ক
এনায়েত মজুমদার,চাঁদপুর প্রতিনিধি
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ সামছুল হুদা কর্ম¯’লে আসেন না। যে কারনে কার্যালয়ে বেশির ভাগ কাজ ঝুলে থাকে। আর কর্মচারীদের মধ্যে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে।
উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুলাই হাজীগঞ্জ উপজেলায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে সামছুল হুদা যোগদান করেন। এখানে তাঁর চাকুরীর মেয়াদ চার মাস।
কার্যালয়ের কর্মচারীরা জানান, চার মাসে তিনি মাত্র ৫ থেকে ৬ দিন কার্যালয়ে এসেছেন। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত একদিনও তিনি আসেননি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম বলেন, খাদ্য কর্মকর্তাকে আমি এখনো দেখিনি। উপ¯ি’তির বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, তাকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে হয় না। তবে কর্মচারীদের উপ¯ি’তি খাতায় তাদের নামের পাশে তিনি প্রতিস্বাক্ষর করবেন। ইউএনও বলেন বিষয়টি তিনি ক্ষতিয়ে দেখবেন।
তবে কর্মচারীদের হাজিরা খাতা ঘেটে দেখা গেছে চার জন কর্মচারীর নামের পাশে কোথাও ওনার প্রতিস্বাক্ষর নেই। কার্যালয় গিয়ে দেখা যায় চার জন কর্মচারী বসে আলাপ করছেন। কর্মকর্তা এসেছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, স্যার আজ আসেননি। এ মাসে এসেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এম.এল.এস সুধীর চন্দ্র দেবনাথ জানান, স্যার গত সপ্তাহে একবার এসেছেন। এ সময় অন্যরা চুপ থাকেন।
নাম প্রকাশে অনি”ছুক একাধিক কর্মচারী জানান, আমরা প্রতিদিন কার্যালয়ে আসি। আর ওনি মাসের পর মাস না এসে বেতন নি”েছন। এভাবে একটি অফিস কি করে চলে?
খাদ্য নিয়ন্ত্রক সামছুল হুদা বলেন, তিনি হাজীগঞ্জের পাশাপাশি কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলারও দায়িত্বে আছেন। এ জন্য সব সময় অফিস করতে পারেন না। তবে এখন থেকে তিনি নিয়মিত অফিস করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি দাবী করেন, অফিসে না গেলেও তার সব কাজ সঠিক সময়ে শেষ করেন।
শেখ হাসিনার পতনের আগের ৭২ ঘণ্টায় কী ঘটেছিল?