ধারাবাহিক পারফরমেন্স বিবেচনায় এবার টি-টোয়েন্টির সেরা অলরাউন্ডারের জায়গা পুনরুদ্ধার করলেন তিনি। টি-টোয়েন্টি ফরমেটে আবারও সবাইকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থানে অবস্থান এখন সাকিবের। আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবীকে সরিয়ে এক নম্বরে উঠে গেছেন তিনি। সাকিবের রেটিং পয়েন্ট এখন ২৮৬। তার চেয়ে এক পয়েন্ট পেয়ে তালিকার দুই নম্বরে আছেন নবী।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলাকালীন এই সিরিজে অনবদ্য রেকর্ডও গড়েছেন সাকিব। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব আল হাসান একই সঙ্গে ১ হাজার রান ও ১০০ উইকেটের মাইলফলক অর্জন করেছেন। টি-টোয়েন্টি ফরমেটে এই কীর্তি নেই আর কারোরই।
অজিদের বিপক্ষে পুরো সিরিজে বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৩.২ ওভারে ১ মেডেন ও ৯ রানে নেন ৪ উইকেট। ব্যাটিংয়েও রেখেছেন ছোট ছোট অবদান। যা দলকে জেতানোয় ভূমিকা রাখে। সাকিবের এমন অবদানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে ৪-১ ব্যবধানে। চলতি সিরিজের পারফরমেন্স বিবেচনায় ২০১৭ সালের অক্টোবরের পর আবারও টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে গেছেন সাকিব।
সাকিব ছাড়াও বোলারদের র্যাংকিংয়ে এগিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমানও। অজিদের বিপক্ষে ধারাবাহিকতার ফল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাংকিংয়ে ২০ ধাপ এগিয়ে মুস্তাফিজ উঠে এসেছেন সেরা দশে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সদ্য শেষ হওয়া সিরিজে ৭ উইকেট নিয়েছেন ’দ্য ফিজ’।
এদিকে জুলাই মাসে আইসিসির সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন সাকিব আল হাসান। ভোটাভুটির মাধ্যমে মাসের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।