বিশ্বকাপবাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পাইপ লাইনে অনেকদিন ধরেই। ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলেও ছিলেন। কিন্তু সুযোগ হয় হয় করে আর হয় না। এর মাঝেই অভিষেক হয় ডানহাতি ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিথুনের। ২০১৪ সালে রঙ্গিন পোশাকে অভিষেক হওয়ার পর দুটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টিও খেলেছেন। কিন্তু দলে জায়গা পাকাপোক্ত করা হয়নি।

২০১৫ সালে ঘরের মাঠে অনেক ম্যাচ হলেও সুযোগ মেলেনি তার। বিপিএলের তৃতীয় আসর দিয়ে নতুন করে নজরে এসেছেন ২৫ বছর বয়সী মিথুন। বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও নিজের জাত চিনিয়েছেন ঠিকই। সর্বশেষ খুলনাতে অনুশীলন ম্যাচেও ভালো করেছেন মিথুন। তাই তো চমক হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন টপ অর্ডার এই ব্যাটসম্যান।

সবাই চমক বললেও বিসিবির নির্বাচকরা মিথুনের সুযোগ পাওয়াকে স্বাভাবিকই বলছেন। আর এমন খবর পেয়ে উচ্ছ্বসিত মিথুন, ‘খুবই ভালো লাগছে। আসলে শেষ তিনটা অনুশীলন ম্যাচের পর আশা করছি যে হয়তো কিছু হলেও হতে পারে। তার আগে এ ধরনের কোনো আশা ছিল না।’

খুলনায় প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো পারফর্ম করার পর থেকেই বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন মিথুন। তবে কারো কাছ থেকে আগে আভাশ পাননি যে তাকে দলে নেয়া হতে পারে। বলছেন, ‘পারফরম্যান্সের কারণেই। তিনটা অনুশীলন ম্যাচ হয়েছিল। তিনটাতে ৮৫, ৪২, ৬৭ করেছিলাম। দুইটাতে তিনে। একটা ওপেনিংয়ে। ওপেনিংয়ে ৬৭ রান করেছিলাম।’

ওই তিন ম্যাচের ব্যাটিং দেখে কোচ হাতুরুসিংহেও নাকি প্রশংসা করেছিলেন। মিথুন বলেন, ‘কোচ আমার ব্যাটিংয়ের ব্যাপারে ইতিবাচক বলেছেন। আসলে ওইভাবে আগে কখনো দেখেনি। আমার ব্যাটিং দেখার পর সে বলছিল, তোমার ব্যাটিং খুব ইমপ্রেসিভ। খুব খুশি ছিল আমার ব্যাটিং দেখে।’

নিজের ব্যাটিং নিয়ে এমনিতেই আত্মবিশ্বাসী মিথুন। আর বিশ্বকাপের আগে সময় থাকায় নিজেকে আরো তৈরি করে ভালো কিছু সম্ভব বলে বিশ্বাস মিথুনের, ‘টি-২০ বিশ্বকাপের আগে অনেক সময় আছে। এর মধ্যে নিজেকে আরও তৈরি করা যাবে। এছাড়া এখন বর্তমান যে অবস্থায় আছি, তাতে অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী। কারণ আত্মবিশ্বাসী না হলে ওই জায়গায় ভালো করাটা কঠিন। ইনশাল্লাহ ভালো করবো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *