1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
অনলাইন নিউজ সাইট অতঃপর কয়েকটি আনাড়ি পর্যবেক্ষণ - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতু দেখালেন অভিনেতা মক্কায় সামরিক বাহিনীর মহড়া ট্রেন থেকে পড়ে আহত শিশুর পরিবারের সন্ধান মেলেনি ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ৫ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড ‘খুবই ভালো ব্যাটিং করেছেন সাকিব’ রুশ সেনাদের গুরুত্বপূর্ণ রেল ব্রিজে বোমা হামলা পানের বরজ ঘেরাও করে ৪ ডাকাত গ্রেফতার বন্যাদুর্গতদের পাশে ‘নটরডেমিয়ান ৯৯’ মিতু হত্যা: দুই সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআই ঈদে বাড়ি ফিরতে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা রোজা আফরোজার ডিজাইনে লোরাটো’র জাঁক-জমক ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত ওয়াকারের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ ঈদে মিলন মাহমুদের ‘মনের মানুষ’ মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি সৌদি পৌঁছেছেন প্রায় ৫৭ হাজার হজযাত্রী, ১২ জনের মৃত্যু

অনলাইন নিউজ সাইট অতঃপর কয়েকটি আনাড়ি পর্যবেক্ষণ

  • Update Time : সোমবার, ১২ মে, ২০১৪
  • ২৯৮ Time View

Poriborton
ডেস্ক রিপোর্ট : আমাদের এক বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছিলেন। অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য সেখানে একটা স্থানীয় পত্রিকায় কিছুদিন কাজ করেছেন। তিনি ফিরে আসার পর তার সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম। খুঁটিনাটি নানা কথা জিজ্ঞেস করছিলাম। জিজ্ঞেস করলাম, -যে পত্রিকায় কাজ করলেন সে পত্রিকা চলে কেমন? -একটা শহরের পত্রিকা। চলে প্রায় পঞ্চাশ হাজার। – আমাদের অনেক ন্যাশনাল পত্রিকার এই সার্কুলেশন নাই। ওই পত্রিকায় কতজন কাজ করে? -সব মিলিয়ে ১৪-১৭ জন।
-কীভাবে সম্ভব? আমাদের এখানে তো ৩০-৪০ হাজার চলে এমন পত্রিকাতেও কমপক্ষে ২০০-২৫০ লোক লাগে।
-সংবাদ সংস্থাগুলোর খবর ওরা নেয়। সেটাই খবরের মূল সোর্স। পত্রিকার নিজস্ব রিপোর্টাররা স্পেশাল রিপোর্ট ছাড়া কোনো ইভেন্ট কভার করেন না। ইভেন্ট সব সংবাদ সংস্থা থেকে আসে। অল্প কয়জন মানুষ হাসতে হাসতে পত্রিকা প্রকাশ করে ফেলে। পেমেন্ট হাই। শুধু পেমেন্ট না ভাল কাজ করলে প্রতি সপ্তাহে স্পেশাল প্রাইজের ব্যবস্থা।

আমাদের এক বন্ধু টিভির রিপোর্টার। সচিবালয়ে একটা অ্যাসাইনমেন্টে গেছেন। সেদিন বিশেষ একটা দিন। কারণ, একজন মন্ত্রী বিদেশ থেকে ঘুরে এসেছেন। ব্রিফ করবেন। সবার অফিস থেকে অ্যাসাইন করেছে। কভার করতেই হবে। মন্ত্রী যা বললেন তাতে নিউজ করার মতো কিছু ছিল না। নিউজটা স্থান পেল থার্ড বা ফোর্থ লিড হিসাবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম,
-ওই ইভেন্ট কভার করার জন্য আপনারা কতজন গেলেন?
-কমপক্ষে ১৫জন টিভি রিপোর্টার। ১৫জন ক্যামেরা পারসন। ধরেন ৩০ জন। ডেইলি পত্রিকার আরও ২০ জন। অনলাইন-রেডিও ইত্যাদি মিলিয়ে আরও ২০। সব মিলিয়ে ৭০ তো হবেই।
-মানুষের শ্রম ও অর্থের কি নিদারুণ অপচয়!
-এই ইভেন্টগুলো আপনারা কোনো সংবাদ সংস্থার কাছ থেকে নেন না কেন?
-সেরকম কোনো সংস্থা তো নেই। ভিডিও বা অডিও নিউজ কেউ সরবরাহ করে?
-করে না?
-শোনেন আমাদের দেশে যে সংবাদ সংস্থাগুলো আছে সেগুলোর সার্ভিস দিয়ে দৈনিক পত্রিকাই চলে না। টিভি বা অনলাইন চলা তো দূরের কথা।
-ঠিকই বলছেন। বাসস শুধু সরকারি নিউজ সরবরাহ করে। তাও সব না। কন্ট্রোভার্সি থাকলেই বাদ দেয়। আর ইউএনবি খুবই রুগ্ন হয়ে গেছে। ভীষণ সেøা। বাকীগুলোর কথা আলোচনা করে লাভ নেই।
-এখন টিভি আর অনলাইন যত দ্রুত নিউজ দিতে চায়। ততো দ্রুত কোনো সংবাদ সংস্থা নিউজ দিতে পারে না।
-আচ্ছা অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো সংবাদ সংস্থার বিকল্প হতে পারতো না?
-পারতো। কিন্তু, পাবলিশড আর আনপাবলিশড কনটেন্টের মধ্যে পার্থক্য আছে। তাছাড়া যে দুইটি বড় অনলাইন পোর্টাল বেশি আলোচিত তাদের মধ্যে একটা ভীষণ সেøা আর আরেকটা তেমন বিশ্বাসযোগ্য নয়।

