শেখ হাসিনার সঙ্গে সর্বশেষ কখন কথা হয়েছে জানতে চায়লে জবাবে সজীব ওয়াজেদ বলেন, তার সঙ্গে আমি গত মঙ্গলবার কথা বলেছি। তিনি সুস্থির আছেন, তবে অনেক কষ্ট পেয়েছেন। আমাদের দলের এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক মানুষের প্রাণহানি হওয়ায় ব্যথিত। বাংলাদেশের মানুষের আচরণে তিনি অনেক কষ্ট পেয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি এবং আমার পরিবার বিদেশে বড় হয়েছি, সেখানেই বাস করি। বাংলাদেশের ডিজিটাইলাইজেশনের জন্য আমি বিনা পয়সায় উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেছি। আমি সফল হয়েছি, বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে আমি ডিজিটাল কানেক্টিভটি নিয়ে গেছি।

তিনি আরও বলেন, সেই বাংলাদেশের মানুষ আমার মায়ের সঙ্গে এরকম করেছি, আমার নানাকে অসম্মান করেছে যিনি এই দেশের প্রতিষ্ঠাতা, এটা মেনে নেয়া আমার জন্য অনেক কঠিন। বাংলাদেশের মানুষের সাথে আমি আর কোন সংস্রব রাখতে চাই না।’

যখন ঢাকায় শেষবার শেখ হাসিনার সাথে সংক্ষেপে সজীব ওয়াজেদের কয়েকবার কথা হয়, তখন অনেক হৈচৈ হচ্ছিল।

তখন সংক্ষেপে শেখ হাসিনার সাথে তার শেষ যে কথাটি হয়েছে, তা হলো, ”মা, তোমাকে এখনি দেশ ছাড়তে হবে।”

তার বোনের সাথেও মায়ের কথা হয় বলে তিনি জানান। তার বোন সায়মা ওয়াজেদ জাতিসংঘের একটি দপ্তরের কর্মকর্তা হিসাবে ভারতে থাকেন।

তখন দেশ ত্যাগের জন্য শেখ হাসিনাকে কতটা সময় দেয়া হয়েছিল, জানতে চাওয়া হলে সজীব ওয়াজেদ বলেন, আসলে কোনো সময়ই দেওয়া হয়নি। কারণ বিক্ষুব্ধ লোকজন গণভবনের দিকে মিছিল করে আসছিল।

সুতরাং তাদের সেখানে পৌঁছাতে কতটা সময় লাগবে, সেটুকু সময়ই তার হাতে ছিল। তবে তাকে নির্দিষ্ট কোন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে একটি ভুল তথ্য রয়েছে।

কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়াই শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন বলে তিনি জানান।

সূত্র: বিবিসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *