সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অল্প রানে আটকে ফেলেও ম্যাচ কঠিন করে জিতেছে নেদারল্যান্ডস। ১ বল হাতে রেখে ইউরোপিয়ান দেশটির জয় হয় ৩ উইকেটে। আরব আমিরাতের দেয়া ১১২ রানের লক্ষ্য তারা পেরিয়েছে ৭ উইকেট হারিয়ে।
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত
খেলার সময়
সিলংয়ের কার্দিনিয়া পার্কে রান তাড়া করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়েও পাওয়ার-প্লেটা ভালো কাটে নেদারল্যান্ডসের। ৬ ওভারে তারা তোলে ৪২ রান। ভিক্রমজিত সিং ১০ ও ম্যাক্স ও’দাউদ ২৩ রান করেন। সপ্তম ওভারে মাত্র ১ রান নেয় ডাচরা। পরের ওভারে আসে ১২ রান। নবম ওভার থেকে খেই হারিয়ে ফেলে দল, পরের আট ওভারে তুলে মাত্র ৩১ রান।
ইনিংসের ১৪তম ওভারে ১ রান দিয়ে টম কুপার ও ভ্যান ডার মারউইয়ের উইকেট তুলে নেন জুনাইদ সিদ্দিকী। বাস ডি লিডকে মেইয়াপ্পান, কলিন আকারম্যানকে আফজাল খান শিকারে পরিণত করেন। বাস ডি লিড ১৪, কলিন আকারম্যান ১৭, টম কুপার ৮ ও ভ্যান ডার মারউই শূন্য রানে ফিরে যান। ফলে ২৪ বলে ডাচদের জন্য লক্ষ্যটা দাঁড়ায় ২৬।

লোয়ার অর্ডারে ১৬ বলে ১৫ রানের কার্যকরী এক ইনিংস খেলেন প্রিঞ্জল। তাকে প্যাভিলিয়নে ফেরান জাহুর খান। এরপর স্কট এডওয়ার্ডস ১৬ ও ব্যান বিক ৪ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। আরব আমিরাতের হয়ে জুনাইদ ৩টি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট পান বাসিল হামিদ, কার্তিক মেইয়াপ্পান, আফজাল খান ও জাহুর খান।

এর আগে ৮ উইকেট হারিয়ে কোনোমতে ১১১ রান করে আরব আমিরাত। সিলংয়ের কার্দিনিয়া পার্কে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় এশিয়ার দেশটি। চিরাগ সুরি ও মুহামদ ওয়াসিমের ব্যাটে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৩ রান তোলে তারা। ২০ বলে সুরি কচ্ছপগতির ১২ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন ভ্যান ডার মারউইয়ের বলে। কাশিফ দাউদ আউট হন দলীয় ৫৯ রানে। আরেক ওপেনার ওয়াসিম ৪৭ বলে করেন ৪৭ রান।

ভ্রিতিয়া আরভিন্দের ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ১৮ রানের ইনিংস। বাকিদের মধ্যে কেউ আর ডাচদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। বাসিল হামিদ ৪, রিজওয়ান ১ ও আয়ান আফজাল ৫ রান করেন। ডাচদের হয়ে ৩টি উইকেট নেন বাস ডি লিড, ২ উইকেট পান ফ্রেড ক্লাসেন। একটি করে উইকেট পান টিম প্রিঞ্জল ও ভ্যান ডার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *