ইনজুরির কারণে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই’র (পিএসজি) সেরা একাদশ মাঠে নামানোই দায় ছিল কোচ থমাস টুকেলের জন্য। চোটের জন্য ছিলেন না নেইমার। শুরুর একাদশে নামাননি চোট থেকে সেরে ওঠা কিলিয়ান এমবাপ্পে, এডিনসন কাভানিকেও। তবে ম্যাচের শুরু থেকে দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন আর্জেন্টাইন তারকা অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া। জোড়া গোল করে স্বাগতিক নিসের বিপক্ষে বড় জয় উপহার দেন পিএসজিকে। চোট কাটিয়ে ফিরে ফরাসি তারকা এমবাপ্পে পেয়েছেন গোলের দেখা।
নিজেদের শেষ দেখায় প্যারিসে ১-১ গোলে ড্র করেছিলো নিস। কিন্তু অ্যালিয়েঞ্জ রিভেরায় সুবিধা করতে পারেনি তারা। ম্যাচের ১৫ মিনিটের মাথায় স্বদেশি ইকার্দির কাছ থেকে বল পেয়ে কোনাকুনি শটে প্রথম গোল আদায় করে নেন ডি মারিয়া।

৬ মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান ৩১ বছর বয়সী এ উইঙ্গার। থমাস মিউনারের থ্রুতে চিপ করে পিএসজিকে প্রথমার্ধে ২-০ গোলের লিড এনে দেন তিনি। ৬৭ মিনিটে ইগনাতিয়াস গানাগো ব্যবধান কমিয়ে আনেন ২-১এ। এরপরই ছন্দপতন হয় হোম টিমের। ৩ মিনিটের ব্যবধানে দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে বিদায় নিলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা। ইনজুরি কাটিয়ে প্রায় ১ মাস পর খেলতে নেমে বোর্দোর বিপক্ষে দুই সপ্তাহ আগে আবার চোটে পড়েন এমবাপ্পে। শনিবার নিসের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলতে নেমে ৮৮তম মিনিটে গোলের দেখা পান পিএসজির ফরাসি স্ট্রাইকার। ডি মারিয়ার শট নিসের গোলরক্ষক দান্তে ফিরিয়ে দিলে ফিরতি বল অরক্ষিত জালে পাঠাতে ভুল করেননি এমবাপ্পে। ৬৭ দিন পর ক্লাবের পক্ষে আবার গোল পান এমবাপ্পে। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে মাউরো ইকার্দি গোল করে ৪-১ ব্যবধানে পিএসজির সহজ জয় নিশ্চিত করেন।
১০ ম্যাচে ৮ জয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষ অবস্থান সুসংহত করলো পিএসজি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নতে এক ম্যাচ কম খেললেও পিছিয়ে আছে ৫ পয়েন্টে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *