বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৬ ও ৪৭ ধারা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ বৃহস্পতিবার সকালে চিঠিটি পাঠিয়েছে। ঘটনার দায় বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এড়াতে পারে না—উল্লেখ করে চিঠিতে সরকারকে বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৭ ধারায় যেকোনো ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে দেওয়া হয়েছে। আর ৪৬ ধারায় কোনো ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীকে অপসারণের ক্ষমতার কথা বলা আছে। তবে ৪৬ ধারার ৬ উপধারায় সরকার মনোনীত বা নিযুক্ত চেয়ারম্যান বা পরিচালককে অপসারণের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেওয়া হয়নি। তবে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান বা পরিচালকের আচরণ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। কিন্তু, ৪৭ ধারায় পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে ৪৬ ধারার ৬ উপধারার মতো করে কিছু বলা হয়নি। সরকারের নিয়োগ দেওয়া পরিচালনা পর্ষদই ডুবিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের বেসিক ব্যাংককে। শুরু থেকেই পর্ষদের নির্দেশে একের পর এক অনিয়ম করেছে ব্যাংকটি। হাজার হাজার কোটি টাকার গুরুতর ঋণ অনিয়ম করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক একাধিকবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে এ জন্য সরাসরি দায়ী করেছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদকে। নিয়োগ থেকে শুরু করে ঋণ বিতরণ পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে অনিয়মের ফলে ব্যাংকটির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শেষ পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) অপসারণ করেছে। অথচ পর্ষদ বা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ব্যাংকটির পর্ষদের চেয়ারম্যান হচ্ছেন শেখ আবদুল হাই ওরফে বাচ্চু। তিনি বর্তমান সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ঘনিষ্ঠজন। যে কারণে মন্ত্রণালয় বা বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে বলেও সূত্রগুলো বলছে। Post navigation আল্লাহ কাউকে মেরে ফেললে ‘প্রতিমন্ত্রী’র কিছু করার নেই! বিকাশে মোবাইল টপ-আপ