নীলফামারীতে হাসপাতালের বারান্দায় এক নারীর লাশ ফেলে পালিয়ে গেছে স্বামী ও তার শশুরবাড়ির লোকজন।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলার ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

পরে সন্ধ্যায় হাসপাতাল হতে লাশ উদ্ধার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের মা আবেদা বেগম বাদী হয়ে জামাতা রবিউল ইসলাম, তার ভাই রমজান আলী ও শ্বশুর বাছেদ আলীকে আসামি করে থানায় একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা যায়, চার বছর আগে ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী গ্রামের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে আনোয়ারা বেগমের সাথে ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের মধ্য ছাতনাই গ্রামের বাছেদ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম (২৪) এর বিয়ে হয়। বিয়ের সময় জামাতাকে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দিয়েছিল মেয়ে পক্ষ। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে জামাতা রবিউল ইসলাম ও আনোয়ারার শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের আরো ৭০ হাজার টাকা দাবি করে আসছিল। আর এজন্য আনোয়ারাকে প্রায় সময় শ্বশুরবাড়ির লোকজন নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল।

ঘটনার দিন দুপুরে যৌতুকের টাকার কারণে আনোয়ারাকে তার স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন বেধড়ক মারধর করে। এতে আনোয়ারা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার শশুরবাড়ির লোকজন তাকে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পথে আনোয়ার মৃত্যু হয়। পরে তারা লাশটি হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

এ ব্যাপারে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী জানান, গৃহবধূ আনোয়ারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

বুধবার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *