বর্তমানে পণ্যের মজুদ সন্তোষজনক, নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে তেল। রমজানে অযৌক্তিকভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ালে কঠোর অবস্থানের হুঁশিয়ারি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের। সকালে রাজধানীতে সংস্থার সভাকক্ষে ঢাকার বিভিন্ন বাজার সমিতির নেতাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। বেশ কিছুদিন ধরেই লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম। চাল, ডাল, তেল ও পেঁয়াজের দামের পাশাপাশি বেড়েছে প্রায় সব খাদ্যপণ্যের দাম। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে ২ টাকা পর্যন্ত। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। দ্রব্যমূল্যের এই উর্ধ্বগতিতে মজুদদারদের পাশাপাশি খুচরা বিক্রেতাদের দায়ী করছেন পাইকারি বিক্রেতারা। একই সাথে বাজার নিয়ন্ত্রণে ক্রেতাদের মজুদ বন্ধের আহ্বান জানান তারা। এদিকে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানান, রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ঢাকা সিটির বিভিন্ন বাজারে সংস্থার ছয়টি ও বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের ৪টি দল তদারকি করবে। এছাড়া ৬৪টি জেলায় এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও থাকবে। বর্তমানে খুচরা কিংবা পাইকারি, কোন পর্যায়ে পণ্যের দাম বাড়ছে, তা নিয়মিত মনিটরিং করবে অধিদপ্তর। এজন্য পণ্য কেনার পাশাপাশি ক্রয় রশিদ সংগ্রহ করার ওপর জোর দেয় সংস্থাটি। এদিকে বাজার নিয়ন্ত্রণে ক্রেতাদের অযথা পণ্য মজুদ বন্ধ, পণ্যের দাম নির্ধারণ, সরবরাহ সহজ করার আহ্বান জানান ব্যবসায়ীরা। একই সাথে জানানো হয় যৌক্তিক মুনাফার আহ্বান। #রিফাত_কবির Post navigation নামাজের সময়সূচি সাত মাস পর টাইগাররা ওয়ানডে খেলতে নামছে