দীর্ঘ আড়াই বছর পর সুযোগ পেয়ে শফিউল ইসলাম যেভাবে শুরুটা করেছিলেন সেভাবে ধরে রাখতে পারেনি বাকিরা। নিজের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে তুলে নেন লঙ্কান ওপেনার আভিশকা ফার্নান্দোর উইকেট। এরপর খেই হারিয়ে ফেলে টাইগার বোলাররা।

দলীয় ১০ রানে ফার্নান্দোর বিদায়ের পর ৯৭ রানের লম্বা জুটি গড়েন অধিনায়ক দ্বীমুথ করুণারত্নে আর কুশল পেরেরা। ইনিংসের ১৪তম ওভারের শেষ বলে করুণারত্নেকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ দলে স্বস্তি ফেরান মেহেদী মিরাজ। ৩৭ বলে ৩৬ রান করে ফেরেন দ্বীমুথ।

তৃতীয় উইকেট জুটি আরও বড়। কুশল মেন্ডিস আর কুশল পেরেরা মিলে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ১০০ রান।

তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শতকটা পূর্ণ করেই ফেরেন সাজঘরে। ৯৯ বলে ১১১ (১৭ চার, ১ ছয়) রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে সৌম্য সরকারের বলে ক্যাচ দেন মোস্তাফিজের হাতে।

এরপর কুশল মেন্ডিসকে ৪৩ রানে ফেরান রুবেল হোসেন। পঞ্চম উইকেট জুটিতে এঞ্জেলো ম্যাথুস আর লাহিরু থিরিমান্নে মিলে ৬০ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হন মোস্তাফিজের বলে দলীয় ২৭২ রানের মাথায়।

ততোক্ষণে বাংলাদেশি বোলারদের হাঁসফাঁস অবস্থা। থিসারা পেরেরা অবশ্য থিতু হতে পারেননি আজ। শফিউলের বলে ক্যাচ তুলে দেন সৌম্যর হাতে।

এঞ্জেলো ম্যাথুস তার নামের প্রতি সুবিচার করতে বাংলাদেশকেই বোধহয় বেচে নিয়েছে। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৫২ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যান। শেষদিকে ধনঞ্জয়া ডি সিলভার ১৮ রানে ভর করে ৫০ ওভারে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৮ উইকেটে ৩১৩ রান।

বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নেন শফিউল ও ২টি উইকেট নেন মোস্তাফিজ। ১টি করে উইকেট নেন মিরাজ, রুবেল ও সৌম্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed