hospital-Princhনানা সংকট আর ভোগান্তির আরেক নাম সরকারি হাসপাতাল। যা শুরু হয় হাসপাতালের বহির্বিভাগে টিকিট কাটার দীর্ঘ লাইনে অনিয়মের মধ্য দিয়েই। কোনোমতে টিকিট পেলেও চিকিৎসকের দেখা পেতে অসুস্থ রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সুবিধা থাকলেও স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া যায় না এসব হাসপাতালে। এ জন্য প্রয়োজনীয় হাসপাতাল কম থাকা ও সেবা না দেয়ার মানসিকতাকে দুষছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের একমাত্র পঙ্গু হাসপাতালের সামনের দৃশ্য এটি। কারো হাত ভাঙা, কারো পা। চিকিৎসকের সিরিয়াল না পাওয়ায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এসব রোগী অপেক্ষা করছেন হাসপাতালের বারান্দাতেই। বিনামূল্যে ট্রলির পাওয়ার নিয়ম থাকলেও, সেটির অভাবে অনেকে আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিচ্ছেন এ্যাম্বুলেন্সের ভিতরেই।

রোগীদের অভিযোগ, সরকারী হাসপাতালে ভোগান্তির কোন শেষ নেই। টিকিট কাটা থেকে শুরু করে চিকিৎসকের রুমে প্রবেশ কিংবা বেড পাওয়া, সব জায়গাতেই থাকে চিকিৎসকের সহকারী কিংবা আয়াদের দৌরাত্ব।

১৬ কোটি মানুষের জন্য দেশে এ মুহূর্তে সরকারি হাসপাতাল আছে মাত্র ১২৪টি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৪২৫ ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে ৪৮৬০টি। এর মধ্যে ঢাকায় আছে ১৮টি হাসপাতাল।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হাসপাতাল সংকটের পাশাপাশি রোগীদের প্রতি চিকিৎসকদের সহানুভূতিরও যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আর সরকার বলছে, সংকট বিবেচনায় জাপানের সহায়তায় দেশে বেশ কয়েকটি নতুন হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে।

এছাড়া উন্নত বিশ্বের মতো দেশেও স্বাস্থ্য সেবা সরকারিভাবে বিনা খরচে করার নিয়ম চালু উচিত বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *