আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় গরুর ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা মিমাংসার পর দ্বিতীয় দফায় ফেরৎ পাওয়া টাকা ছিনতাই করা হয়েছে। ফলে গরু ব্যবসায়ী সর্বস্ব খুইয়ে কেঁদে ফিরছেন। কলারোয়া উপজেলার হরিনা গ্রামের মেহের আলীর পুত্র আঃ গফ্ফার ও বাকসা গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের পুত্র মোহাম্মদ আলী একসাথে বিভিন্ন গরু হাটে গরু বেচাকেনা করে থাকেন। গরু ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী জানান, তার মোবাইলে ০১৭৫৯৫৩০০৯৫ নাম্বার থেকে কল দিয়ে তাদের একটি উন্নত মানের জাতসি গরু বিক্রি করার আছে বলে জানায়। বুধবার বিকাল ৩টার দিকে তারা দু’জন কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি-মহিষাডাঙ্গা সড়কে ঢুকলে তাদের মোবাইলে ০১৭৩৯০০৪২৪০ নাম্বার থেকে ফোন করে গাড়ির গতিরোধ করে বলে আমাদের (ছিনতাইকারীরা) বাড়ী এখানে। তারা থামলে ছিনতাইকারীরা হঠাৎ তাদের উপর এলোপাতাড়ী হামলা চালিয়ে পিস্তল ও ছুরি দেখিয়ে তাদের কাছে থাকা নগদ ২ লক্ষ ৫০হাজার টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। ছিনতাইকারীদের বহনকারী প্লাটিনা মটরসাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার নোট করে (যার নং সাতক্ষীরা-হ- ১৩-৫৯৫৯) রাখতে সক্ষম হন তারা। নাম্বারটি দেখে কয়েকজন মটরসাইকেল চালক বলেন ঐ নাম্বার প্লেট মটরসাইকেলটি দাঁতপুর গ্রামের সিরাজ এর পুত্র সুজন হোসেনের। ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলি জানান, বৃহস্পতিবার আগরদাড়ীতে ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন আঙ্গুর দুই পকে নিয়ে মিমাংসায় বসেন এবং ৭০ হাজার টাকা দিয়ে সাদা কাগজে স্বার করিয়ে নেয়। তারা টাকা নিয়ে কুল্যার সোনালী সিনেমা হলের নিকট পৌছালে ৭০ হাজার টাকা আবারো ছিনতাই করে নেয়া হয়। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন আঙ্গুরের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান, ডলার কেনাবেচার ঘটনা নিয়ে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছিল। তাদের কাছে ৯৬ হাজার টাকা ছিল। তিনি দুই পকে ডেকে ৭০ হাজার টাকায় মিমাংসা করে দেওয়া হয়। পরে কুল্যায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে থাকলে সেটা তার জানার বাইরে। পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) শাহীদুর রহমান শাহীন জানান, ঘটনাটি পত্রিকায় পড়েছি, তবে আহত গরু ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে কোন অভিয়োগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। Post navigation আশাশুনির খাজরা ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা নারীকে নগ্ন করে নির্যাতন: মামলা তুলে নিতে ঠাকুরগাঁওয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের চাপ