1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. 123junayedahmed@gmail.com : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর : জুনায়েদ আহমেদ, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর
  3. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  4. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  5. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  6. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  7. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  8. sumaiyaislamtisha19@gmail.com : তিশা, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান : তিশা, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান
৮০ ভাগ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকই মানছে না আইন - Swadeshnews24.com
শিরোনাম
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে যা বললেন নিপুণ তালিকা দিতে না পারলে ফখরুলকে ক্ষমা চাইতে বললেন ওবায়দুল কাদের প্রকাশিত হলো দিদারের ‘বৈশাখ এলো রে এলো বৈশাখ’ আ.লীগের মতো ককটেল পার্টিতে বিশ্বাসী নয় বিএনপি: রিজভী হৃদয় খানের সঙ্গে জুটি ন্যান্সিকন্যা রোদেলার শাকিব ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পুরুষকে ভাবতে পারি না: বুবলী শাকিবের এমন সময় আমাদেরও ছিল: ওমর সানী কত টাকা সালামি পেলেন জায়েদ খান, দিতে হলো কত লাখ? শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে,দেনমোহর, বিচ্ছেদসহ নানা বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, বৃহস্পতিবার ঈদ বাড়তি ভাড়া চাওয়ায় ‘যাত্রীদের মা’র’ধরে’ বাসচালক ও হেলপার নি’হ’ত ওমরাহ পালনে সৌদি আরবে সাকিব ‘শাকিবের সঙ্গে আমার বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি’ কেন নিপুণের প্যানেলে নির্বাচন করছেন জানালেন হেলেনা জাহাঙ্গীর তসিবা’র ঈদ ধামাকা “জানু স্বামী”

৮০ ভাগ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকই মানছে না আইন

  • Update Time : সোমবার, ১২ মে, ২০১৪
  • ৩৬৯ Time View

image_81297_0স্বাস্থ্যসেবা নিতে রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এসে প্রতিদিন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। কারণ এই হাসপাতাল ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্রগুলো পর্যাপ্ত চিকিৎসক এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসুবিধা ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তারা জানান, রাজধানীর প্রায় ৬০টি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অন্তত ৮০ শতাংশই সরকারের জারি করা আইন কোনো না কোনো দিক থেকে না মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। আর ন্যূনতম স্নাতক পাস করা প্রয়োজনীয়সংখ্যক চিকিৎসক ও সহকারী ছাড়াই চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনা করার প্রবণতা তো আছেই।

স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের উপ-পরিচালক ডা. স্বপন কুমার তপাদার রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালগুলো পর্যবেক্ষণ কমিটির প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, পরিদর্শনের সময় দেখা গেছে অধিকাংশ বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানেই প্রয়োজনীয়সংখ্যক চিকিৎসক নেই, ডিপ্লোমাধারী নার্স নেই এবং রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় স্থানসংকুলানও নেই।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, প্যাথলজিকাল সেন্টারগুলোতে সবসময় অন্তত একজন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট বা চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ থাকার কথা থাকলেও অনেকগুলো সেন্টার ঘুরে দেখা গেছে যে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের কাজগুলো করছেন ল্যাব অ্যাটেনডেন্টরাই।

এছাড়াও অনেক রোগ নির্ণয় কেন্দ্রেই রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে তিন হাজার ৮২৭টি সরকারিভাবে অনুমোদিত বেসরকারি হাসপাতাল ও আট হাজার ১১১টি প্যাথলজিকাল সেন্টার আছে এবং এগুলোর মধ্যে দেড় হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান অবস্থিত ঢাকার শহরের মধ্যেই।

স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতর সূত্রে জানা গেছে, দেশজুড়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ক্লিনিক ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে কোনো ধরনের লাইসেন্স ছাড়াই।

রাজধানীতে এরকমই বেশ কয়েকটি লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করেছে পর্যবেক্ষণ কমিটি। তবে লাইসেন্সবিহীন এসব প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানান কমিটির সদস্যরা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে অনুমোদন পাওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরে আবেদন করার আগেই এসব বেসরকারি ক্লিনিক ও প্যাথলজিকাল সেন্টারগুলোর কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত সুবিধাদি আছে দেখানোর জন্য চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ভাড়া করে আনেন।

বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর এই অনিয়ম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের পরিচালক (শিক্ষা ও এইচএমপিডি) অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান জানান, সেবাপ্রদান কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করার আগে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের অনুমোদন নেয়া বাধ্যতামূলক।

অনুমোদিত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর অনিয়মের বিষয়ে তিনি জানান, অনুমোদন পাওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরে আবেদন করার সময় বেসরকারি ক্লিনিক ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখালেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে অনুমোদন পেয়ে যাওয়ার পরে তারা আর নিয়ম-নীতি ও শর্তগুলো আর মেনে চলেন না।

অনুমোদন ধরে রাখার জন্য একটি বেসরকারি ক্লিনিকের অবশ্যই প্রত্যেক রোগীর জন্য পৃথকভাবে ন্যূনতম ৮০ বর্গফুট জায়গা এবং প্রতি ১০জন রোগীর জন্য অন্তত তিনজন স্নাতক চিকিৎসক থাকতে হবে।

এছাড়াও স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ক্লিনিকগুলোতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক ন্যূনতম ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী নার্স এবং ক্লিনার থাকতে হবে। একইভাবে প্যাথলজিকাল সেন্টারগুলোতেও পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি থাকার পরই তারা অনুমোদন পেতে পারেন।

স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতরের তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি বর্তমানে ঢাকার ভেতরের বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলো পর্যবেক্ষণ করছে যেখানে অপর একটি দল ঢাকার বাইরের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করছে। জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জনরাও ক্লিনিকগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন।

প্রয়োজনীয়সংখ্যক সদস্যকর্মী ছাড়াই গঠিত এসব কমিটি দোষী বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও তাদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে কি-না এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্য সচিব এমএম নিয়াজুদ্দিন জানান, বেসরকারি ক্লিনিক ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্রগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

এছাড়াও তিনি জানান, সরকারের দেয়া শর্ত ভঙ্গকারী বেসরকারি হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের শাস্তি প্রদানের পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তবে স্বাস্থ্য সচিবের এই বক্তব্যের সম্পূর্ণ উলটো কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সরকারের দেয়া শর্ত ভঙ্গকারী বেসরকারি হাসপাতাল ও প্যাথলজিক্যাল সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি আরো যোগ করেন, এদের শাস্তি বিধানের বিষয়টি এখন থেকে পরিচালনা করবেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ফোনে যোগাযোগ করা হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বেসরকারি কিছু ক্লিনিক ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্র সরকারের দেয়া শর্ত ভঙ্গ করছে বলে শুনেছি।”

নিয়মভঙ্গকারী এসব প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির আওতায় আনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদপ্তরের অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি সপাদন করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।”

স্বাস্থ্যসেবা মহাপরিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে দুটি ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন রকম অনিয়মের জের ধরে অন্যান্য বেশ কিছু স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে শোকজ নোটিশও পাঠানো হয়েছে। সূত্র: ইউএনবি

নতুন বার্তা

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com