1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
২৫ মিনিটের কিলিং মিশন যেভাবে সাজানো হয় - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়তে চাই, সরাসরি জানালেন রোনালদো রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২৯ কর্মস্থলে দ্বিনের দাওয়াত টেস্টের পর টি-টোয়েন্টির রেকর্ডটিও এনামুলের ভিটামিন বি১২ স্বল্পতায় করণীয় টিভি কেনার আগে আল্লাহ প্রকাশ্য আল্লাহ গোপন তীব্র জ্বরে কী খাবেন গ্রামীণফোনে ২০ টাকার নিচে রিচার্জ করা যাবে না ফ্যাশন ডিজাইনার রোজার লোরাটো ব্র্যান্ডের ফ্যাশন শো আজ ইবাদতের জন্য পবিত্রতা অর্জন আবশ্যক কেন ডিবিআইডি ছাড়া ডিজিটাল কমার্স ব্যবসা করা যাবে না ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি বদলাতে বললেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ভাত খাওয়ার মধ্যে বা পরপরই পানি খাওয়া কি ঠিক সংক্রমণ বাড়ছে, তবে হাসপাতালে রোগী কম

২৫ মিনিটের কিলিং মিশন যেভাবে সাজানো হয়

  • Update Time : রবিবার, ২৫ মে, ২০১৪
  • ১৯২ Time View

pap-300x134 মাত্র ২৫ মিনিট। লোমহর্ষক এক হত্যাকান্ড। এ যেন হলিউডের কোনো অ্যাকশন মুভি। মঙ্গলবার বেলা তখন আনুমানিক পৌনে ১১টা। উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক তার প্রাডো কারে করে ফেনী শহরের ব্যস্ততম একাডেমি সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় টেম্পো ও নসিমন গাড়ি দিয়ে তার গাড়ির গতিরোধ করে দুর্র্ধষ সন্ত্রাসীরা। শুরু হয় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ। আতঙ্কে সাধারণ লোকজনের ছোটাছুটি। এরই মধ্যে অস্ত্রহাতে কয়েকজন ঘিরে ফেলে একরামের গাড়ি। তিন-চারজন সন্ত্রাসী গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে একরামকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে গাড়ির ভেতরেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। এর পরও রেহাই মেলেনি। দফায় দফায় গুলি, ককটেল বিস্ফোরণের পর ওই গাড়িতে পেট্রল ঢেলে ধরিয়ে দেয়া হয় আগুন। মুহূর্তেই জ্বলে ওঠে বিলাসবহুল প্রাডো গাড়িটি। পুড়তে থাকেন একরাম। তার চালকসহ তিনজন কোনোমতে গাড়ি থেকে বের হতে পারলেও বের হতে পারেননি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল একরাম হত্যাকান্ডে অংশ নেয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন ফুলগাজী উপজেলা যুবলীগ নেতা জাহিদ হোসেন চৌধুরী ওরফে জিহাদ। কিলিং মিশনে ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দেন ফেনী পৌরসভার কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শিবলু। তিন মাস ধরে চলে হত্যাকান্ডের মহড়া। ঘটনাস্থলে একরামকে প্রথমে সরাসরি গুলি করেন স্থানীয় এমপি নিজাম হাজারীর মামাতো ভাই আবিদ। অন্যদিকে একরামুলের গাড়িতে আগুন দেন নিজাম হাজারীর বিশ্বস্ত ক্যাডার রুটি সোহেল।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হত্যাকান্ডে প্রায় ২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। যুবলীগ নেতা জিহাদ, কাউন্সিলর শিবলু ও আবিদ এ টাকা ভাগবাটোয়ারার দায়িত্বে ছিলেন। অস্ত্র-বোমা কেনা ও ক্যাডারদের মধ্যে এ টাকা ভাগ করা হয়। এরই মধ্যে প্রকাশ হওয়া একরাম হত্যাকান্ডের ভিডিও ফুটেজে কয়েক ক্যাডারকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে র‌্যাব-পুলিশ। এদের অন্যতম হোতা এমপির মামাতো ভাই আবিদসহ সরাসরি জড়িত আটজনকে গ্রেফতার করেছে এলিট ফোর্স র‌্যাব।

এছাড়া হত্যাকা-ে নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর ফেনী পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলু শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে ফেনী সদর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় একই সময়ে ফুলগাজীর বসন্তপুর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছোরাসহ পুলিশ আলাউদ্দিন নামে একজনকে গ্রেফতার করে। এর আগেও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ পর্যন্ত চেয়ারম্যান একরাম হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার করা হলো ১২ জনকে। এর আগে পুলিশ সন্দেহমূলক ২৩ জনকে আটক করলেও পরে এদের সবাইকে ছেড়ে দেয়া হয়।

২৫ মিনিটের কিলিং মিশন : গ্রেফতারকৃতদের ভাষ্য ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তিনটি গ্র“পে কিলিং সম্পন্ন করা হয়। প্রথম গ্র“প ফেনী শহরে অবস্থিত একরামুল হকের বাসার সামনে অবস্থান নেয়। একরামুল বাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্র“পটি দ্বিতীয় গ্র“পকে তথ্য জানিয়ে দেয়। শহরের বিলাসী সিনেমা হল ও একাডেমির সামনে অবস্থান নেয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় গ্র“প। দ্বিতীয় গ্র“পের সদস্য আবিদ, মানিক, পাংকু আরিফ, রুটি সোহেল, কাইয়ুম একরামকে বহনকারী প্রাডো গাড়ির সামনে টমটম এনে গতিরোধ করে। সঙ্গে সঙ্গে একরামের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয় রুটি সোহেলের নেতৃত্বে। একরামের প্রাডো গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উঠে যায় আইল্যান্ডে। এ সময় আরেকটি গ্র“প বাইরে থেকে একরামকে লক্ষ্য করে রামদা ও কিরিচ দিয়ে কোপাতে থাকে। এক পর্যায়ে আবীর একরামকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলি করে। এরপর আবিদ ও শানান উপরের দিকে গুলি করতে থাকে। রুটি সোহেল তখন গাড়ির ভেতরে গুলি চালাচ্ছিল। পাপন, নয়ন ও তাদের বন্ধুরা পাশের দোকান থেকে কেরোসিন এনে এ সময় একরামুলের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। একই সঙ্গে অস্ত্রধারী অন্যরাও এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। একরাম লক্ষ্য হওয়ায় গাড়িতে থাকা বাকি তিনজন বের হয়ে দৌড় দেন। কিন্তু গাড়ির ভেতরেই গুলিবিদ্ধ, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত এবং আগুনে পুড়ে নির্মম মৃত্যুর শিকার হন একরামুল হক।

জড়িতরা হাজারীর লোক : স্থানীয়রা জানান, যুবলীগ নেতা জিহাদ, কাউন্সিলর শিবলু, আবিদ থেকে শুরু করে এরই মধ্যে একরাম হত্যাকান্ডে যাদের নাম প্রকাশ হয়েছে, তারা প্রায় সবাই স্থানীয় এমপি নিজাম হাজারীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী। এর মধ্যে আবিদ এমপি নিজামের আপন মামাতো ভাই এবং ফেনী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়লা আক্তার বড়মনির ছেলে। অন্যরা আবিদ ও কাউন্সিলর শিবলুর ভাড়াটে ক্যাডার হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়রা আরও জানান, এলাকায় একরাম হত্যাকান্ডে সঙ্গে স্থানীয় এমপি নিজাম হাজারীর যোগসূত্র প্রায় স্পষ্ট হয়ে গেছে। বিশেষ করে তার ফুফাতো ভাই আবিদ, বিশ্বস্ত কাউন্সিলর শিবলু এবং যুবলীগ নেতা জিহাদ এ হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণ হওয়ায় এমপি নিজামের সম্পৃক্ততা সবাই অনুমান করছেন। স্থানীয়রা নিজামের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন। কিন্তু এখন স্থানীয় প্রশাসনকে নিজাম হাজারী ‘হাতের পুতুল’ হিসেবে ব্যবহার করায় প্রকাশ্যে কেউ প্রতিবাদে নামতে সাহস পাচ্ছে না।

ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনার দিন মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকেই ফেনী শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তিন গ্র“পে অবস্থান নিয়েছিল কিলাররা। প্রতিটি গ্র“পে ছিল ১৫ থেকে ২০ জন। প্রতিটি গ্র“পেরই ছিল পৃথক দায়িত্ব। উৎসুক লোকজন তাদের জড়ো হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেছে, দলীয় শোডাউন ও মিছিল আছে। এভাবেই কিলাররা উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হককে হত্যার জন্য অপেক্ষা করে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে বেলা যখন প্রায় পৌনে ১১টা, তখন ফেনী শহরের ব্যস্ততম একাডেমি সড়কে আসে একরামকে বহনকারী প্রাডো গাড়ি। তখনই পূর্বপরিকল্পনা মতো কমান্ডো স্টাইলে ওই কিলিং মিশন সম্পন্ন করে সন্ত্রাসীরা।

গ্রেফতারকৃতদের ভাষ্য : তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, একরাম হত্যাকান্ডে আবিদসহ ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই স্বীকারোক্তিমূলক তথ্য জানিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের ভাষ্যমতে, একরামের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর সন্ত্রাসীরা কিছুটা দূরে সরে যান। পরে রুটি সোহেল ও জাহিদ তাদের অনুসারীদের বলেন, একরামের গাড়িতে অস্ত্র ও টাকা আছে, নিয়ে এসো। পরে আবিদসহ কয়েকজন গিয়ে গাড়ির দরজা খুলে অস্ত্র ও টাকা বের করেন। আর এ পুরো ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছিলেন জিহাদ চৌধুরী ও কাউন্সিলর শিবলু।

র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়া আবিদ জানান, তিনি গাড়ির পেছন দিক লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকেন। এর একপর্যায়ে পাশের দোকান থেকে কেরোসিন তেল এনে গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে সব অস্ত্র জাহিদ চৌধুরীর কাছে জমা দেন তারা। এ সময় জাহিদ তাদের বলেন, যে যেভাবে পার গা-ঢাকা দাও। আমি বিষয়টি পরে দেখব।

এ সময় আবিদ দাবি করেন, প্রথমে তিনি হত্যার কথা জানতেন না। প্রথম জিহাদ চৌধুরী তাদের বলেন, সকালে একরামের সঙ্গে ক্যাচাল হবে। তোদের থাকতে হবে। জিহাদের কথায় কেন সেখানে গেলেন- জানতে চাইলে আবিদ বলেন, আমার মোটরসাইকেল পুলিশ আটক করলে জিহাদ ভাই ছাড়িয়ে দিতেন। তাই তার কথামতো ওই কাজে যাই। হত্যাকান্ডে দুই শতাধিক লোক অংশ নেয় বলে দাবি করেন আবিদ। গ্রেফতারকৃতরা সবাই মাদকাসক্ত বলে জানান তিনি। তবে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকান্ড। দু-একজন আসল উদ্দেশ্য না জানলেও আবিদসহ বেশিরভাগই একরামুল হককে হত্যার পরিকল্পনা নিয়েই ওই কিলিং মিশনে অংশ নিয়েছিল। র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্নেল জিয়াউল আহসান বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জিহাদ চৌধুরী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হককে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এরই অংশ হিসেবে ১৯ মে রাতে সালাম জিমনেশিয়ামের একটি কক্ষে জিহাদ চৌধুরী, সিফাত, সানি, আবিরসহ বেশ কয়েকজনের উপস্থিতিতে একরামকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরিকল্পনামতো পরের দিন সকালেই কিলিং মিশন সম্পন্ন করে। এ হত্যাকান্ডে পাঁচটি পিস্তল ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জনসম্মুখে ফেনী শহরের একাডেমি সড়কে কমান্ডো স্টাইলে গাড়ির গতিরোধ করে উপজেলা চেয়ারম্যান একরামকে প্রথমে গুলি করে এবং পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই ঘটনায় একরামের সঙ্গে গাড়ির ভেতরে থাকা চালকসহ আরও তিনজন আহত হন। আবা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com