1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন : চাঁদাবাজির অর্থে সংগ্রহ হয় ৬ কোটি টাকা! - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
ভৈরবে বর্ণাঢ্য আনন্দ আয়োজনে নিরাপদ সড়ক চাই এর ২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন মেজবা শরীফের নতুন দুটি গান প্রকাশ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, দলের পারফরম্যান্স নিয়ে যা বললেন মেসি পাঠ্যসূচিতে সমুদ্রবিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করার কারণ জানালেন সারিকা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল ৪ দল, যার সঙ্গে যে দল খেলবে উত্তরপ্রদেশে আগুন লেগে একই পরিবারের ৬ জন নিহত তিন শ্রেণির মানুষকে করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ নতুন সিনেমায় চিত্রনায়িকা রাজ রীপা ‘নির্যাতনের’ জবাব আন্দোলনে দেব: ফখরুল এসএসসির ফল প্রকাশ নতুন মার্সিডিজ বেঞ্জ ফিরিয়ে দিলেন আনোয়ার ইব্রাহিম বুবলীকে ইঙ্গিত করে যা বললেন অপু বিশ্বাস ব্রাজিল সমর্থকদের সুখবর দিল রোবট ‘মেসির সঙ্গে লাগতে এসো না’

নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন : চাঁদাবাজির অর্থে সংগ্রহ হয় ৬ কোটি টাকা!

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০১৪
  • ২০৮ Time View

Nur-Hossain-300x219 নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত ৭ খুনের ঘটনায় ৬ কোটি টাকা নূর হোসেনের চাঁদাবাজির অর্থ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এ টাকা সংগ্রহ করতে সময় লেগেছে ১৫ দিন। ঘটনার পর নূর হোসেন ও তার স্ত্রী এবং অন্য নামের একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।
৪ মে নিহত নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম (শহীদ চেয়ারম্যান) সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র‌্যাবের তিন কর্মকর্তা সাতজনকে অপহরণ ও খুন করেছেন। এ ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও গোয়েন্দা সংস্থা নূর হোসেনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোর লেনদেন হিসাবের খোঁজখবর নেয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, নূর হোসেন, তার স্ত্রী ও অন্যান্য নামে একাধিক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানী দল। অ্যাকাউন্টগুলোতে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা জমা হওয়ার তথ্যও পেয়েছেন তারা। তবে নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের ঘটনার অন্তত ১৫ দিন আগে থেকে অ্যাকাউন্টগুলোতে কোনো টাকা জমা পড়েনি।
এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, নারায়ণগঞ্জের হত্যার ঘটনায় ৬ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ টাকাগুলো ব্যাংকে লেনদেনের তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার কাজে ব্যবহৃত ৬ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অর্থ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পনেরদিন চাঁদাবাজির টাকা ব্যাংকে জমা না রেখে অন্য যে কোনো স্থানে গচ্ছিত রাখেন নূর হোসেন। এ টাকা যারা কিলিং মিশনে অংশ নিয়েছেন তাদেরকে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন ওই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর-২ আবু হেনা মোহম্মদ রাজ দ্য রিপোর্টকে বলেন, নারায়ণগঞ্জের হত্যার ঘটনায় ৬ কোটি টাকার লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনুসন্ধানী দল বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে। ওই তথ্যগুলো এখনও ডেপুটি গভর্নর পর্যন্ত আসেনি। অনুসন্ধান শেষ হলে এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা যাবে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গত দেড় বছর ধরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও এর আশপাশের এলাকায় নূর হোসেন একক আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ পান। অবশ্য ত্বকী হত্যাকা-ের পর থেকে শামীম ওসমানসহ ওসমান পরিবার চাপের মধ্যে পড়ে। এ সময়টাই মূলত নূর হোসেন সিদ্ধিরগঞ্জসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির হাত বাড়ান।
গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, নূর হোসেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও এর আশপাশের এলাকার বালু মহল, পাথর মহল, বালুর ও পাথরের ট্রলার, চুনের কারখানা, তেলবাহী জাহাজ ও জাহাজ থেকে তেলচুরি, ট্রাক ও সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন প্রায় লাখ টাকা চাঁদা আদায় করত। এছাড়া প্রতিদিন ব্যবসায়ী মহল, পোশাক কারখানা, ঝুট ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাত থেকে তার চাঁদা আসতো। চাঁদা আদায়ের জন্য নূর হোসেনের বেতনভুক্ত ১৫০ জন ব্যক্তি কাজ করে আসছিল। তারা চাঁদা আদায় করে নূর হোসেনের কাছে জমা দিতো। এ ছাড়াও নূর হোসেন বিভিন্ন স্থানে মাদকের ছোট ছোট আখড়া গড়ে তোলে। অস্ত্র, মদ, ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকের রমরমা ব্যবসা চলত। মাদক ও চাঁদার টাকা ব্যাংকে রাখা হতো।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ড. খন্দকার মুহিদ উদ্দীন দ্য রিপোর্টকে বলেন, নূর হোসেনের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার চাঁদাবাজির তথ্য পেয়েছি। ট্রাক স্ট্যান্ডের চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা থেকে তার আয়ের অন্যতম উৎস ছিল। মাদক স্পট ও ট্রাক স্ট্যান্ডের চাঁদাবাজি ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। অন্যান্য ক্ষেত্রে এখনও নজর দেওয়ার সুযোগ পাননি বলে দাবি করেন পুলিশ সুপার।
প্রসঙ্গত, ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাতজন অপহৃত হন। তিন দিন পর তাদের লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযোগ ওঠে ৬ কোটি টাকার বিনিময় র‌্যাব এ হত্যাকা- ঘটিয়েছে। দ্য রিপোর্ট

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com