যুক্তরাষ্ট্র থেকে রুশ কূটনীতিক বহিষ্কারের পাল্টা পদক্ষেপ এখনই নিচ্ছে না রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন দায়িত্বজ্ঞানহীন কূটনীতিতে বিশ্বাসী নয় মস্কো। বরং ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা নেয়ার পর রুশ-মার্কিন সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী রাশিয়া।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার চলাকালেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের অভিযোগ তোলে ডেমোক্র্যাট শিবির। নির্বাচনের পর এ অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করে সিআইএ। তবে বরবারই এ অভিযোগ অস্বীকার করছে রাশিয়া।
এমন প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার ৩৫ রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায় ওয়াশিংটন। ওয়াশিংটন ডিসি ও সান ফ্রান্সিসকো কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ছিলেন তারা। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, রাশিয়ার নয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে মেরিল্যান্ড এবং নিউ ইয়র্কে গোয়েন্দা তথ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত দুটি রুশ কম্পাউন্ডও বন্ধ করে দেয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতিক বহিষ্কারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ৩৫ মার্কিন কূটনীতিকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেয় রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এই উদ্যোগে সাড়া দেননি প্রেসিডেন্ট পুতিন। এক বিবৃতিতে পুতিন বলেন তারা কাউকে বহিষ্কার করবেন না। রাশিয়ায় মার্কিন দূতাবাসের সব কর্মীর সন্তানদের ক্রেমলিনের বর্ষবরণ ও ক্রিসমাসের আয়োজন থেকে বঞ্চিত করা হবে না বলেও জানান তিনি।
‘আমরা মার্কিন দূতাবাস কর্মীর পরিবার ও তাদের শিশুদের নববর্ষের উৎসব থেকে বঞ্চিত করব না। সবাইকে আমি ক্রেমলিনের আয়োজনে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’
বিবৃতিতে ওবামাকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পুতিন। রাশিয়ার পাল্টা জবাব দেয়ার ক্ষমতা থাকলেও বিশ্বশান্তি রক্ষায় মার্কিনিদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *