সারা পৃথিবীতে ফাইভ জি নেটওয়ার্ক চালুর তোড়জোড় চলবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইভ জি এলে নেট দুনিয়ায় বিপ্লব ঘটে যাবে। ফোর জির থেকে একশো গুণ স্পিড বেশি হবে ফাইভ জির। এই কানেক্টিভিটির দৌলতে ‘বাফারিং’ শব্দটাই হয়তো মুছে যাবে! চোখের পলকে এইচডি মুভি ডাউনলোড করা যাবে। দূষণহীন নেটওয়ার্ক হবে ফাইভ জি। ফোর জির তুলনায় এই নেটওয়ার্ক কম পাওয়ার কনজিউম করে। ফলে ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়বে। চিকিৎসা ক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন আসবে। ফাইভ জি নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে যেকোনো জায়গায় যেকোনো সময় চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে অস্ত্রোপচারের মতো বিষয়। ফাইভ জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নিমেষেই ড্রোনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। শহরে দূষণের হালহকিকত স্মার্টফোনে এক ক্লিকেই পাওয়া সম্ভব হবে। দুর্গম জায়গা, প্রত্যন্ত অঞ্চল এমনকি খনির নিচেও কর্মীরা নির্ঝঞ্ঝাটে গোটা দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন এই ফাইভ জি নেটওয়ার্ক এলে। ফাইভ জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রিমোট পরিচালিত যানবাহন ও মেশিনকেও নির্ঝঞ্ঝাটে চালানো সম্ভব হবে। যেটা টুজি, থ্রিজি ও ফোর জিতে যেটা অকল্পনীয়, ফাইভ জিতে অনায়াসে তা সম্ভব। Post navigation ত্বকের উজ্জ্বলতা থাকুক দীর্ঘদিন! একসঙ্গে থাকছেন আরবাজ-জর্জিনা