1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. rifatkabir582@gmail.com : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : রিফাত কবির, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
  7. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  8. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
ফারুকীর স্ট্যাটাস নিয়ে ফেসবুকে ঝড়! - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রির আজ শেষ দিন আমি ভাগ্যবান তরুণের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে: রঞ্জিত সৌরভের চোখে সেরা অধিনায়ক ধোনি-স্টিভ রাজধানীতেও ফিরেছে লোডশেডিং কথা ও কাজের অমিল হওয়ার শাস্তি মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতু দেখালেন অভিনেতা মক্কায় সামরিক বাহিনীর মহড়া ট্রেন থেকে পড়ে আহত শিশুর পরিবারের সন্ধান মেলেনি ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ৫ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড ‘খুবই ভালো ব্যাটিং করেছেন সাকিব’ রুশ সেনাদের গুরুত্বপূর্ণ রেল ব্রিজে বোমা হামলা পানের বরজ ঘেরাও করে ৪ ডাকাত গ্রেফতার বন্যাদুর্গতদের পাশে ‘নটরডেমিয়ান ৯৯’ মিতু হত্যা: দুই সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআই ঈদে বাড়ি ফিরতে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা

ফারুকীর স্ট্যাটাস নিয়ে ফেসবুকে ঝড়!

  • Update Time : বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪
  • ১৮৫ Time View

image_81703_0নাটক ও চলচ্চিত্রর জগতে মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী একটি বহুল জনপ্রিয় নাম। এক সময়ে বেশ কয়েকটি নাটকের কাহিনী রচনা ও পরিচালনার মধ্য দিয়ে বিপুল দর্শকপ্রিয়তা লাভ করলেও বর্তমানে ভিন্ন ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়েই ব্যস্ত তিনি, করেন বিজ্ঞাপন নির্মাণের কাজও।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের একজন মানুষ হিসেবে এদেশের টেলিভিশন চ্যানেল এবং নাটক-চলচ্চিত্র-বিজ্ঞাপনের ভালো ও মন্দ নিয়ে বরাবরই বেশ সরব এই নির্মাতা। তাই দেশের চলচ্চিত্র বিদেশে রফতানি এবং বাইরের চলচ্চিত্র দেশে আমদানির জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের পক্ষে ও বিপক্ষে বিভিন্ন সময়ে যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানিসহ বাংলাদেশ থেকে ভারতকে দেয়া বিভিন্ন সুবিধার বিনিময়ে বাংলাদেশের পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে কিছুটা রূপক অর্থে একটি ব্যাঙ্গাত্মক স্ট্যাটাস লিখেছেন ফারুকী। আর তারপর থেকেই তার এই স্ট্যাটাসের পক্ষে-বিপক্ষে চলছে নানারকম আলোচনা-সমালোচনা।

নিচে ফারুকীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
দাদাবাড়ির মাঝি নাদের আলী বলেছিলো, “ট্রানজিট দে, দেখিস একদিন তিস্তা দিয়ে দিবো। জঙ্গি হটা, বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে দিবো।” দাদা সব নিয়ে নিয়েছে, দেয়নি কিছুই। আমাদেরও দেখা হয়নি কিছুই। ৪৩ বছর কেটে গেল। বাজার গেছে, আকাশ গেছে, পত্রিকার পাতাগুলো গেছে, চিন্তা গেছে। সিনেমা হলটা বাকি ছিলো, এবার সেটাও যাচ্ছে। যে দেশের মন্ত্রীর একমাত্র এজেন্ডা মনে হয় ভারতের ছবি আমদানি (তাও আবার ভারতের সবচেয়ে অখাদ্য ছবিগুলো), যে দেশের মন্ত্রী মনে করেন যে বাংলাদেশের সিনেমার উন্নতির একমাত্র উপায় ভারতের ছবি আনা এবং আমাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক ভারতীয় কোনো সংস্থাকে দেয়া, সে দেশের ভবিষ্যৎ চরম উজ্জ্বল। এই রকম চিন্তাশীল মানুষ যদি দেশ চালান, তাহলে সে দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল না হয়ে পারে না। আশা করি অন্যান্য দেশও (যাদের সিনেমার অবস্থা খারাপ) আমাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে চলচ্চিত্র বিপ্লব সাধন করবে।

বি. দ্র. পাশে বসা ছোটো ভাই বললো দুই দেশের ছবি না বিনিময় হওয়ার কথা। আমি তাকে পুনরায় ‘নাদের আলী’র কবিতা পড়তে বললাম।

খুশী হয়ে ছোট্ট ভাই আমাকে “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জঙ্গি দমনের গুরুত্ব” বিষয়ে একটা বক্তৃতার রিপোর্ট ধরিয়ে দিয়ে বললো, ‘দেশ চালাতে এইরকম প্রতিভাই আসলে দরকার!’

আমি বললাম “এইরকম একটা মন্ত্রী তুই ফুসলিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে দিয়ে দে, আমরা বেঁচে যাই!”

-সুপ্রভাত! ইহা একটি সম্পূরক স্ট্যাটাস। কারো যদি আমার স্পিরিট বুঝতে সমস্যা হয় তাই বলছি। আমি ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতায় পূর্ণ আস্থাশীল। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় ছবি হোক, তাও চাই। রিসোর্স শেয়ার হোক, তাও চাই। আমাদের ছবি ভারতে চলুক, তাদেরটাও এখানে চলুক। কিন্তু তার জন্য যে একটা ফিজিবিলিটি স্টাডি করা দরকার, কর কাঠামো তৈরি করা দরকার, বছরে কতগুলো ছবি আসবে- কতগুলো যাবে এটা ঠিক করা দরকার, আমাদের হলগুলো ভারতীয় ছবি কত পার্সেন্ট স্ক্রিনিং করতে পারবে, ভারত আদৌ আমাদের ছবি চালাতে আন্তরিক কি-না, তাদের দিক থেকে কোনো রকম আইওয়াশ বা শুভংকরের অংক আছে কিনা- এই সব বিষয়ে খোলা মন নিয়ে কাজ করা দরকার।

কিন্তু এসব নিয়ে যখন কোনো উত্তেজনা দেখি না, উত্তেজনা দেখি যে ‘শুধু যেভাবেই পারো ভারতের ছবি ঢুকিয়ে দাও’- এই নিয়ে তখন প্রশ্ন আসে। যখন প্রেসক্রিপশন দেয়া হয় ‘বাংলাদেশের সিনেমার উন্নতির জন্য’ই ভারতের ছবি আনতে হবে তখনই বোঝা হয়ে যায় ‘ডাল মে কেয়া হায়!’

আগেও যেমন বলেছি- কলকাতায় হিন্দি ছবি চালালে ২৫% কর দিতে হয়, বাংলা চালাতে ২% এর মতো। কেন একই দেশে এই বৈষম্য? নিজের বাজার আর সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করা?

একটা রাজ্য সরকার যা পারে, স্বাধীন দেশের সরকার তার চেয়ে তো বেশিই পারার কথা। আমাদের নীতিমালা আমাদের লাভের দিকে তাকিয়ে করতে হবে, অন্য কারো লাভের দিকে তাকিয়ে না। বিনিময় বা বন্ধুত্ব তখনই জমে যখন দুই তরফে আন্তরিকতা থাকে। কলকাতার পত্রিকার পাতায় আমরা এখনো মহকুমার চেয়েও ছোট, কিন্তু আমাদের পাতায় ওরা সুপার পাওয়ার। আমাদের টিভি ওখানে কৌশলে বন্ধ, আমাদের এখানে ওদের টিভি সানি লিওনের মতো খোলা। আরো একশোটা ইন্ডিকেটর দেখানো যাবে যেটা আসলে বন্ধুত্বের কথা বলে না। বললে ভালো হতো। বোঝা গেছে জিনিসটা?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category

ফটো গ্যালারী

© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com