জনশক্তি রপ্তানি, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ, পর্যটন খাতে সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় বিষয়ে মালয়েশিয়ার সাথে চারটি চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ।
বুধবার পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীরা এই চুক্তিতে সই করেন। মানব সম্পদ রপ্তানি বিষয়ে ২০১২ সালে দুই দেশের মধ্যে সই হওয় সমঝোতা স্মারক সংশোধনে একটি প্রটোকল সই হয়েছে এই প্রটোকলের ফলে মালয়েশিয়ার সারওয়াক প্রদেশে কাজের সুযোগ তৈরি হবে ১২ হাজার বাংলাদেশীর।
চুক্তি সাক্ষরের আগে পুত্র জায়ার পারদানা স্কয়ারে একান্তে বৈঠকের পর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। ‘সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে’।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক, এটাকে আমরা গ্রেটার হাইটস-এ নিয়ে যেতে চাই’।
শহীদুল হক আরো বলেন- আমাদের দুই দেশের মধ্যে কোনো ধরনের ইরিটেশন নেই। এটা গ্রেটার হাইটসে যাবে, এটা দিয়েই উনি (রাজাক) ওপেন করেছেন।
তিনি আরো বলেন, দুই দেশই বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে সম্মত হয়েছে। আপনারা জানেন, যে বাণিজ্য হয় সেটা ডিসপ্রপরশনেটলি ইমব্যালেন্সড। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিন্তু এটা রিকগনাইজ করেছেন। এটা কমিয়ে আনার জন্য উনি এ ব্যাপারে অ্যাকটিভ উদ্যোগ নেবেন বলে ইন্ডিকেশকেশন দিয়েছেন।
এসময় বাংলাদেশের এফটিএর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব। তিনি আরো জানান, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য গঠিন যৌথ কমিশনের বৈঠক ২০১৫ সালে আয়োজনের দায়িত্ব নিয়েছে মালয়েশিয়া।
বুধবার রাতে পুত্রাজায়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মালয়েশিয়ার সরকার প্রধানের দেওয়া একটি নৈশভোজে অংশ নেন শেখ হাসিনা।
নৈশভোজের পর আবাসস্থল গ্র্যান্ড হায়াদ হোটেলে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী। সফর শেষে বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুর থেকে রওনা হয়ে দুপুরে তার ঢাকা পৌঁছনোর কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সকালে তিনদিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকাত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
post by Usman gony
See more at: http://www.swadeshnews24.com/2014/12/04