পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১৩টি ড্রেজার রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অচল হয়ে পড়ে আছে। বাকি ১৫টি ড্রেজার কোনো মতে চালু আছে। তবে এ সংক্রান্ত নীতিমালা না থাকায় সেগুলো নিয়েও বিপাকে মন্ত্রণালয়। এরপরও রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানীর ব্যবস্থা না করেই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা হয়েছে আরো ১১টি ড্রেজার। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির বৈঠকে দ্রুত এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ড্রেজার অধিপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, এ কে এম ফজলুল হক, ফরিদুল হক খান, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, অনুপম শাহজাহান জয় ও সেলিনা জাহান লিটা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, পুরোনো ড্রেজারগুলো সরকারি অর্থে কেনা হলেও চালানো হতো ভাড়ায়। ওই ভাড়ার টাকায় ড্রেজারের জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ বহন করা হতো। ভাড়া থেকে যে অর্থ আসতো তাতে ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করাই সম্ভব হয়নি। ফলে ১৩টি ড্রেজার অচল হয়ে পড়েছে। তবে এ জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের অবহেলা ও নীতিমালা না থাকাকে দায়ী করেছে কমিটির সদস্যরা। এজন্য একটি সুনির্দ্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির জন্য বলা হয়।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ফরিদুল হক খান সাংবাদিকদের বলেন, পুরনো ড্রেজারগুলোর বেহাল দশা। ভাড়ায় চালালে সরকারের কোনো লাভ নেই। যারা ভাড়া নেয় তাদের পকেটেই লাভ চলে যায়। সেজন্য নতুন ড্রেজারগুলো নিজেরাই পরিচালনা করার বিষয়ে কথা হয়েছে। কমিটির আরেক সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, পুরনো ড্রেজারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের খরচ প্রকল্প থেকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের অর্থ ফুরিয়ে যাওয়ায় সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না। এই অবস্থায় নতুন ১১টি ড্রেজার আনা হচ্ছে। তাই দ্রুত ড্রেজার সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করে কমিটির কাছে উত্থাপনের জন্য বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ২০১০ সালে এক হাজার ৩০০ কোটি ৯৮ লাখ টাকার ১১টি ড্রেজারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ক্রয় সংক্রানত্ম প্রকল্পটি একনেকে পাস হয়। এ প্রকল্পের ছয়টি ড্রেজার ইতিমধ্যে আনা হয়েছে। বাকি চারটি শিগগিরই আনা হবে। আর পুরনোগুলোর মধ্যে ১৮ ইঞ্চি ১৫টি ড্রেজার থাকলেও তিনটিই অচল অবস্থায় মেরামতের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। ১২ ইঞ্চি ১২টি ড্রেজারের মধ্যে তিনটি সচল আছে। আর ছয় ইঞ্চি একটি ড্রেজারও অচল হয়ে পড়েছে।
আজ রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ড্রেজার অধিপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, এ কে এম ফজলুল হক, ফরিদুল হক খান, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, অনুপম শাহজাহান জয় ও সেলিনা জাহান লিটা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, পুরোনো ড্রেজারগুলো সরকারি অর্থে কেনা হলেও চালানো হতো ভাড়ায়। ওই ভাড়ার টাকায় ড্রেজারের জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ বহন করা হতো। ভাড়া থেকে যে অর্থ আসতো তাতে ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করাই সম্ভব হয়নি। ফলে ১৩টি ড্রেজার অচল হয়ে পড়েছে। তবে এ জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের অবহেলা ও নীতিমালা না থাকাকে দায়ী করেছে কমিটির সদস্যরা। এজন্য একটি সুনির্দ্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির জন্য বলা হয়।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ফরিদুল হক খান সাংবাদিকদের বলেন, পুরনো ড্রেজারগুলোর বেহাল দশা। ভাড়ায় চালালে সরকারের কোনো লাভ নেই। যারা ভাড়া নেয় তাদের পকেটেই লাভ চলে যায়। সেজন্য নতুন ড্রেজারগুলো নিজেরাই পরিচালনা করার বিষয়ে কথা হয়েছে। কমিটির আরেক সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, পুরনো ড্রেজারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের খরচ প্রকল্প থেকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের অর্থ ফুরিয়ে যাওয়ায় সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না। এই অবস্থায় নতুন ১১টি ড্রেজার আনা হচ্ছে। তাই দ্রুত ড্রেজার সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করে কমিটির কাছে উত্থাপনের জন্য বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ২০১০ সালে এক হাজার ৩০০ কোটি ৯৮ লাখ টাকার ১১টি ড্রেজারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ক্রয় সংক্রানত্ম প্রকল্পটি একনেকে পাস হয়। এ প্রকল্পের ছয়টি ড্রেজার ইতিমধ্যে আনা হয়েছে। বাকি চারটি শিগগিরই আনা হবে। আর পুরনোগুলোর মধ্যে ১৮ ইঞ্চি ১৫টি ড্রেজার থাকলেও তিনটিই অচল অবস্থায় মেরামতের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। ১২ ইঞ্চি ১২টি ড্রেজারের মধ্যে তিনটি সচল আছে। আর ছয় ইঞ্চি একটি ড্রেজারও অচল হয়ে পড়েছে।
Post by আশিকুর রহমান চৌধুরী স্বদেশনিউজ২৪.কম

