
কাহানি ও ‘দ্য ডার্টি পিকচারখ্যাত অভিনেত্রী বিদ্যা বালান নিজেকে একজন স্বার্খপর, ক্ষুধার্ত ও বেহায়া অভিনেত্রী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ভালো কোনো মুভির প্রস্তাব পেলে অন্যরা তার কাছ থেকে কি আশা করছে তা নাকি তিনি কখনোই বিবেচনায় নেন না। স্রেফ মুভিতে অভিনয়ের ব্যাপারে সম্মতি দিয়ে দেন। বলিউডে নারীকেন্দ্রিক মুভির সূচনা হয়েছে বিদ্যার হাত ধরে তা বলা যায়। ‘কাহানি’ ও ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ মুভিতে তার সাহসী অভিনয়ই তা প্রমাণ করে। তবে এখন কোনো মুভির সফলতার বিষয়টি এর প্রধান চরিত্রটি পুরুষ না নারীর তার উপর প্রকৃতপক্ষে নির্ভর করে না বলেও মনে করেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি এসব কথা বলেছেন বিদ্যা। খবর হিন্দুস্থান টাইমস’র
বিগত বছরগুলোয় বলিউডে বেশ কয়েকটি নারীকেন্দ্রিক মুভি নির্মিতি নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকটি হলো ‘কুইন’, ‘হাইওয়ে’, ‘মেরি কম’ ও ‘মারদানি’। মুভিগুলো বেশ ব্যবসাসফলও হয়েছে। মুভির প্রধান চরিত্রের লিঙ্গের বিষয়টি এর সফলতার পেছনে কোনো ভূমিকা রাখে কিনা এ ব্যাপারে বিদ্যা বলেন, ‘অামি যে নতুন এই ধারাটি শুরু করেছি লোকজন যে তা বুঝতে পেরেছে সেজন্য অামি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। কিন্তু অামি মনে করি আমরা যে সময়টায় বসবাস করছি এটা তারই একটি উপাদান। এবং অামার অভিনীত মুভিগুলো সফল হওয়ায় লোকজন এ ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে ও আরো নারীকেন্দ্রিক মুভি বানাচ্ছে। প্রধান চরিত্রে নারী না পুরুষ অভিনয় করছেন তা বিবেচনায় না নিয়েই আজকাল ভালো কোনো মুভি সফল হবে।’
বলিউডে নিজের সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন বলেও সাক্ষাৎকারে বলেন এই অভিনেত্রী। বিদ্যা বলেন, ‘সফলতা ও ব্যর্থতা আমাকে উদ্বিগ্ন করে না কারণ একজন অভিনেত্রী হিসেবে তা আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তারকাখ্যাতি ও সফলতা একটি চক্রাকার ব্যাপার। বলিউডে যথেষ্ট দীর্ঘ সময় ধরে থেকে অামি তা বুঝেছি। অামি একজন খুবই ক্ষুধার্ত ও নির্লজ্জ অভিনেত্রী। ভালো কোনো চরিত্র পেলে অামি অন্য কোনো কিছু নিয়ে ভাবি না এবং স্রেফ অভিনয়ের সম্মতি দিয়ে কাগজে সই করে দিই। দর্শকরা আমার কাছ থেকে কি আশা করছে তা নিয়ে অামি চিন্তা করি না।’