4551পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ভ্রমনপিয়াসীদের পদভারে মুখরিত শেরপুরের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। জেলায় মধুটিলা ইকোপার্ক, গজনি অবকাশ, পানিহাতাসহ বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদেও ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তরে পোড়াগাঁও ইউনিয়নে ময়মনসিংহ বন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় মধুটিলা ফরেষ্ট রেঞ্জের সমসচূড়া বন বীটের আওতায় ৩৮০ একর বনভূমিতে গারো পাহাড়ের মনোরম পরিবেশে সরকারীভাবে বিগত ২০০০ সালে নির্মিত হয় ‘মধুটিলা ইকোর্পাক’ তথা পিকনিক স্পট।

১৯৯৩ সালে তৎকালীন শেরপুরের জেলা প্রশাসক আতাউর রহমান মজুমদার গজনীর গহিন জঙ্গলের পাহাড়ি চূড়ায় গজনী অবকাশ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে শেরপুর জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসন নিয়ন্ত্রিত অবকাশ কেন্দ্রের ব্যাপক উন্নয়ন কাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে। শেরপুর জেলা সদর থেকে অবকাশ কেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। গাড়ি করে অবকাশ কেন্দ্রে পৌঁছাতে সময় লাগে বড়জোর ৪৫ মিনিট।

তাছাড়া যারা সবুজের কাছাকাছি যেতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য অপেক্ষা নালিতাবাড়ী উপজেলার উপজেলার রামজচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা। ঈদুল ফিতরের প্রকৃতি প্রেমিকদের ভীড় চোখ পড়ার মতো। গারো পাহাড়ে অবস্থিত পানিহাতায় গেলে সহজের ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কিছু অংশ দেখা যাবে। এ স্থানটি এখনো পর্যটকদের জন্য কোন পার্ক গড়ে না উঠলেও প্রকৃতি সবার মন কেড়ে নিবে।

অন্যদিকে ঢাকা হতে নাকুগাঁও স্থল বন্দর রাস্তার নকলা উপজেলার পাইষকা মোড়ের কিছু উত্তরেই সুন্দর একটি ব্রীজ হয়। ব্রীজের আশেপাশে গড়ে ওঠে অসংখ্য বৃক্ষ। নজরকাড়া গাছের শ্যামলছায়া আর খোলা পরিবেশ মানুষদের আকর্ষণ করছে শুরু থেকেই। বিশেষ করে প্রতি ঈদে নকলা ও তার আশেপাশ এলাকার লোকদের বাইপাস ওই এলাকায় নাগেলে যেন ঈদ আনন্দটা অপূর্ণ থেকে যায়। এছাড়া তারাকান্দার রাবার ড্যাম, উরফার টাইগার ব্রীজ, নারায়ন খোলার ভেড় শিমুল গাছ, রামের কান্দির সমতল এলাকার সাগর টি-গার্ডেন, চন্দ্রকোণার স্টীলের ব্রীজ উপজেলা পর্যটকদের নজর কেড়ে আসছে আগে থেকেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *