সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে তার পিতা ও  সৎ মা’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেয়েটির নাম শাউদি আক্তার শারমিন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সৎ মা ইয়াসমিন আক্তার ও বাবা সুরুজ মিয়া ওরফে সুরুজ সর্দ্দার। বুধবার রাতে তাদের নিজ বাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
বুধবার বিকালে নিহতের মামা আনোয়ার হোসেন রতন বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ তাদের আটক করে জেল হাজতে পাঠায়।
শারমিনের মামা আনোয়ার হোসেন রতন জানান, তার বোন গত ৮বছর আগে শারমিনকে রেখে মারা যান। মারা যাওয়ার কিছুদিন পরই তার ভগ্নিপতি সুরুজ সর্দ্দার দ্বিতীয় বিয়ে করে ইয়াসমিন আক্তারকে ঘরে আনেন। এরপর থেকেই মা হারা শারমিনকে সৎ মা ও বাবা বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করতো।  এসব অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তার ভাগনি মারা গেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর জানান, নিহতের মামা আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলার পরিপেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিহত শারমিনের সৎ মা ও বাবাকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে নিজ বাড়ির রান্না ঘরে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী শাউদি আক্তার শারমিনের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় বাড়ির লোকজন। পরে বিষয়টি থানায় অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *