1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
নুর হোসেনের চেয়ে কম ছিলেন না নজরুল! - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
মেজবা শরীফের নতুন দুটি গান প্রকাশ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, দলের পারফরম্যান্স নিয়ে যা বললেন মেসি পাঠ্যসূচিতে সমুদ্রবিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করার কারণ জানালেন সারিকা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল ৪ দল, যার সঙ্গে যে দল খেলবে উত্তরপ্রদেশে আগুন লেগে একই পরিবারের ৬ জন নিহত তিন শ্রেণির মানুষকে করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ নতুন সিনেমায় চিত্রনায়িকা রাজ রীপা ‘নির্যাতনের’ জবাব আন্দোলনে দেব: ফখরুল এসএসসির ফল প্রকাশ নতুন মার্সিডিজ বেঞ্জ ফিরিয়ে দিলেন আনোয়ার ইব্রাহিম বুবলীকে ইঙ্গিত করে যা বললেন অপু বিশ্বাস ব্রাজিল সমর্থকদের সুখবর দিল রোবট ‘মেসির সঙ্গে লাগতে এসো না’ জাপানকে হারিয়ে খেলা জমিয়ে দিল কোস্টারিকা

নুর হোসেনের চেয়ে কম ছিলেন না নজরুল!

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০১৪
  • ২৩৯ Time View

00002চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই খুন হন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ পাওয়া গেছে আধিপত্য বিস্তারের। নজরুলের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জসহ আশপাশের কয়েকটি থানায় ১৩ টি মামলা ছিল। এরমধ্যে হত্যা ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা ছিল ২টি। এরমধ্যে একটি মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ছিলেন তিনি। মূলত নুর হোসেনের সঙ্গে অধিপত্য বিস্তার এবং চাঁদাবাজী নিয়ন্ত্রণ নিয়েই ছিল সংর্ঘষ। তাদের কারণে ভয়ে টটস্থ ছিল স্থানীয় মানুষ। যার নেপথ্যে রয়েছে বার্ষিক প্রায় আড়াই শ’ কোটি টাকার বাণিজ্য। চোরাই তেল, পরিবহন চাঁদাবাজি, বালুমহালবাণিজ্য, ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা, সওজ ও বিদ্যুত কেন্দ্রের টেন্ডার, মাদকসহ বিভিন্ন আর্থিক বিষয়ে আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সিদ্ধিরগঞ্জ হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসের জনপদ।
গত প্রায় ১৫ বছরে ব্যবসা, চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অন্তত ১৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। যাঁরাই তাঁদের ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ নিতে চান তাঁদের হত্যার হুমকি দেয়া হয়। ফাঁসানো হয় বিভিন্ন মামলায়। কখনও হত্যা করে সরানো হয় প্রতিপক্ষকে। দিনের পর দিন এঁরা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করলেও কেউ কিছু বলার নেই। হত্যা, সন্ত্রাস ও অব্যাহত হুমকির কারণে ইপিজেডের ব্যবসায়ীদের আয় নেমে এসেছে অর্ধেকে। অনেক ব্যবসায়ী মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েও সন্ত্রাস দমনে প্রতিকার পাননি।
হত্যার একমাস আগে নিরাপত্তা চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছিলেন প্যানেল মেয়র নজরুল। তাঁকে নূর হোসেন হত্যা করতে পারে আবেদনে তা সুস্পষ্ট উল্লেখ ছিল। তবুও তাঁর নিরাপত্তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
ট্রাকস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ উপজেলা শহরের শিমরাইল এলাকায় অবস্থিত ট্রাক স্টপেজ। এখানে সড়ক ও জনপথের জায়গায় প্রায় ৩০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা রেখে এই টার্মিনাল গড়ে তোলা হয়েছে। তবে ৫ থেকে সাত শতাধিক গাড়ি থাকে নিয়মিত। এই টার্মিনাল একসময় নিয়ন্ত্রণ করত আওয়ামী লীগের কর্মী আইয়ুব আলী মুন্সী। একপর্যায়ে তাঁকে সরিয়ে টার্মিনালের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন নূর হোসেন। যিনি সেভেন মার্ডার মামলার প্রধান আসামি। সিটি কর্পোরেশন নিয়ন্ত্রিত এই টার্মিনালের প্রথমে লিজ পান নূর হোসেন। ২০১৩ সালে নজরুল লিজ পান। তাঁকে নূর হোসেন টার্মিনালে যেতে দেননি। তাঁকে হত্যার হুমকি দিতেন নিয়মিত। এ কারণে নজরুল মেয়র আইভীর কাছে বিচার দেন তাঁর পক্ষে টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
পরবর্তীতে আবারও নূর হোসেন টেন্ডার ছাড়াই নিজের নামে টার্মিনাল দখলে নেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, খালি ট্রাকপ্রতি দিনে চাঁদা আদায় হয় ৫০০ টাকা। পণ্যবাহী ট্রাক থেকে এক থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় হয়। সব মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি হয় টার্মিনাল ঘিরে। মাসে তিন কোটি ১৫ লাখ ও বছরে চাঁদাবাজি হয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা। বিপুল অঙ্কের টাকা যা আসে একবারেই বিনা পুঁজিতে। তাই এখানে যাঁরাই আসতে চেয়েছেন কিংবা চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করেছেন তাঁদের হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। নজরুল এই স্ট্যান্ড দখল নেয়ার জন্য কয়েকবার তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চেষ্টা চালিয়েছিলেন।