-তাহলে উপায়?
-বিশ্বাসযোগ্য, গতিসম্পন্ন, ভিডিও, অডিও, ফটোগ্রাফ সার্ভিস আছে এমন একাধিক সংবাদ সংস্থা তৈরি করতে হবে। নইলে খরচ কমানোর জন্য টিভিগুলো নিজেদের মধ্যে অফিশিয়ালি ভিডিও শেয়ারিং ব্যবস্থা চালু করতে পারে। পত্রিকাগুলোও নিজ নিজ উপায় বের করতে পারে।
এক ফেসবুক বন্ধু সেদিন ফোন দিছে। একটা অনলাইন নিউজ সাইটে কাজ করে। অল্প সময়ের মধ্যে তাদের সাইটটা বেশ নাম করেছিল। অ্যালেক্সা র‌্যাংকিংয়ে বেশ এগিয়েও গিয়েছিল। এফবি ফ্রেন্ড পত্রিকার সম্পাদকের ঘনিষ্ট। সম্পাদকের দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতার ক্যারিয়ার। বাজারে সুনাম আছে। ইনভেস্টরও পেয়েছিলেন ভাল। দুই বছরের জন্য ৫ কোটি টাকার বাজেট। সম্পাদক ধারণা করেছিলেন, ভাল করতে পারলে এক বছরের মাথায় গিয়ে সাইট ব্রেক-ইভেনে চলে আসবে। বাণিজ্যিক এলাকায় হাইফাই অফিস নিয়েছিলেন। কর্মী সংখ্যা ছিল ১২০+মফস্বল প্রতিনিধি। পত্রিকা-টিভি-বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। ফেসবুকের বিজ্ঞাপন, এসইও বাবদও বেশ খরচ করেছেন। এভারেজে মান্থলি খরচ হয়েছে ৪০ লাখ। এক বছরের মাথায় গিয়ে বাজেট ৫ কোটি ছুঁই ছুঁই। সাইটের র‌্যাংকিং তখন অনেক ওপরে। বিজ্ঞাপন আসছে। তবে মান্থলি ৭-৮ লাখ। ইনভেস্টর বললেন, আমি আর দিতে পারবো না। আপনি খরচ ৮-৭এ নিয়ে আসেন। এর পরের ইতিহাস হলো ছাঁটাই-কাটাইয়েরে ইতিহাস। সাইট এখন নামতে নামতে অনেক নিচে নেমে এসেছে। বিজ্ঞাপনও কমে এসেছে। একটি স্বপ্ন অপমৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে।
এক বড় ভাই একটা অনলাইন নিউজ পোর্টাল করতে চান। ইনভেস্টরের সাথে আলাপ করছেন। আমাকে বললেন,

কেমন টাকা লাগে তার একটা হিসাব দিতে। ভাল অনলাইনগুলোর খরচপত্রের হিসাব সম্পর্কে হালকা আইডিয়া নিয়ে আমি বললাম,
এভারেজে মান্থলি ৩০ লাখ লাগবে। তবে ২০-২৫ লাখেও হইতে পারে।
বড় ভাই বললেন, ইনভেস্টর তাকে বলছেন, অনেকে মোটমাট ৫-১০ লাখ টাকাতেও প্রোজেক্ট আনছে। এতো লাগার কথা না?
আমি বললাম, নিউজ পোর্টাল করতে আসলে লাগে ২৫ হাজার টাকা। এক হাজার টাকার ডোমেইন। ২ হাজার টাকার হোস্টিং। আর ২০/২২ হাজার টাকা সাইট খরচ।
কিন্তু নিউজ আসবে কোথা থেকে?
কপি/পেস্ট।
সে কাজ করবে কে?
দুই/তিন জন লোক রাখবেন। মাসে পঞ্চাশ হাজারের প্যাকেজ। কিংবা তারও কম। লোকেরা বাসায় বসে কাজ করবে। অফিসও লাগবে না।
আমার যে যোগাযোগ আছে তাতে মাসে দুই-তিন লাখ টাকার বিজ্ঞাপন যোগাড় করা কোনো ফ্যাক্টরই না।

