এতে প্রবৃদ্ধি সাত দশমিক চার শতাংশ আর মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৫ ভাগে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। বাজেটে রাজস্ব আয়ের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও ঘাটতি জিডিপির পাঁচ শতাংশের মধ্যে রাখা যায়নি।
নির্বাচনে আগে ২০১৭-১৮ই শেষ অর্থবছর যাতে বাজেট বাস্তবায়নে পুরো ১২ মাস সময় পাবে সরকার। তাই নতুন বাজেট প্রণয়নে গেল মাস থেকেই প্রাক বাজেট আলোচনা শুরু করেছে অর্থমন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের চাহিদার সাথে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক থেকে কি পরিমাণ অর্থ পাওয়া যাবে তার হিসাব কষে আসছে বাজেটের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে সম্পদ কমিটির সভায়।
অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে আগামী বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৭০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আয় ২ লাখ ৭১ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। এর সে হিসেবে ঘাটতি প্রায় এক লাখ ২৯ হাজার ১২ কোটি টাকা। যা জিডিপির পাঁচ দশমিক আট ভাগ।
ঘাটতি পূরণে বিদেশি ঋণের পাশাপাশি এবারও ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভুত খাত থেকে বড় অংকের অর্থ নেবে সরকার।
বাজেটে মোট আয়ের ৮৭ ভাগই দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। কর বহির্ভূত খাত থেকে পাওয়া যাবে ২৭ হাজার কোটি টাকা। আর বাকিটা পূরণ হবে এনবিআর বহির্ভুত আয় থেকে।
এবার বার্ষিক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার দেড় লাখ কোটি টাকার বেশি। এর ৬৩ ভাগ অর্থেরই যোগান দেবে সরকার। বাকিটা আসবে দাতা ও উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণ থেকে।
এছাড়া আসছে বাজেটে সংসদ সদস্য ছাড়াও জেলা পরিষদের প্রতিনিধিদের জন্য বড় অংকের থোক বরাদ্দ থাকার কথাও রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *