সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মাদারীপুরের হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে তিন থেকে পাঁচ ইঞ্চি জাটকা। কম দামে জাটকা বিক্রিতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন সাধারণ মৎস ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অহরহ এ জাটকা বিক্রি করায় আগামী মৌসুমে ইলিশের সংকট দেখা দিতে পারে ধারণা স্থানীয়দের। তবে, জাটকা বিক্রি বন্ধে মাঝে মাঝে দায়সারা অভিযান চালাচ্ছে জেলা মৎস বিভাগ। ১লা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ ইঞ্চির নিচে ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ। কিন্তু মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি, বাংলাবাজার, পাঁচ্চর, উৎরাইল, সূর্যনগরসহ শিবচর উপজেলার একাধিক হাট-বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ৩ থেকে ৫ ইঞ্চি জাটকা। প্রতিদিন সকালে প্রকাশ্যে এভাবেই প্রতি কেজি জাটকা বিক্রি হচ্ছে ২শ’ থেকে আড়াইশ’ টাকায়। বরিশালের মুলাদী, হিজলা, মেহেদীগঞ্জ ও শরিয়তপুর এবং চাঁদপুরের নদী থেকে জাটকা ধরে এনে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা চালাচ্ছে এ ব্যবসা। এতে, আগামী মৌসুমে ইলিশের বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তবে, এ ব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি জাটকা বিক্রেতারা। স্থানীয়রা বলেন, এই জাটকা মাছ দুই তিন মাস পর বাজারে আসলেই পূর্ণাঙ্গ মাছে রূপান্তরিত হতো। কর্তৃপক্ষ সঠিক ভাবে দেখভাল করলে জাটকা মাছ বাজারে থাকতো না। কম দামে জাটকা বিক্রি হওয়ায় ক্ষতি মুখে পড়েছেন সাধারণ মৎস ব্যবসায়ীরা। এতে ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজও। সাধারণ মৎস ব্যবসায়ীরা বলেন, কিছু কিছু জাটকা কালো বাজারে বিক্রি হওয়ার কারণে আমরা যারা খুচরা মাছ বিক্রি করি তারা লাভ পায়না। এদিকে জনবল সংকট থাকায় পুরোদমে জাটকা বিক্রি বন্ধ করা না গেলেও নিয়মিত অভিযান চলছে বলে দাবী জেলা মৎস কর্মকর্তার। মাদারীপুর সদরের পুরানবাজার, মস্তফাপুর, রাজৈরের টেকেরহাট, কালকিনির মিয়ারহাট, মোল্লারহাট, ভুরঘাটাসহ জেলার অন্তত ১৫টি স্থানে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার জাটকা পাইকারী বিক্রি হচ্ছে। Post navigation বিডিআর হত্যা মামলার আপিল শুনানির শেষ পর্যায়ে রায় নিয়ে দেখা দিয়েছে আইনি বিতর্ক। কারাগারে থেকে বন্দিরা কতটুকু আলোর সন্ধান পাচ্ছেন