Breaking
Wed. Jul 22nd, 2026
টাইফুন মাংখুতের আঘাতে ফিলিপিন্স-চীনে নিহত ৬৬

চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় টাইফুন মাংখুতের আঘাতে ফিলিপিন্স ও চীনে কমপক্ষে ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ফিলিপিন্সে ৬৪ জন নিহত হয়েছেন। আর চীনে নিহত হয়েছেন দুইজন। খবর আল-জাজিরার।

ফিলিপিন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টাইফুন মাংখুতের আঘাতে এখন পর্যন্ত ৬৪ জন নিহত হয়েছে। তারা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ব্যক্তি ভূমিধসে মারা গেছেন।

বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, কর্ডিলেরা পার্বত্য এলাকার আশেপাশেই বেশিরভাগ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ফিলিপিন্সের উত্তরে একটি ভূমিধসে কমপক্ষে ৪০ জন আটকা পড়েছে।

অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিজিটিএন জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে টাইফুন মাংখুতের আঘাতে ওই দুইজনের মৃত্যু হয়। বার্তা সংস্থা এপি জানায়, এর আগে ঘূর্ণিঝড়টিকে সামনে রেখে চীনের গুয়াংডং প্রদেশের সাতটি শহর থেকে ২৪ লাখের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়।

রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার গতিতে চীনের গুয়াংডংয়ে আঘাত হানে। এসময় উপকূলীয় এলাকা ১০ মিটার উঁচু ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়।

হংকংয়ের কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের আকর্ষণ ভিক্টোরিয়া হারবার থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে লোকজনকে সতর্ক করে দেয়। আর এশিয়ার লাস ভেগাস খ্যাত ম্যাকাওয়ে প্রথমবারের মতো ক্যাসিনো বন্ধ করে দেয়া হয় বলে জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট পত্রিকা।

টাইফুন মাংখুতের কারণে হংকংযের অধিকাংশ দোকান এবং পাবলিক সার্ভিস বন্ধ ছিল। এছাড়া হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রায় ৯০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৩ সালে সুপার টাইফুন হাইয়ানের আঘাতে ফিলিপিন্সে সাত হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। আর ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েক লাখ মানুষ।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *