পেরুর রাজধানী লিমায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের সম্মেলনের শেষ দিনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। সম্মেলনের শেষ দিন আলোচনা রাতে গড়ালেও কার্বন নির্গমন কমানো নিয়ে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যকার বিভাজন পরিস্থিতি উন্নয়নে বাধার সৃষ্টি করেছে। এই আলোচনার ওপর ভিত্তি করেই আগামী বছর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংবাদসূত্র : বিবিসি আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সতর্ক করে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ‘পৃথিবী এখন মারাত্মক পরিস্থিতির দ্বারপ্রান্তে।’ তাই জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতেই তিনি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার তাগিদ দেন। নতুন চুক্তির রূপরেখা তৈরির জন্য গত দুই সপ্তাহজুড়ে লিমায় আলোচনা চলছে। ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই সম্মেলনে ১৯৫টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য নতুন প্রস্তাবনা তৈরি করেছেন এর চেয়ারম্যান। তবে পরিবেশ আন্দোলন-কর্মীদের মতে, এতে করে অনেক সমস্যাই অমীমাংসিতই রয়ে যাবে। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় বাধা দেখা দিয়েছে ধনী ও গরিব দেশগুলোর মধ্যকার বিভেদ। কারণ, আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলো এখন চাচ্ছে কার্বন নির্গমন হ্রাসে সব দেশেই একই রকম বাধ্যবাধকতার আওতায় আসুক। তাদের দাবি, বৈশ্বিক এই সমস্যা মোকাবেলায় সব দেশকেই এগিয়ে আসতে হবে। এই সমস্যার কেন্দ্রে রয়েছে, ১৯৯২ সালের জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন। তখন বলা হয়েছিল, কার্বন নির্গমন কমানোর দায়িত্ব শুধু ধনী দেশগুলোরই। কার্বন নির্গমন কমানো নিয়ে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যকার বিভাজন সম্পর্কে কেরি বলেন, ‘আমি জানি, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি সত্যিই কঠিন। কিন্তু আজ আমাদের মনে রাখতে হবে, সারা বিশ্বের মোট কার্বন নিঃসরণের মধ্যে অর্ধেকই হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। তাই তাদের অংশগ্রহণও একান্ত আবশ্যক।’ কিন্তু অনেক দেশই বর্তমান পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে। তাদের মধ্যে চীনও রয়েছে। সম্মেলনের চেয়ারম্যান নতুন প্রস্তাবনা উত্থাপনের পর নতুন করে শুরু হয় বিতর্ক। অনেকে সমালোচনা করেন, এতে করে আসল প্রতিশ্রুতিগুলোই অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ৭৭টি উন্নয়নশীল দেশের জোট ‘জি-৭৭’ নতুন প্রস্তাবনায় আপত্তি জানিয়েছে। Post by আশিকুর রহমান চৌধুরী স্বদেশনিউজ২৪.কম Post navigation আইএসের টুইটার পরিচালনাকারী ভারতীয় যুবক প্রেপ্তার তালায় ইসলামী ব্যংক ফাউন্ডেশনের সুদমুক্ত ঋন : শবজি চাষে ফিরোজা বেগম এখন স্বাবলম্বী