তাহলে তো মাস শেষে আপনার দেড়-দুই লাখ টাকা লাভ থাকবে।

আমাদের আরেক বন্ধু প্রতিভাবান সাংবাদিক। একটি চালু অনলাইন পত্রিকার ইনভেস্টর তাকে প্রস্তাব দিল তিনি যেন তাদের অনলাইনের দায়িত্ব নেন। নিলেন। তার তৎপরতায় বেশ ভাল করছিল অনলাইনটি। র‌্যাংকিং ও রিডার দুটোই বাড়ছিল। কিন্তু তিন মাসের মাথায় গিয়ে ইনভেস্টররা বললো, কই বিজ্ঞাপন তো আসে না। বিজ্ঞাপনের কাজ তিনি সবে শুরু করেছিলেন। কয়েকজন সাংবাদিককে নিয়োগও দিয়েছিলেন। কিন্তু রাতারাতি বিজনেস এনে দিতে না পারায় তাকে অনলাইনটি ছেড়ে দিতে হলো। সবাই অনলাইনটির নাম জানতেন একসময়। এখন ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছেন।
ৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃ..
এরকম প্রায় ২০-২৫টি গল্প বলা যাবে। সাংবাদিক হিসেবে আবার অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আগ্রহী ব্যক্তি হিসেবে আমার এসব নিয়ে বেশ আগ্রহ। অনেকগুলো কেসস্ট্যাডি থেকে আমার কিছু কিছু পর্যবেক্ষণ তৈরি হয়েছে। এগুলো থেকে কিছু বিজনেস সেক্রেট আমি শিখেছি। তাই পর্যবেক্ষণগুলো জনসমক্ষে জানানোর তেমন আগ্রহ কখনো তৈরি হয়নি। কিন্তু বেশকিছু প্রজেক্টের ব্যর্থতার পর মনে হচ্ছে কিছু কথা বলে রাখা দরকার। তাতে যদি একজনের উপকার হয় তবু তো একজন বাঁচলো। অনলাইন সংবাদপত্র তৈরি করতে গিয়ে প্রচুর অর্থ ও শ্রমের অপচয় ঘটছে। তরুণরা অল্প পুঁজি ইনভেস্ট করে সংবাদমাধ্যম করার ফাঁদে পা দিচ্ছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো প্রজেক্টই দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। ফলে কিছু কথা বলে রাখা দরকার।
ৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃ.
যেমন :
১. স্বল্প আয়ের মধ্যবিত্ত সাংবাদিকের পক্ষে একটি অনলাইন সংবাদপত্রের মালিক হওয়া সম্ভব নয়। মনের শান্তির জন্য কেউ একটা ডোমেইন ও হোস্টিং কিনে রাখতে পারেন। মাঝে মাঝে নিউজ আপডেটও দিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সংবাদ উৎপাদন, বিতরণ ও বিপনন বড় ইনভেস্টমেন্টের ব্যাপার। ফলে, যারা ক্ষুদ্র উদ্যোগ হিসেবে ওয়েবসাইট নির্ভর কিছু করতে চান তারা বিশেষায়িত ম্যাগাজিন করতে পারেন। সংবাদভিত্তিক উদ্যোগ না নেওয়াই ভাল।
২. বিজ্ঞাপনের দুচারটি উৎস আছে এমন নিশ্চয়তা থেকে যারা অনলাইন সংবাদপত্র করতে চান এবং কপি/পেস্ট পদ্ধতিতে চালাতে চান তাদের সঙ্গে আরামবাগ/ফকিরাপুলের সেই দৈনিক পত্রিকাগুলোর তুলনা চলে যেগুলো জাস্ট দুএকটি বিজ্ঞাপনের জন্যই ছাপা হয়। কেউ এগুলোর নাম জানে না, কেনেও না। ধান্দাবাজির বাইরে দুএকটি বিজ্ঞাপনের আশায় প্রফেশনালদের এমন উদ্যোগ নেওয়া উচিত নয়।
৩.অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে ১ বছরের মাথায় ব্রেকইভেনে আনা বা লাভজনক করা কঠিন। এক বছরের মধ্যে হয়তো র‌্যাংকিং বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু পৃথক সংবাদমাধ্যম হিসেবে একটা ব্র্যান্ডিং করা কঠিন। সবচেয়ে বড় যে ব্যাপারটি সম্ভব নয় সেটি হলো- পাঠক, লেখক, ব্যবহারকারী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের আস্থা অর্জন করা। অর্থনৈতিক লাভ+ব্র্যান্ডিং+পাঠকের আস্থা+বিজ্ঞাপনদাতাদের ভালোবাসা অর্জন করতে হলে কমপক্ষে ৫ বছরের প্রজেক্ট নিতে হবে। দক্ষ সাংবাদিকরা ২ বছর শেষে আশার আলো দেখাতে পারবেন, এটা নিশ্চিত করে বলা যায়।
৪. সাংবাদিকদের উচিত উচ্চাকাক্সক্ষী অথচ অল্প বাজটের প্রজেক্ট এড়িয়ে চলা। এই ইনভেস্টমেন্টগুলো অস্থির প্রকৃতির। আমি প্রায় এক ডজন উদাহরণ দিতে পারবো, এগুলো শেষ পর্যন্ত টেকে না।
৫. বাংলাদেশে এ যাবত যত অনলাইন মিডিয়া হয়েছে তাতে ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে কাজ হয়নি বললেই চলে। যে দু-তিনটি প্রজেক্ট দাঁড়িয়েছে সেগুলো মূলত ইনভেস্টমেন্টের জোরে দাঁড়িয়েছে। প্রফেশনাল ইনভেস্টমেন্টের কারণেই সেগুলোতে একটা ম্যানেজমেন্ট, আয় কাঠামো ও লংটার্ম কাজের ধারা তৈরি হয়েছে। প্রফেশনাল ইনভেস্টমেন্টের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে মাঝারি বিনিয়োগেও ফল মেলেনি। ৩ থেকে ৫ কোটি টাকার প্রজেক্টও ব্যর্থ হয়ে গেছে। স্পষ্ট করে বললে, মাঝারি ইনভেস্ট থেকে এখনও ভাল ফল একটাও দেখা যায়নি।
৬. অনলাইন সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে মাঝারি বিনিয়োগ যারা আকৃষ্ট করতে পারছেন তাদের মধ্যে সাধারণ একটা মিল আছে। দেখা যাচ্ছে, এনারা অধিকাংশই বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্টার। কাজের সূত্রেই ইনভেস্টরদের সঙ্গে এনাদের যোগাযোগ হচ্ছে, প্রজেক্টও সহজে পাচ্ছেন কিন্তু একটা প্রজেক্ট সফল করার মতো ম্যানেজমেন্ট দক্ষতা তাদের নেই। কাজের বিশেষ ধরনের কারণেই তারা নিউজ ম্যানেজমেন্ট বা টিম ম্যানেজমেন্ট করতে পারেন না। সেলস ও মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রেও এনারা দীর্ঘস্থায়ী পদ্ধতি তৈরি না করে শর্টকাট যেতে চান। ফলে, প্রজেক্ট ফেইল করাটাই বাস্তবতা।
৭. শত শত নিউজ সাইট এদেশে আছে। একটির পর একটি তৈরি হচ্ছে একটির পর একটি বন্ধ হচ্ছে। ধারাবাহিকতা নেই। অনেকের স্বপ্ন আছে কিন্তু বাস্তবতায় নেমে এসে তারা স্বপ্নকে বিচার করছেন না। ফলে, এগুলো তারুণ্যের শক্তির অপচয় শেষ পর্যন্ত। অনেক তো হলো, এবার মাটিতে নেমে ভাবার সময় এসেছে। তারুণ্যের সাময়িক মুক্তমত চর্চার হাতিয়ার হওয়া ছাড়া অধিকাংশ সাইটের অর্থনৈতিক সাফল্যের কোনো সম্ভাবনাই আমি দেখি না।
৮. গণমাধ্যমের ভবিষ্যত অনলাইনেই নিহিত। ট্রায়াল অ্যান্ড এররের মাধ্যমেই কিছু একটা দাঁড়াবে। কিন্তু এত বছর ধরে শুধু ট্রায়াল দিলে আর এত বেশি এরর হলে কেমনে দাঁড়াবে? ফেসবুক থেকে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com