tomal-pic-jhenaidahঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
করতোয়া ঝিনাইদহ শাখার পার্সেল বুকিং স্টাফ তমাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানে লাখ টাকা আত্মসাৎ ও মালামাল চুরি অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহ করোতোয়া থেকে সে এই টাকা পায়সা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। তাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তমাল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামের পিকুল হোসেনের ছেলে। সে বর্তমানে ঝিনাইদহ মডার্ন মোড়ে তার চাচা আকরাম হোসেনের বাসায় থাকতো। করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিসের ঝিনাইদহ শাখার এজেন্ট মোঃ আফসার আলী খান অভিযোগ করেন, ২০১২ সাল থেকে তমাল হোসেন আমার প্রতিষ্ঠানে চাকরী করতো। চাকরী জীবনে সে বহুবার অসততার পরিচয় দিয়েছে, কিন্তু মানবিক কারণে বারবার আমি ¶মা করেছি।

তিনি আরো জানান, তমাল হোসেন পার্সিল বুকিংয়ের ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। এর আগে তমাল ল¶াধীক টাকার মালামাল গায়েব করে দিলে করতোয়া ঝিনাইদহ শাখাকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়। ২/১ দিন আগে কালীগঞ্জের একটি ঘড়ির প্যাকেট গোপনে সরাতে গিয়ে ধরা পড়ে।

এজেন্ট মোঃ আফসার আলী খান বলেন, তমালের অপকর্মের কারণে আমি তাকে মানবিক কারণে চাকরীচ্যুত করেনি। তার চাচা আকরাম হোসেন ভবিষ্যতে আর কোন চুরিদারী করবে না বলে মুচলেকা দেন, কিন্তু তিনিও এখন আর দায়িত্ব নিচ্ছেন না। এজেন্ট মোঃ আফসার আলী খান এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা করার জন্য অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান।
ঝিনাইদহের করতোয়া শাখার স্টাফ তমাল হোসেন কয়েক লাখ টাকা নিয়ে উধাও !
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
করতোয়া ঝিনাইদহ শাখার পার্সেল বুকিং স্টাফ তমাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানে লাখ টাকা আত্মসাৎ ও মালামাল চুরি অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহ করোতোয়া থেকে সে এই টাকা পায়সা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। তাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তমাল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামের পিকুল হোসেনের ছেলে। সে বর্তমানে ঝিনাইদহ মডার্ন মোড়ে তার চাচা আকরাম হোসেনের বাসায় থাকতো। করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিসের ঝিনাইদহ শাখার এজেন্ট মোঃ আফসার আলী খান অভিযোগ করেন, ২০১২ সাল থেকে তমাল হোসেন আমার প্রতিষ্ঠানে চাকরী করতো। চাকরী জীবনে সে বহুবার অসততার পরিচয় দিয়েছে, কিন্তু মানবিক কারণে বারবার আমি ¶মা করেছি।

তিনি আরো জানান, তমাল হোসেন পার্সিল বুকিংয়ের ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। এর আগে তমাল ল¶াধীক টাকার মালামাল গায়েব করে দিলে করতোয়া ঝিনাইদহ শাখাকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়। ২/১ দিন আগে কালীগঞ্জের একটি ঘড়ির প্যাকেট গোপনে সরাতে গিয়ে ধরা পড়ে।

এজেন্ট মোঃ আফসার আলী খান বলেন, তমালের অপকর্মের কারণে আমি তাকে মানবিক কারণে চাকরীচ্যুত করেনি। তার চাচা আকরাম হোসেন ভবিষ্যতে আর কোন চুরিদারী করবে না বলে মুচলেকা দেন, কিন্তু তিনিও এখন আর দায়িত্ব নিচ্ছেন না। এজেন্ট মোঃ আফসার আলী খান এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা করার জন্য অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *