1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
একরাম হত্যার গডফাদার কোন হাজারী? (ভিডিও) - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
ন্যাটো ইউক্রেনকে কতদিন অস্ত্র সরবরাহ করবে জানালেন শলৎজ কোহলিকে ছাড়িয়ে বাবর আজমের রেকর্ড ভাড়া কমিয়েও যাত্রী মিলছে না লঞ্চে শিল্পী সমিতি নিয়ে শাকিব খানের বিস্ফোরক মন্তব্য নভেম্বরে বন্ধ হচ্ছে গুগল হ্যাংআউটস ভিটামিন বি১২ স্বল্পতায় করণীয় পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখন গলাব্যথা হলে যা করবেন ঈদুল আজহা কবে, জানা যাবে কাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন মরগান সোয়া কোটি পশু প্রস্তুত ইবাদতের অভ্যাস গড়ে তুলতে চাইলে নড়বড়ে সাঁকোতে হাজারও মানুষের পারাপার ‘আজকের দিন শেষ হওয়ার আগেই ইউক্রেন যুদ্ধ থেমে যাবে যদি…’ পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলবে কি না, যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

একরাম হত্যার গডফাদার কোন হাজারী? (ভিডিও)

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০১৪
  • ২৩৬ Time View

url14আতঙ্কের জনপদ এখন ফেনী। উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হকের নির্মম হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ ফেনী ফুলগাজীর জনতা। গুলি করার পর আগুন দিয়ে হত্যা- এ বর্বরতা মেনে নিতে পারছেন না কেউই। ফেনীর মানুষের মুখে মুখে খলনায়কের নাম। যদিও মামলা হয়েছে বিএনপির এক নেতাসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে।

একাধিক সূত্রের দাবি, চাপের মুখে এ মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয়েছেন নিহতের ভাই রেজাউল হক জসিম। তাকে লোভও দেখানো হয়েছে। একরামের স্ত্রী মামলা দায়ের করতে চাইলেও তার ভাইকে দিয়ে মামলা করানো হয়েছে। মামলায় বিএনপি নেতারা আসামী হলেও ফেনীতে একরামুল হকের কর্মীদের দাবি ভিন্ন। এ নির্মম হত্যার জন্য ফেনী সদর আসনের এমপি নিজাম হাজারীকে দায়ী করেছেন তারা। একরামুল হকের সমর্থকদের শ্লোগান দিতে শোনা গেছে, একরাম ভাই মরল কেন? নিজাম হাজারীর ফাঁসি চাই। পুলিশ এ পর্যন্ত সন্দেহবশত বেশ কয়েকজনকে আটক করলেও ঘটনার ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি।

তবে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে নিজাম হাজারী বলেছেন, জয়নাল হাজারীকে গ্রেফতার করলেই হত্যার রহস্য বের হয়ে আসবে।

এর পাল্টা জবাবে জয়নাল হাজারী একুশে টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘হত্যার পরিকল্পনাকারী কে, সব খবর তিনি জানেন। ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে এবং ক্ষমতার লড়াইয়ে একরামুল হক হত্যার সঙ্গে নিজাম হাজারিই জড়িত। আমাকে জড়ানোর কোন প্রশ্নই আসেনা। তার সঙ্গে আমার সামান্যতম বিরোধও ছিলনা। যেহেতু নিজামের সঙ্গে তার বশ কিছুদিন থেকে বেশ কিছু বড় বিরোধ চলে আসছিল। স্বাভাবিকভাবেই সেই তাকে খুন করবে। আমাদের চাইতেও সে বেশি ক্ষিপ্ত হলো একরামের উপর। তার কারণ হলো, সবচেয়ে বড় গোপন তথ্যটা একরাম বের করে দিয়েছে। এসব তথ্য আমি জায়গা মত বলবো। কারণ আগেই মিডিয়ায় এসব তথ্য বলা হলে সে এটার কিছুটা সুযোগ নেবে’।

তিনি কারও নাম বলেননি। ফেনী থেকে প্রকাশিত হাজারীর দৈনিক পত্রিকা হাজারিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, একরাম গুম কিংবা খুন হতে পারেন।

ফেনীর স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, একসময় জয়নাল হাজারীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন নিজাম হাজারী এবং একরামুল হক। পরে ফেনীর রাজনীতি থেকে জয়নাল হাজারীকে দূরে রাখতে তারা দুই জন বড় ভূমিকা রাখেন। কিন্তু সম্প্রতি নিজাম হাজারী এবং একরামুল হকের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। গত সংসদ নির্বাচনে ফেনীর দুটি আসন থেকে নিজাম হাজারী এবং একরামুল হক মনোনয়ন চান। নিজাম হাজারী মনোনয়ন পেলেও একরামুল হক মনোনয়ন পাননি। একরামের সমর্থকদের ধারণা এতেও নিজাম হাজারীর হাত ছিল। পরে ফুলগাজী উপজেলা নির্বাচনেও একরামের বিরোধিতা করেন নিজাম হাজারী। একরাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি নিজাম হাজারীর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়িয়ে যান। তবে নিজাম হাজারী একরামের ওপর চূড়ান্ত ক্ষুদ্ধ হন একটি জাতীয় দৈনিকে নিজাম হাজারীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর। যে সংবাদে নিজাম হাজারী কম সাজা ভোগ করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন বলে দাবি করা হয়। এ সংবাদ প্রকাশে একরামের হাত ছিল বলে নিজাম হাজারীর পক্ষের অনেকেই মনে করেন। এ ঘটনার জেরে একরাম খুন হতে পারেন বলে ফেনীতে গুঞ্জণ রয়েছে।
প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের নেতা একরামুল হককে হত্যার ঘটনায় স্বদলীয় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সন্দেহের তালিকায় প্রথমে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ গোয়েন্দা সূত্রগুলো। এ ঘটনার পর স্থানীয় সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীর সঙ্গে একরামের দ্বন্দ্বের কথা ফেনীতে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে।
নিহত একরামের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, হামলাকারীদের অনেককে চেনা গেছে৷ এতে কিছু ভাড়াটে সন্ত্রাসীকেও ব্যবহার করা হয়েছে।
জানতে চাইলে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ বলেন, পুলিশ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত শুরু করেছে। কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আর কিছু বলতে পারছি না।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একসময়ের সন্ত্রাসের গডফাদার হিসেবে পরিচিত জয়নাল হাজারীকে ফেনীর আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজাম হাজারী ও একরাম ছিলেন এককাট্টা। একজনের বিপদে আরেকজন ছুটে যেতেন। একরাম ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আর নিজাম হাজারী ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
খুন হওয়ার আগ পর্যন্ত একরামের সঙ্গে নিজাম হাজারীর মধ্যে দৃশ্যত সুসম্পর্ক থাকলেও বছর খানেক ধরে তাঁদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। ফেনীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উন্নয়নকাজের দরপত্রের একটা বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করতেন একরাম। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে।
সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক একরামকে চরম নৃশংসতায় নির্মমভাবে কারা খুন করল, কে ষড়যন্ত্রকারী, কারা সরাসরি এ হামলায় অংশ নিয়েছেন এসব প্রশ্নের সদুত্তর খোঁজা হচ্ছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, অন্য কেউ নয়, এ হত্যাকা-ের সঙ্গে বিএনপিই জড়িত। বিএনপির দাবি, তাদের কেউই এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত নয়। স্থানীয় লোকজন সমকালকে জানিয়েছেন, এখানে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা এতই দুর্বল যে, এমন নৃশংস ঘটনা ঘটানোর মতো সাহস তাদের নেই। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই একরামুল হক একরাম নিহত হয়েছেন। একরামের জানাজা শেষে ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম হাজারীর বিরুদ্ধে সেøাগান ওঠে। বিক্ষুব্ধ কিছু লোক তার কুশপুত্তলিকাও দাহ করে। থানায় একরামের ছোট ভাই যে মামলা করেছেন, তাতে আসামি বিগত উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও একরামের প্রতিদ্বন্দ্বী গার্মেন্ট ব্যবসায়ী মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনার। স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলাপকালে বারবার হত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর নামই উঠে এসেছে। অবশ্য নিজাম হাজারী গণমাধ্যমের কাছে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল এ হত্যাকা-ের সঙ্গে তাকে জড়ানোর চেষ্টা করছে।
যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেশাদার হত্যাকারী ভাড়া করে সুপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকা- ঘটানো হয়েছে। তার মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য গাড়িতে গানপাউডার ছড়িয়ে আগুন দেয়া হয়। একরাম যাতে গাড়ি থেকে বের হতে না পারেন সে বিষয়টি খুনিরা কাছ থেকে নিশ্চিত করেছে। একরামুলকে সরিয়ে দিতে তার রাজনৈতিক শত্রুরা তিন কোটি টাকায় কিলার ভাড়া করে। কিলিং মিশনে অংশ নেয় ২০ জন। ফেনী ছাড়াও ঢাকা থেকে কিলার আনা হয়। পুলিশ কিলারদের অনেককেই শনাক্ত করেছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেফতার করছে না। জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হককে চিরতরে সরিয়ে দিতে বিপুল অংকের এই টাকার জোগান দিয়েছেন রাজনৈতিক নেতা নামধারী কতিপয় দুর্বৃত্ত। তবে এসব দুর্বৃত্তের বেশিরভাগই এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে । মানবজমিন, একুশে টিভি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com