এই জয়ে ৬ ম্যাচ শেষে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। শনিবার পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সাঙ্গাকারার ১১২ রানের সাহায্যে ৭ উইকেটে ২৯২ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে সুরঙ্গা লাকমাল ও সাচিত্রা সেনানায়েকেদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৪১.৩ ওভারে ২০২ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। মাত্র আট রানের মাথায় মাহেলা জয়াবর্ধনেকে হারালেও দলকে বিপদে পড়তে দেননি সাঙ্গাকারা। দ্বিতীয় উইকেটে আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তিলকারত্নে দিলশানের সঙ্গে ১৫৩ রানের জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়েন তিনি। ১০৫ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৬৮ রান করেন দিলশান। দিলশানের বিদায়ের পর স্বাগতিকরা আর তেমন কোনো বড় জুটি গড়তে পারেনি। তবে একপাশ আগলে রেখে ক্যারিয়ারের ২০তম ওয়ানডে শতক তুলে নেন সাঙ্গাকারা। ক্রিস জর্ডানের শিকারে পরিণত হওয়া সাঙ্গাকারার ১১২ বলের ইনিংসটি ১২টি চার ও ২টি ছক্কা সমৃদ্ধ। চমৎকার এই ইনিংসের সুবাদে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন সাঙ্গাকারা। শেষ দিকে দিনেশ চান্দিমালের ৩১ বলে ৩৫ রানের ছোট্ট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে তিনশ’ রানের কাছাকাছি স্কোর গড়ে স্বাগতিকরা। লক্ষ্যটা বড় হলেও কঠিন ছিল না, কিন্তু ৫০ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে পথ হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। জো রুটের অর্ধশতকে দলটি ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখলেও তা আর হয়নি। ৭৬ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৫৫ রান করেন চার নম্বরে নামা এই ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন ক্রিস ওকস। প্রতিপক্ষকে অল্প রানে গুঁটিয়ে সহজ জয় নিশ্চিত করতে লাকমাল ৪টি এবং সেনানায়েকে ৩টি উইকেট নেন। সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলঙ্কা: ৫০ ওভারে ২৯২/৭ (জয়াবর্ধনে ৫, দিলশান ৬৮, সাঙ্গাকারা ১১২, প্রসন্ন ২০, ম্যাথিউস ১, চান্দিমাল ৩৫, পেরেরা ১৬, মেন্ডিস ১২*; ওকস ২/৫১, ফিন ২/৫৩, জর্ডান ২/৬৮, ট্রেডওয়েল ১/৩৭) ইংল্যান্ড: ৪১.৩ ওভারে ২০২ (কুক ১, মইন ৩৪, টেইলর ১০, রুট ৫৫, বোপারা ১৩, মর্গান ০, বাটলার ২২, ওকস ৪১, জর্ডান ৪, ট্রেডওয়েল ১৯, ফিন ১*; লাকমাল ৪/৩০, সেনানায়েকে ৩/৩৩, দিলশান ২/৫৫) ম্যাচ সেরা: কুমার সাঙ্গাকারা Post navigation প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি সাবেক ক্রিকেটাররা পাকিস্তান ওয়ানডে দলে ইয়াসির