ইপিজেড সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যবসার অন্যতম কেন্দ্র ইপিজেড। এখানে ৪০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চালু আছে ২৬টি। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে এই ব্যবসা কেন্দ্রে সন্ত্রাস আর আধিপত্যবাদীদের প্রভাব শুরু হয়। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এর আগে নিজেদের ইচ্ছে মতোই এখানে সবাই বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারতেন। এখানে ঝুট নিয়ে বিরোধ সবচেয়ে বেশি। একসময়ে নজরুল এই এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন। ওই সময় নজরুলের শতাধিক ক্যাডার বাহিনী সবসময় ওই এলাকায় মহড়া দিতেন। পরবর্তীতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের সভাপতি মতিউর রহমান মতি এককভাবে নিয়ন্ত্রণ নেন। ঝুট কেনার জন্য তালিকাভুক্ত প্রায় ১২ ঠিকাদার থাকলেও মতির কারণে কেউ আসতে পারে না। গডফাদার হিসেবে এলাকায় তাঁর খ্যাতি আছে।
খুন হওয়া প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ঝুট ব্যবসা নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে শামীম ওসমানের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু শামীম ওসমান মতির নামে সুপারিশ করে। এর ফলে মতি ও নজরুলের মধ্যে বিরোধ চরমে ওটে। এর আগে মতি ও নূর হোসেন মিলে ফেব্্রুয়ারি মাসে নজরুলকে ইপিজেড এলাকা থেকে বের করে। নজরুলকে ঠেকাতে মতি ইপিজেড গেটে ক্লাব করে এবং কয়েক শ‘ সশস্ত্র ক্যাডার মোতায়ন রাখে দিনের পর দিন। এমনকি তালিকাভুক্ত ঠিকাদারদের ইপিজেড থেকে মতি বের করে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হুমিক দেয় তার কাছে মাল বিক্রি না করলে প্রাণে বাঁচতে দেয়া হবে না। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইপিজেডের এক ট্রাক ঝুট বিক্রি হয় ২০-৩০ হাজার টাকা। সন্ত্রাসীরা তা কিনে এক থেকে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করেন। মাসে অন্তত ৫০ গাড়ি ঝুট বিক্রি হয় এখান থেকে। অর্থাৎ মাসে প্রায় ৭০ লাখ টাকা আয়। বছরে আয় সাত কোটির বেশি। ইপিজেডের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ আর চাঁদাবাজির কারণে আদমজীতে বাণিজ্যিক স্থবিরতা চলতে।
ব্যবসায়ীরা পণ্য বিক্রিতে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। আয় কমেছে প্রায় অর্ধেক। মতিসহ তাঁর ভাগ্নে মামুন ও রাহুল এখানে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছেন। মতি ইপিজেডের ব্যবসায়ীদের হুমকি দিয়ে বলে, নজরুলকে মাল দিলে হত্যা করা হবে। কেউ এখানে ব্যবসা করতে পারবে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী জানান, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে এখানে যে কোনদিন হত্যাকান্ড ঘটতে পারে। এ নিয়ে ব্যবসায়রা আতঙ্কে।
২০১৩ সালে তাঁর প্রতিষ্ঠানের আয় ৯ কোটি টাকার বেশি হলেও গেল বছরে তা নেমে আছে ৫ কোটি টাকায়। আদমজী গেটে সন্ত্রাসী বাহিনী সব সময় মোতায়েন রাখার কারণে কোন ব্যবসায়ী মাল নিতে আসেন না। অপহরণ, খুন ও গুমের ভয়ে তারা অর্ডার দেন না। এরপর ও নজরুল দু’ দফা তার সষস্ত্র ক্যাডার বাহিনী নিয়ে ওই এলাকা দখল করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু নুর হোসেন ও মতির শক্ত অবস্থানের ফলে তা সফল হয়নি।
মূলত ঝুট, পরিবহন সাপ্লাাই, লেবার সাপ্লাই, কনস্ট্রাকশন, ফুড সাপ্লাই, সড়ক ও জনপথ, বিদ্যুত বিভাগের টেন্ডার, ইপিজেড, ট্রাক স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা আদায়, বালুমহলসহ চোরাই তেলের ব্যবসা। এর মধ্যে সবচেয়ে বিরোধ হচ্ছে ট্রাক স্ট্যান্ডে চাঁদা আদায়, সওজ ও বিদ্যুত কেন্দ্রের টেন্ডার, তেল ও ইপিজেডের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। এসব নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নজরুলের সঙ্গে নুর হোসেনের বিবাদ ছিল দীর্ঘদিনের। একসময় এসব নিয়ন্ত্রণ করতেন নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম। পরে নজরুলকে হটিয়ে তা দখলে নেয় নুর হোসেন। তাই এলাকাবাসীর অভিযোগ নুর হোসেন ঠান্ডা মাথার খুনী হলেও নজরুলও কমছিল না। আ স

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com