বিপিএলে মাত্র ১ ম্যাচে ওপেন করা মোহাম্মদ নাঈমকে ওপেনার হিসেবে টি-টোয়েন্টি দলে রাখার কারণ তার মেধা ও সামর্থ্য। এমনটাই বলছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

যদিও ফর্মে থাকা মুনিম শাহরিয়ারের অন্তর্ভুক্তিতে সিরিজে নাঈমের একাদশে থাকা নিয়ে আছে ঘোর অনিশ্চয়তা। বিপিএলে নাঈমের অফফর্ম ও তার ব্যাটিং পজিশন নিয়ে কথা বলতে চাননি প্রধান নির্বাচক।

ক্রিক ইনফোর ওয়েব সাইটে নামটা সবার ওপরে। ২৩ গড়ে ২৬ ম্যাচে ৫৭৫ রান। ২০২১ সালে দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মোহাম্মদ নাঈম শেখ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সব শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৪৭ রান। কিন্তু তার স্ট্রাইক রেট সুবিধার না। তারপরও তাকেই বিবেচনা করেছেন নির্বাচকরা।

বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানান, নাঈমের সামর্থ্য আছে। ও যথেষ্ট ট্যালেন্ট ক্রিকেটার। আমি আশা করি ও আবার নিজেকে মেলে ধরতে পারবে।

অথচ বিপিএলে বিসিবির থিঙ্ক ট্যাঙ্কের করা দল মিনিস্টার ঢাকায় যায়গা হলেও তাকে ব্যাট করতে হয়েছে ৮ নম্বরে। জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের অধীনে নাঈমের ব্যাটিং পজিশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জ্বলে ওঠেনি তার ব্যাট। তবে বিপিএলে নাঈমের ব্যাটিং পজিশন ও অফফর্ম নিয়ে মুখ খুলতে চাননি প্রধান নির্বাচক।

২০১৯ সালে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজেই ২৬, ৩৬ ও ৮১ রানের ইনিংসে পথচলা শুরু হয় নাইমের। পরের সিরিজগুলোতেও রান আছে, তবে স্ট্রাইক রেট হতাশাজনক। অভিজ্ঞ তামিম ইকবালের শূন্যতা জাতীয় দল তো বটেই, তার উপস্থিতিতে মিনিস্টার ঢাকার হয়েও বিপিএলে পূরণ করতে পারেননি নাঈম!

এখন আফগানিস্তানের বিপক্ষে অভিষেকের অপেক্ষায় ইনফর্ম তরুণ ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার। তার স্ট্রাইক রেটও আশাব্যঞ্জক। টি-টোয়েন্টিতে শুধু রান করলেই হয় না, রান তোলার গতিটাও খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে কি ২ বছর ধরে নাঈমের ওপর বিসিবির বিনিয়োগ বৃথা হয়ে যাবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *