ভারতের জি-বাংলার সংগীত প্রতিযোগিতা ‘সারেগামাপা’র মাধ্যমে গানের জগতে যাত্রা শুরু হয় সংগীতশিল্পী নোবেলের। এ প্রতিযোগিতা দিয়ে দুই বাংলাতেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে গানে প্রসংশিত এই তারকা বিভিন্ন ধরনের বক্তব্যের কারণে বিতর্কিত হতে থাকেন। বিশেষ করে গত বছরের মাঝামাঝিতে সংগীতের কিংবদন্তিদের নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত ট্রল হচ্ছেন নোবেল। যদিও কিংবদন্তিদের নিয়ে দেয়া মন্তব্যকে নিজের ভুল বলে স্বীকার করে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। এদিকে সবশেষ নোবেলের গাওয়া ‘অভিনয়’ গানটি বেশ প্রশংসা কুড়ায় শ্রোতামহলে। এবার নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি।

কবে নাগাদ প্রকাশ করছেন এই গান? উত্তরে নোবেল বলেন, সাউন্ডটেক থেকে প্রকাশ পাওয়া আমার ‘অভিনয়’ গানটি শ্রোতারা ভালো ভাবে গ্রহণ করেছেন। সেই গানের কথা লিখেছিলেন আহমেদ রিজভী। সুর ও সংগীত করেছিলেন আহমেদ হুমায়ুন। একই টিম ও ব্যানারে ভালোবাসা দিবসে এবার নতুন গান প্রকাশ করছি।  আশা করছি এ গানটিও শ্রোতাদের মনে ধরবে। চলচ্চিত্রেও তো গাইলেন? নোবেল বলেন, ‘মুখোশ’ সিনেমার জন্য গাইলাম গান। এর সুর ও সংগীত করেছেন আহমেদ হুমায়ুন। বেশ ভালো একটি ছবি। গানটিও ভালো হয়েছে, সেটা শুনলেই সবাই বুঝতে পারবেন।  আপনাকে নিয়ে বিতর্ক হবার পরও ‘অভিনয়’ গানটি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আসলে আপনার হেটার্স কারা বলে মনে করেন? নোবেল বলেন, আসলেই হেটার্স কারা! দিন শেষে তারাই কিন্তু আমার গান টুকটাক শোনে। সেই অধিকারের জায়গা থেকে একটা আবদার করি। এবার বাদ দিন প্লিজ। শ্রোতারাই আমার সব। তাদের কারনেই আমি নোবেল। তাদের ছাড়া আমি কিছুই না। জিরো! ভুলের উর্ধ্বে কেউই না। কিন্তু ক্ষমা কি মহৎ গুণ নয়? নোবেল আরো বলেন, আমি জানি আমার মত দু-চারটা নোবেল না থাকলে সংগীত জগতের কিচ্ছু আসবে যাবে না। তবে আরেকটা সুযোগ চাই। বিশ্বাস রাখুন, আমার কাছে বাংলা গানকে দেবার মত কিছু হলেও আছে। তবে কি এবার ঘৃণার সাগরের স্নানটা শেষ করে একটু ভালবাসা দেওয়া যায় না? আর কিচ্ছু চাই না আমি, একটু ভালবাসা ছাড়া। আমিও তো মানুষ। সামনের পরিকল্পনা কি? নোবেল বলেন, ভালো গান গাওয়াই প্রথম ও প্রধান পরিকল্পনা। গানের কারনেই মানুষ আমায় চিনেছে। যে মাধ্যমেই হোক, এমন কিছু গান করতে চাই যা মানুষ মনে রাখবে দীর্ঘদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *