1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
বাংলাদেশ যুদ্ধে ধর্ষণের ওপর নির্মিত সিনেমার মুক্তি - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২৯ কর্মস্থলে দ্বিনের দাওয়াত টেস্টের পর টি-টোয়েন্টির রেকর্ডটিও এনামুলের ভিটামিন বি১২ স্বল্পতায় করণীয় টিভি কেনার আগে আল্লাহ প্রকাশ্য আল্লাহ গোপন তীব্র জ্বরে কী খাবেন গ্রামীণফোনে ২০ টাকার নিচে রিচার্জ করা যাবে না ফ্যাশন ডিজাইনার রোজার লোরাটো ব্র্যান্ডের ফ্যাশন শো আজ ইবাদতের জন্য পবিত্রতা অর্জন আবশ্যক কেন ডিবিআইডি ছাড়া ডিজিটাল কমার্স ব্যবসা করা যাবে না ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি বদলাতে বললেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ভাত খাওয়ার মধ্যে বা পরপরই পানি খাওয়া কি ঠিক সংক্রমণ বাড়ছে, তবে হাসপাতালে রোগী কম ভারতের বিপক্ষে ১০০ উইকেট নিয়ে অ্যান্ডারসনের রেকর্ড

বাংলাদেশ যুদ্ধে ধর্ষণের ওপর নির্মিত সিনেমার মুক্তি

  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০১৪
  • ২৫৩ Time View

film১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে ধর্ষণকে কীভাবে একটি যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই ভাবনার ওপর ভিত্তি করে একটি কাহিনীচিত্র আজ ভারত ও বাংলাদেশে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে।

‘চিলড্রেন অব ওয়ার’ নামে এই ছবিটি হিন্দিতে ভারতে মুক্তি পেলেও বাংলায় ডাব করে তা বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘যুদ্ধশিশু’ নামে।

ছবির নির্মাতা ও অভিনেতারা বলছেন, ধর্ষণ যে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে কত সাংঘাতিক, বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ের পটভূমিতে সেই মর্মান্তিক সত্যটা তুলে ধরাই ছিল তাদের লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার রাতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ছবিটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইয়ের একেবারে গোড়ার দিকে ঢাকায় এক বাঙালি সাংবাদিক আমিরের বাড়িতে তার চোখের সামনেই তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করছেন এক পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা।

ছবির দৃশ্যে আমির সংজ্ঞা হারাচ্ছে, তার স্ত্রীর ঠাঁই হচ্ছে পাকিস্তানি সেনা-শিবিরে।

এরকম আরও কত, গ্রামেগঞ্জে, বন্দরে ও শহরে, স্বাধীনতা যুদ্ধের ন’টি মাসে বাংলাদেশে যে লক্ষ লক্ষ নারী এই পাশবিক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ও অনেকেই তার পরিণামে সন্তানের জন্মও দিতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের মর্মন্তুদ কাহিনী নিয়েই ‘চিলড্রেন অব ওয়ার’ ছবিটি বানিয়েছেন তরুণ পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত।

তিনি স্বীকার করেন, বিষয়টা অত্যন্ত সংবেদনশীল। বললেন, সব গল্পইতো সংবেদনশীল। আপনি কীভাবে বিষয়টাকে দেখাচ্ছেন, তার ওপরই সব নির্ভর করে। আমরা কাউকে আঘাত দিতে, বা কারও পুরনো ক্ষত খুঁচিয়ে তুলতে ছবিটা বানাইনি।

ছবির পরিচালক আরও বলেন, আমরা একটা গল্প বলতে চেয়েছি – কী করুণ আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম। যুদ্ধাপরাধীদের কেন মানুষ সাজা চায় সেটা তো বোঝানো দরকার – মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধীদের যারা বিচার চাইছে তাদের সমর্থন করা খুব জরুরি।

তবে ছবির নির্মাতারা সতর্ক থাকতে চেয়েছেন – ‘চিলড্রেন অব ওয়ার’ যেন মানবতার ছবিই থাকে, রাজনীতির বিষয় না-হয়ে ওঠে।

সিনেমায় সাংবাদিক আমিরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে বিতর্কের পটভূমিতে এই এই ছবিটাকে তিনি বিতর্কিত বলতে রাজি নন কিছুতেই।

তিনি বলেন, এখানেতো বিতর্কের কিছু নেই। সবকিছুর তথ্য প্রমাণ আছে। কিছু কিছু জিনিস আছে যা হজম করা একটু কঠিন। কিন্তু আমার মনে হয় সত্যটাকে সামনে নিয়ে আসার দরকার ছিলো।

তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু জিনিস আছে যা হজম করা একটু কঠিন। কিন্তু আমার মনে হয় সত্যটাকে সামনে নিয়ে আসার দরকার ছিলো।

ছবিতে দুজন ধর্ষিতা নারীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাইমা সেন ও তিলোত্তমা সোম।

স্বাধীন বাংলাদেশে পরে এই নারীরা বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি পেয়েছেন, কিন্তু তিলোত্তমা স্বীকার করছেন ওই ভূমিকায় অভিনয় করাটা মোটেই সহজ ছিল না।

তিনি বলেন, সেসময় নারীরা যে দুঃসহ অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছেন তার তুলনায় আমাদের এই অভিনয় নিতান্তই ছেলে-খেলা। কিন্তু অভিনয়ের মধ্য দিয়ে সত্যটাকে বের করে আনাই ছিলো সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আসলে ধর্ষণ যে যুদ্ধে একটা এত সাংঘাতিক হাতিয়ার হতে পারে, সাধারণভাবে সেটা মানুষ খেয়ালই করে না। কিন্তু এই সিনেমায় অভিনয়ের অভিজ্ঞতাটা মানুষ হিসেবেও ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তকে নতুন করে ভাবিয়েছে বলে তিনি জানান।

‘চিলড্রেন অব ওয়ার’ ছবির সঙ্গে জড়িত সবাই একবাক্যে বলছেন – এই অপরাধটা কত সাংঘাতিক ছিল সেটা মানুষকে আর একবার মনে করিয়ে দিতে পারলেই তারা মনে করবেন তাদের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে। বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category

ফটো গ্যালারী

© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com