ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষোভ প্রকাশের পরদিনই গণধর্মান্তর অনুষ্ঠান বাতিল করল কট্টরপন্থীরা। উত্তর প্রদেশ রাজ্যের ধর্ম জাগরণ সমিতি ২৫ ডিসেম্বর আলীগড়ে এক অনুষ্ঠানে কয়েক শ মুসলমানকে ধর্মান্তরিত করবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল। বিজেপির আদর্শিক মিত্র রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) এক শাখা ধর্ম জাগরণ সমিতি। আলীগড়ে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানকে মুসলমানদের ‘ঘরে ফেরা’ বলে অভিহিত করেছিল সংগঠনটি। তাদের দাবি, এরা আগে হিন্দুই ছিল। ধর্ম জাগরণ সমিতির চাপে পরে বিতর্কিত এ অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে সদস্যদের একহাত নেন। এ ধরনের কাজকর্মে সরকারের উন্নয়নের কর্মসূচি ব্যাহত হচ্ছে বলে তিনি সদস্যদের আলটপকা মন্তব্য না করারও নির্দেশ দেন। বলেন, এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সরকার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়। মোদির চাপে ধর্ম জাগরণ সমিতি তাদের কর্মসূচি বাতিল করলেও রাজ্যসভায় বিরোধীরা এখনো সরকারের ওপর থেকে চাপ প্রত্যাহারে রাজি নয়। ধর্মান্তর বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতির দাবিতে তারা এখনো অনড়। ধর্মান্তর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তর প্রদেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি বেশ ঘোলাটে হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে আগ্রায় ২০০ মুসলমানের ধর্মান্তর ঘটানোর দাবি করেন আয়োজকেরা। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতি এখনো সরগরম। তার রেশ সংসদেও পড়েছে। এমনই যে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতির দাবির জেরে রাজ্যসভার অধিবেশন বারবার মুলতবি করে দিতে হচ্ছে। গতকাল বুধবারও সেই দাবিতে বিরোধীরা রাজ্যসভার অধিবেশন চলতে দেয়নি। এ কারণে অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় বিল পাস করানো যাচ্ছে না। সরকার মনে করছে, এ অবস্থায় ধর্মান্তর অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সাহায্য করবে। রাজ্য প্রশাসন ইতিমধ্যেই আলীগড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। Post by আশিকুর রহমান চৌধুরী স্বদেশনিউজ২৪.কম Post navigation ভারতে ভারী রকেটের সফল পরীক্ষা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৩,০০০ সন্ত্রাসীকে ফাঁসিতে ঝোলান’
বিজেপির আদর্শিক মিত্র রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) এক শাখা ধর্ম জাগরণ সমিতি। আলীগড়ে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানকে মুসলমানদের ‘ঘরে ফেরা’ বলে অভিহিত করেছিল সংগঠনটি। তাদের দাবি, এরা আগে হিন্দুই ছিল। ধর্ম জাগরণ সমিতির চাপে পরে বিতর্কিত এ অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে সদস্যদের একহাত নেন। এ ধরনের কাজকর্মে সরকারের উন্নয়নের কর্মসূচি ব্যাহত হচ্ছে বলে তিনি সদস্যদের আলটপকা মন্তব্য না করারও নির্দেশ দেন। বলেন, এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সরকার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়। মোদির চাপে ধর্ম জাগরণ সমিতি তাদের কর্মসূচি বাতিল করলেও রাজ্যসভায় বিরোধীরা এখনো সরকারের ওপর থেকে চাপ প্রত্যাহারে রাজি নয়। ধর্মান্তর বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতির দাবিতে তারা এখনো অনড়। ধর্মান্তর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তর প্রদেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি বেশ ঘোলাটে হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে আগ্রায় ২০০ মুসলমানের ধর্মান্তর ঘটানোর দাবি করেন আয়োজকেরা। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতি এখনো সরগরম। তার রেশ সংসদেও পড়েছে। এমনই যে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতির দাবির জেরে রাজ্যসভার অধিবেশন বারবার মুলতবি করে দিতে হচ্ছে। গতকাল বুধবারও সেই দাবিতে বিরোধীরা রাজ্যসভার অধিবেশন চলতে দেয়নি। এ কারণে অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় বিল পাস করানো যাচ্ছে না। সরকার মনে করছে, এ অবস্থায় ধর্মান্তর অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সাহায্য করবে। রাজ্য প্রশাসন ইতিমধ্যেই আলীগড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। Post by আশিকুর রহমান চৌধুরী স্বদেশনিউজ২৪.কম