1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
বিষ ছড়াচ্ছে হাতিরঝিল - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
নতুন গবেষণায় মিলল হৃদ্‌রোগ ঠেকানোর মহৌষধ জিলহজ মাসের ফজিলত ও কোরবানির বিধিবিধান নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস, কাল থেকে কার্যকর আলোচনায় সমাধান চায় গ্রামীণফোন ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আবারও দেখা যেতে পারে রোনালদো–মরিনিও জুটি পাতালরেলের কাজ শুরু আগামী বছর আল্লাহ কি হাসেন জিলহজের প্রথম ১০ দিনে করণীয় ব্যবসায়ীরাই বাড়াচ্ছেন পেঁয়াজের দাম রাশিয়ার হাতে ‘বন্দি’ ইউক্রেনের ৬ হাজার সেনা ‘গেম চেঞ্জার’ সেই দ্বীপ থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা রাশিয়ার করোনায় ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজারের উপরে কুড়িগ্রামে আবারও পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ দৈহিক গড়নের কারণেই পিছিয়ে বাংলাদেশ!

বিষ ছড়াচ্ছে হাতিরঝিল

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০১৪
  • ১৭৩ Time View

hatirবাতাসে বিষ ছড়াচ্ছে ঢাকার সবচেয়ে নয়নাভিরাম ও আধুনিক প্রকল্প হাতিরঝিল। এ হাতিরঝিলের কারণেই ঢাকার মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা অর্থাৎ ধানমন্ডি, কলাবাগান, পান্থপথ, তেজগাঁও, রামপুরা, মগবাজার, গুলশান ও পশ্চিম বাড্ডায় আটকে পড়তে পারে ভূগর্ভস্থ মানববর্জ্য মিশ্রিত পানি। বন্যা ও অতি বৃষ্টিতে সৃষ্টি হতে পারে স্থায়ী জলাবদ্ধতাসহ ভয়াবহ বিপর্যয়। এমনকি ওয়াসার খাবার পানির লাইনেও ঢুকে পড়তে পারে বিষাক্ত পানি। আর সম্ভাব্য এ বিপর্যয়ের নেপথ্য কারণ হচ্ছে, হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিকল্পনা ও নির্মাণে বড় ধরনের গলদ এবং সীমাহীন অবহেলা।
আশু এ বিপর্যয় ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলো। তাৎক্ষণিকভাবে রামপুরা ব্রিজের পশ্চিম প্রান্তে পাম্প লাগিয়ে বর্জ্য নিষ্কাশনের পাইলট প্রজেক্ট নেয়া হলেও এর স্থায়ী সমাধানের জন্য তারা বুয়েট ও নগর পরিকল্পনাবিদদের দ্বারস্থ হয়েছে। তবে বিপত্তি দেখা দিয়েছে ওয়েস্ট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন নিয়ে। এ প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য প্রয়োজন আরো কমপক্ষে ১১০ একর জমি এবং প্রাথমিকভাবে ১৫ শ’ কোটি টাকা। ওয়াসা এরই মধ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রণালয় এবং টাকার ডোনার খোঁজার জন্য ইকোনমিক রিলেশন ডিভিশনের (ইআরডি) মাধ্যমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে। ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, বনশ্রীর পূর্ব প্রান্তে দাশেরকান্দি এলাকায় এ ট্রিটমেন্ট প্রকল্প নেয়া হবে। সেখান থেকেই হাতিরঝিলের পানি শোধন করা হবে।
যে দর্শনীয় স্থাপত্য শিল্পটি স্বল্প সময়েই দেশে-বিদেশে সুনাম কুড়িয়ে ছিল তা এখন নগর পরিকল্পনাবিদদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তারাই নন এর ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় আছে সরকারেরই বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান, যারা এর নির্মাণের সাথে সংশ্লিষ্ট। ইতোমধ্যেই এ প্রকল্পের পানি বিষ ছড়াতে শুরু করেছে। পানির দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেতে প্রচ- গরমেও এলাকার মানুষকে জানালা দরজা বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে। পানি ও বায়ু বাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে আশপাশ এলাকার অনেক বাসিন্দা। বাধ্য হয়েই তাদের এলাকা ছাড়তে হচ্ছে। শুধু রঙবেরঙের আলোর ঝলকানি আর ঝুলন্ত সেতুর সৌন্দর্য এখন আর দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে পারছে না। ঢাকার মাটিতে বিদেশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে পচা, দুর্গন্ধ আর নোংরা আবর্জনাময় লেকের পানি স্বচক্ষে দেখে চরম হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন মানুষ।
অপর একটি সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ওয়াসা হাতিরঝিলকে নিয়ে নতুন প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে। সম্প্রতি একজন বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ অস্ট্রেলিয়া সফর করে এসে তার অভিজ্ঞতার কথা জানান ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে। এর পর থেকেই পরিকল্পনা শুরু করে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। এতে হাতিরঝিলের নোংরা পানিকে শোধিত করে খাবার পানিতে পরিণত করা এবং তা ওয়াসার মাধ্যমে গোটা ঢাকায় সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। হাতিরঝিল সম্পর্কিত যৌথ কমিটির আগামী বৈঠকে এ পরিকল্পনা নিয়ে একটি প্রজেক্ট প্রোফাইল উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
যাদের হাতে বাস্তবায়িত হয় এ প্রকল্প : মাত্র ১০ বছর আগেও হাতিরঝিল ছিল ঢাকা শহরের প্রধান বর্জ্য নির্গমনের পথ। উন্মুক্ত জলাশয় হওয়ায় পরিবেশবিদরা এটিকে ঢাকার প্রধান ‘উন্মুক্ত বেসিন’ বলতেন। কেননা বছরজুড়েই এখানে জলাবদ্ধতা থাকত। বিশাল উন্মুক্ত ও অব্যবহৃত জায়গা হওয়ায় এখানে কয়েক যুগ ধরে ভাসমান মানুষের আশ্রয়স্থল অর্থাৎ বস্তি ছিল। সরকার একবার এখানে স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ নিলেও পরে তা পরিবর্তিত হয়ে হাতিরঝিল লেক নির্মাণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ২০০৭ সালে ৩০২ একর জমির ওপর এ প্রকল্পের বাস্তব কাজ শুরু হয়। ১৯ শ’ ৭১ দশমিক ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প সম্পন্ন করার কথা। প্রকল্প বাস্তবায়নের বাজেট ও সময় বৃদ্ধি করা হয় কয়েক দফা। ২০১৫ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব নয় বলে দাবি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন ব্যাটালিয়ন, ঢাকা ওয়াসা ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর। স্টর্ম স্যুয়ারেজ লাইনের নকশা ও পরিকল্পনা করে স্পেশাল স্যুয়ারেজ ডাইভারশন স্ট্রাকচার (এসএসডিএস) এবং প্রকল্পের সার্বিক নকশা প্রণয়ন করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।
নকশায় বড় ধরনের ত্রুটি : নকশা ও পরিকল্পনায় বড় ধরনের ত্রুটির কারণে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাতিরঝিল মাত্র ক’দিনেই বহুবিধ সঙ্কটের উপকরণে পরিণত হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য মতে তারানাকি এ প্রকল্পে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি ভুলেই গিয়েছিলেন। ফলে নকশায় কোনো ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বা বর্জ্য নিষ্কাশনের পথ দেখানো ছিল না। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর মজিবুর রহমান বলেন, নির্মাণকাজ শুরুর প্রথম বছরই বিষয়টি ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য ১১০ একর জমি পৃথকভাবে সংরক্ষণের পরামর্শ দেয়া হয়। এ ছাড়াও প্রকল্পের কনসালট্যান্ট প্রকৌশলী ইকবাল হাবিব বলেন, সে সময় আমরা আপত্তি জানিয়েছিলাম। আমাদের পরামর্শ ছিল বর্জ্য পানি শোধনের জন্য একটি সোলার অ্যাকুয়াটিক ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের। এই প্ল্যান্ট সূর্য থেকে শক্তি সংগ্রহ করে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্জ্য পানি শোধন করত। কিন্তু তখন কেউ তা আমলে আনেনি।
ঢাকা ওয়াসার তথ্য মতে, ধানমন্ডি থেকে রামপুরা পর্যন্ত বিশাল এ এলাকা থেকে ওয়াসার স্যুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন পাঁচ লাখ ঘন লিটার সলিড বর্জ্য হাতিরঝিলে নির্গত হতো। এ ঝিলের মাধ্যমেই রামপুরা ব্রিজের নিচ দিয়ে সেগুলো চলে যেত বালু নদী হয়ে শীতলক্ষ্যায়। বর্তমানে হাতিরঝিলের দুই পাশে শুধু বৃষ্টির পানি চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ পাইপের সাথেই ধানমন্ডি থেকে রামপুরা পর্যন্ত উভয় পাশের এলাকার স্যুয়ারেজ লাইনের সংযোগ দিয়ে দেয়া হয়। এমনিতেই এত বিশাল এলাকার বর্জ্য অপসারণের জন্য এ ড্রেনেজ সিস্টেম যথেষ্ট ছিল না। গত বর্ষার মওসুমে প্রথম বিপত্তি টের পাওয়া যায়। হাতিরঝিল বর্ষা ও বৃষ্টির পানিতে ভরে গেলে এলাকাভিত্তিক স্যুয়ারেজ লাইনগুলো আটকে যায়। সলিড ও তরল বর্জ্য অপসারণের পরিবর্তে পানির চাপে সেগুলো উল্টো দিকে যেতে থাকে। ফলে ধানমন্ডিসহ বিশাল এলাকার স্টর্ম স্যুয়াজেরগুলোর ময়লা উপচে পড়তে থাকে এবং বৃষ্টির পানি অপসারণ বন্ধ হয়ে যায়। এমতাবস্থায় হাতিরঝিল প্রকল্প পরিচালনাকারীরা দ্রুত প্রকল্পের ১১টি পয়েন্টের চেক বাল্ব খুলে দেয় এবং শুধু বৃষ্টির মওসুমে লেকে স্যুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে আবাসিক ও বাণিজ্যিক বর্জ্য ঢুকতে দেয়া হবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয় রাজউক ও ঢাকা ওয়াসা। এতে তাৎক্ষণিক সঙ্কট সামাল দেয়া সম্ভব হলেও বর্জ্য থেকে যায় লেকের পানিতে। পরে শুষ্ক মওসুমে পানি পচে সেগুলো থেকেই দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে। এতে সৃষ্টি হয় আরো ভয়াবহ সঙ্কট। রাজউক চীন থেকে শক্তিশালী পাম্প এনে সেগুলো দিয়ে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নিয়েছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের পূর্ব প্রান্তে একটি পাম্প হাউজ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
সঙ্কট বাড়তে পারে : বিগত বছর ঢাকা ও এর আশপাশে বন্যা না হওয়ায় হাতিরঝিলের বর্জ্য অপসারণপ্রক্রিয়ায় ত্রুটির ভয়াবহ প্রভাব দেখতে পায়নি ধানমন্ডি, গুলশান, তেজগাঁও, মগবাজার, রামপুরা ও আশপাশ এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যা বা অতি বৃষ্টি হলেই হাতিরঝিলের ড্রেনেজ সিস্টেম অকেজো হয়ে পড়বে। একই সাথে বন্যা, বৃষ্টি ও স্যুয়ারেজের বিপুল পানি অপসারণ করতে পারবে না এ প্রকল্প। তখনই প্রতিটি এলাকার ম্যানহোল ও স্যুয়ারেজের মুখ খুলে উপচে পড়বে মানববর্জ্য। আবাসিক টয়লেটের কমোড ও পাইপগুলোও জ্যাম হয়ে যেতে পারে পানির ঊর্ধ্বমুখী চাপে। পাশাপাশি ময়লা জমে থাকায় সেগুলো পচে দুর্গন্ধময় করে তুলেছে ঝিলের চার পাশের এলাকাকে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চেক বাল্বগুলো বর্ষা মওসুমের শেষে বন্ধ করে দেয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ফলে আগামী আরো বেশ কিছু দিন এলাকার মানুষকে বায়ুদূষণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া সহ্য করতে হবে। তা ছাড়াও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জন্য নতুন করে জমি অধিগ্রহণ ও বিপুল অঙ্কের টাকার সংস্থানও এ মুহূর্তে সম্ভব কি না, বিষয়টিও ভাবিয়ে তুলেছে সংশ্লিষ্টদের। সব পেলেও তা স্থাপনে সময় যাবে কয়েক বছর। তবে তাদের দাবি এ মুহূর্তে পাম্পের মাধ্যমেই তারা সঙ্কটের সমাধান করতে সক্ষম।
সরেজমিন হাতিরঝিল : ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় হাতিরঝিল প্রকল্প। দৃষ্টিনন্দন এ প্রকল্পের সুবাদে পাল্টে যায় মধ্য ঢাকার চেহারা। টঙ্গী ডাইভারশন ও রামপুরা রোডের মধ্যে সংযোগ হওয়ায় বহুলাংশে যানজট কমে যায় এ অঞ্চলের। সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী হয় এর উভয় পাশের বাসিন্দা বিশেষ করে বাড়ির মালিকেরা। রাতারাতি তারা বাড়ি ভাড়া বাড়িয়ে দেন। এ প্রসঙ্গে কথা হয় দণি প্রান্তের বাড়ির মালিক রহমত আলী চাচার সাথে। তিনি একটি পাঁচতলা বাড়ির মালিক। তিনি জানান, হাতিরঝিল চালু হওয়ায় তার বাড়ির ফ্যাটের চাহিদা বেড়ে যায়। তিনি প্রতি ফ্যাটের ভাড়া গড়ে দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করেন। কিন্তু এখন তার পাঁচটি ফ্যাট খালি। তারা সবাই লেকের পানির পচা গন্ধে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তার পরিবারের সদস্যরাও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিন মাস ধরে তার বাড়ি খালি। ভাড়া নিতেও কেউ আসেন না।
সরেজমিনে দেখা যায় এখানে ভ্রমণকারীর সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে। আগে যেখানে দেখা যেত উপচে পড়া ভিড়, সেখানে নেহাত চলাচলের সুবিধার্থেই লোকজনকে এ রাস্তায় আসতে দেখা যায়। কেউ ঘুরতে এলেও নাকে-মুখে কাপড় চেপে কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে যেতে বাধ্য হন। লেকের পানিতে প্রচুর ভাসমান আবর্জনা বিদ্যমান। পানি বিষাক্ত হয়ে যাওয়ায় লেকের মাছও মরে গেছে বলে জানান এলাকার বাসিন্দারা। তারা বলেন, কিছুদিন আগে লেকের পানিতে মশার বিস্তার ঘটেছিল। তখন মশার কামড়ে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। তবে এখন আগের চেয়ে দুর্গন্ধ ও মশা কিছুটা কমেছে।
বিশেষজ্ঞ অভিমত : বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ, হাতিরঝিল প্রকল্পের কনসালট্যান্ট প্রকৌশলী ইকবাল হাবিব নয়া দিগন্তকে বলেন, হাতিরঝিলের পানির দূষণ রোধ করতে হলে স্টর্ম ড্রেনেজ ও রেইন ওয়াটার ড্রেনেজ আলাদা করতে হবে। কিন্তু ওয়াসা সে দিকে নজর না দিয়ে তারা নতুন পরিকল্পনায় ঢুকে পড়েছে। তারা এ ঝিলের পানি শোধন করে পানযোগ্য পানি উৎপাদনের প্ল্যান্টের দিকে ঝুঁকেছে। এতে সময় যাবে অনেক। মানুষের ভোগান্তিও কমবে না। তিনি বলেন, ঝিলে কয়েকটি ফাউন্টেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা সেগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে আসছি। কেননা ফাউন্টেন হলে ওয়াটার সার্কুলেশন হবে এবং এতে অক্সিজেন উৎপাদন হবে। ফলে পানি পচার সুযোগ পাবে না। কিন্তু ওয়াসার সেদিকে ভ্রƒক্ষেপ নেই। তিনি আরো জানান, শিগগিরই তারা গুলশান লেকে সোলার অ্যাকুয়েটিক ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করছেন। তার মতে হাতিরঝিল কর্তৃপক্ষ সব বাদ দিয়ে এ প্ল্যান্ট স্থাপন করলেই দ্রুত সমাধান পাওয়া যেত। নদি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category

ফটো গ্যালারী

© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com