মিলটি বিক্রি করার উদ্যোগ নেয়। কোনো টেন্ডার ছাড়াই ২০১০-২০১১ অর্থবছরে মাত্র ৩৫ কোটি টাকায় এটি বিক্রি করে দেওয়া হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমস ফারাজ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. ফারুক ইসলাম ভূঁইয়ার কাছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ মিলসংলগ্ন এলাকায় প্রতি শতক জমির দাম এখন ১০ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট জমির দাম ১৬৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর ওপর প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে প্রায় দেড় হাজার টন ওজনের বিভিন্ন যন্ত্র, দুই হাজারের বেশি গাছ ও ১৫টি ভবন। সব মিলিয়ে বস্ত্র কলটির মোট সম্পদমূল্য হবে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা।কা।ক

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com